Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হার্নান্দেজকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর




হন্ডুরাস সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে মাদক ও অস্ত্র পাচারের অভিযোগের মুখোমুখি হতে যুক্তরাষ্ট্রের ‌কাছে হস্তান্তর করেছে। খবর এপি। হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হার্নান্দেজকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর ৫৩ বছর বয়সী হার্নান্দেজ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে তার বাকি জীবন কারাগারে কাটাতে হতে পারে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতে রাজধানী টেগুসিগাল্পার একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটি থেকে নির্ধারিত ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিমানে মার্কিন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) নিউইয়র্কের একটি আদালতে তাকে হাজির করার কথা রয়েছে। হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে ২০০৪ সাল থেকে হন্ডুরাস হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (প্রধানত কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলা থেকে) প্রায় ৫০০ টন কোকেন পাচারে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে, যা তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। মার্কিন দূতাবাসের একটি নথি থেকে জানা যায়, তিনি হন্ডুরাস, মেক্সিকো এবং অন্যান্য স্থানের একাধিক মাদক পাচারকারী সংস্থার কাছ থেকে মিলিয়ন ডলার ঘুষ নিয়েছেন। নিউইয়র্কের প্রসিকিউটরদের করা একটি অভিযোগে হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক ও অস্ত্র পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। হন্ডুরাসের সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যর্পণের পক্ষে বিচারকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার আপিল প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড সাংবাদিকদের বলেন, হার্নান্দেজ হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পদের অপব্যবহার করেছেন এবং হন্ডুরাসকে একটি মাদকরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ক্ষমতা ছাড়ার তিন মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে গেল ১৫ ফেব্রুয়ারি হন্ডুরাসের পুলিশ সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে গ্রেফতার করে। অবৈধ মাদক পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বিচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র হার্নান্দেজের প্রত্যর্পণ চাওয়ার পরই তাকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে রাজধানী তেগুসিগাল্পায় পুলিশের বিশেষ বাহিনীর কারাগারে রাখা হয়। আরও পড়ুন: ইউক্রেনকে বিশাল অর্থ সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের মামলাটি পরিচালনা করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট অব জাস্টিস একজন বিচারককে বাছাই করে এবং ওই বিচারক সাবেক প্রেসিডেন্টের গ্রেফতারের আদেশে স্বাক্ষর করেন। হার্নান্দেজ একসময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র ছিলেন। তাকে আটকের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেছিলেন, বিশ্বস্ত রিপোর্টে জানা গেছে, হার্নান্দেজ ‘দুর্নীতি ও মাদক পাচারের কাজে জড়িত বা এসব কাজকে সহজলভ্য করার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দুর্নীতিতে জড়িত’ এবং এসব থেকে অর্জিত অর্থ তিনি তার রাজনৈতিক পেশায় ব্যবহার করছেন। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর তার আইনজীবী বলেছিলেন, হার্নান্দেজ আঞ্চলিক সংসদের সদস্য হওয়ায় তাকে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে বাধা রয়েছে। মার্কিন কৌঁসুলিরা বলছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের জড়িত করে হন্ডুরাসকে একটি ‘নারকো-রাষ্ট্রে’ পরিণত করেছিলেন। হার্নান্দেজ তার শাসনামলে মাদকের বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা করেন এবং একজন মিত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগ থাকার পরও ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার পুনর্নির্বাচনকে সমর্থন করেছিল। আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞার বিরোধী, শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী চীন: শি জিনপিং তার ভাই, সাবেক কংগ্রেসম্যান টনি হার্নান্দেজকে ২০২১ সালের মার্চ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যেখানে জুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে সহষড়যন্ত্রকারী বলা হয়েছিল। সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একটি বিবৃতিতে সাবেক প্রেসিডেন্টের পরিবার তার মুক্তি চেয়ে প্রতিবাদ করেছে এবং বলেছে, তিনি মাদক পাচারকারীদের দ্বারা প্রতিশোধের শিকার হয়েছেন। তারা নিজেদের সাজা কমানোর জন্য হার্নান্দেজ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। হার্নান্দেজকে বহনকারী মার্কিন বিমান যখন টেক অফ করে, তখন বেশ কয়েকজনকে আনন্দ উদ্‌যাপন করতে ও লাফ দিতে দেখা গেছে। হার্নান্দেজের প্রশাসনের সময় হাজার হাজার নাগরিক দেশত্যাগ করেছিল






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply