Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » আন্দোলনকারীদের সরকারি কার্যক্রমে চান শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী




আন্দোলনকারীদের সরকারি কার্যক্রমে চান শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন দিন দিন বাড়ছে। রোববারও (২৯ মে) পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজধানী কলম্বো। এ অবস্থার মধ্যেই আন্দোলনকারীদের সরকারি কার্যক্রমে অংশ নেয়ার আহ্বান জানালেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট গোতায়াবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবি

তে রোববারও বিক্ষোভে উত্তাল ছিল শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। দু’পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। আরও পড়ুন: সংঘাত-সংঘর্ষে রণক্ষেত্র শ্রীলঙ্কার কলম্বো এর আগে, বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ঘেরাও করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। আন্দোলকারীরা ব্যারিকেড সরিয়ে অগ্রসর হতে থাকলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করা হয়। এতেও কাজ না হলে এক পার্যায়ে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। এদিকে, আন্দোলন করে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা যাবে না উল্লেখ করে আন্দোলনকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। এক সাক্ষাৎকারে আন্দোলনরত যুবকদের সরকারি কার্যক্রমে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিক্রমাসিংহে বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা অর্থনীতি। যুবকরা পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন। তারা সংস্কার চাচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতি তারা ভালোভাবে জানেন। বিভিন্ন কমিটিতে যুবকদের অংশগ্রহণের সুযোগ আছে। তারা বিভিন্নভাবে সরকারকে এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে পারেন। স্বাধীনতার পর ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো ডলার সংকটে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের অভাব দেখা দিয়েছে দেশটিতে। আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপি শ্রীলঙ্কা সংকটের জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী করে বিক্ষোভ করে আসছেন সাধারণ মানুষ। প্রায় দুই মাস ধরে চলা বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। এরপর রনিল বিক্রমাসিংহে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply