Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ‘মানুষের মুখে হাসি ফোটানো রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য হওয়া উচিত’




‘মানুষের মুখে হাসি ফোটানো রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য হওয়া উচিত’ গণভবন থেকে গৃহহীন মানুষদের কাছে নবনির্মিত বাড়ির দলিল ও চাবি ভার্চুয়ালি বিতরণ করে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মানুষের মুখে যদি হাসি ফোটানো যায়, এর চেয়ে বড় পাওয়া একজন রাজনীতিবিদের জীবনে আর কী হতে পারে। এটাই তো সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উন্নত ও সুন্দর জীবন উপহার দিয়ে জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন। আমরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।’ প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে গৃহহীন মানুষদের কাছে নবনির্মিত বাড়ির দলিল ও চাবি ভার্চুয়ালি বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ৩২ হাজার ৯০৪টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩২ হাজার ৪০৯টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে জমি ও ঘর দিয়েছি। আমি আসন্ন ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে আজ এসব জমি ও ঘর দিয়েছি।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার মুজিববর্ষের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই দফায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসিত করেছে। যারা ঘর পেয়েছে, তাদের মুখের হাসি আমি খুব পছন্দ করি।’ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি উন্নত ও সুন্দর জীবন উপহার দিয়ে জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বেদে, তৃতীয় লিঙ্গ, চা-শ্রমিক, কুষ্ঠ রোগী, ভিন্নভাবে সক্ষমসহ সুবিধাবঞ্চিত সব শ্রেণির মানুষকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে গৃহায়ণ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চার জেলার চারটি স্থানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সুবিধাভোগী এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ওই চারটি স্থান হলো—ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার অধীনে খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প। মুজিববর্ষে সারা দেশে প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে গৃহায়ণের আওতায় নিয়ে আসার সরকারি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তিন ধাপে এ পর্যন্ত এক লাখ ৫০ হাজার ২৩৩টি বাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬৩ হাজার ৯৯৯টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার প্রথম ধাপের অধীনে ঘর পেয়েছিল। ৫৩ হাজার ৩৩০টি পরিবার গত বছরের ২০ জুন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে নিজেদের একটি ঠিকানা পান। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপের আওতায় সারা দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে আরও ৬৫ হাজার ৬৭৪টি ঘর বিতরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী আজ ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেছেন। সারা দেশের ৪৯২টি উপজেলায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে এক লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছর পর্যন্ত এক লাখ ৮৩ হাজার তিনটি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন, গৃহহীন, হতদরিদ্র পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা দেওয়া হয়। বাড়িগুলোর প্রতিটি ইউনিটে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট এবং একটি বারান্দা রয়েছে, যার মূল্য কর ও ভ্যাট ছাড়া দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। কর ও ভ্যাটসহ এর পরিমাণ তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা। আশ্রয়ণ-২-এর তৃতীয় পর্বে বাড়িগুলোকে আরও টেকসই এবং জলবায়ু সহনশীল করতে সরকার খরচ বাড়িয়েছে এবং নকশায় পরিবর্তন এনেছে। বাড়িগুলোকে আরও টেকসই করতে প্রতিটি বাড়ির জন্য খরচ এক লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। চলতি অর্থবছর পর্যন্ত বাড়ি নির্মাণে এ পর্যন্ত তিন হাজার ৯৭২ কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খাস জমি ছাড়াও গৃহহীন ও ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার ১৬৮ দশমিক ৩২ একর জমি কিনেছে। এর মধ্যেই জমি কেনার জন্য ১১৫ দশমিক ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকার প্রকল্পের বাড়ি নির্মাণের জন্য সারা দেশে অবৈধ দখল থেকে দুই হাজার ৯৬৭ কোটি ৯ লাখ টাকা মূল্যের পাঁচ হাজার ৫১২ দশমিক শূন্য ৪ একর খাস জমি উদ্ধার করেছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট পাঁচ লাখ সাত হাজার ২৪৪ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং পুনর্বাসিত পরিবারগুলোকে তিন মাসের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান গনভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply