Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » আলোচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচন: যা বলছেন, তিন প্রধান দলের শীর্ষ নেতারা




আলোচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচন: যা বলছেন, তিন প্রধান দলের শীর্ষ নেতারা

প্রায় পৌনে দু’বছর সময় রয়েছে, ১১তম জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হতে। তবে এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের আলোচনা। আগাম হিসাব মেলাতে চলছে নানা সমীকরণ। বিএনপির পক্ষ থেকে এরইমধ্যে দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় সরকার’ এর প্রস্তাব। এ অবস্থায় ২০১৪ কিংবা ২০১৮ এর মতো নির্বাচনের ছকে কি আবারও ক্ষমতায় আসতে পারবে আওয়ামী লীগ? নাকি জাতীয় ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে ক্ষমতার ছক পাল্টাবে? যমুনা নিউজের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন তিন প্রধান দলের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে-বিদেশের সকলের চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে। সব কিছুর তো একটা শেষ আছে। চোরের ১০ দিন গৃহস্থের ১ দিন। বারবার চুরি করে তো পার পাবে না। জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা উচিত। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, তাহলে সেটা সরকার বুঝবে। জাতীয় পার্টি মনে করছে, দেশটির চাওয়া কিংবা না চাওয়া নয়; আমাদের দাবি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত। ভূ-রাজনীতি, র‍্যাবের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতায় বিরোধীরা বলছে, গত দুইবারের মতো জাতীয় নির্বাচন সম্ভব না। এর জবাবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বললেন, যুক্তরাষ্ট্র একটা গুরুত্বপূর্ণ দেশ। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তাদের বিরাট প্রভাব রয়েছে। আমাদের পোষাক খাতের বড় একটি বাজার সেখানে। এগুলোকে আমরা অবশ্যই বিবেচনায় রাখি। আমি বারবার বলছি, এমন পরিস্থিতি হবে না, যাতে তারা আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়। এছাড়া দেশের রাজনীতির মাঠে আলোচনায় আছে বিএনপির জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব। দলটি বলছে, নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায় করে সব পক্ষকে নিয়ে গঠন করা হবে জাতীয় সরকার। যদিও এমন প্রস্তাবে গোঁজামিল দেখছে প্রতিপক্ষ। ‘জাতীয় সরকার গঠন করলে একজনের জায়গায় আরেকজন আসবে, পাঁচজন মিলে আরও একটা জগাখিচুড়ি হবে। জাতীয় সরকারের বিষয়টা আমাদের মধ্যে নাই’, বলেছেন মুজিবুল হক চুন্নু। এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা ড. আব্দুর রাজ্জাকের মত, ‘দেশে এই মুহূর্ত এমন কোনো কারণ ঘটে নাই, যে জন্য একটা জগাখিচুড়ি পরিস্থিতি তৈরি হবে বা অচল অবস্থার সৃষ্টি হবে। আওয়ামী লীগ বাধ্য হবে এ ধরনের সরকার গঠন করতে, আমি তা মনে করি না।’ তিনি বরং বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। চাপে ফেলার সক্ষমতা বিএনপির নেই। আন্দোলনের বিষয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মন্তব্য, মানুষ একটি জায়গায় চুপ করে বেশিদিন বসে থাকতে পারে না। অধিকারের জন্য ইতোমধ্যে আমাদের করা জনসভাগুলোতে হাজার-হাজার, লক্ষ-লক্ষ মানুষ এসেছে। প্রতিবাদ করছে। নির্বাচন নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থানে থাকলেও প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতারা বলছেন, সামনের কৌশল নির্ধারিত হবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply