Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারতে ভিন্নমত দমনের সেই রাষ্ট্রদ্রোহ আইন স্থগিত




ভারতে ভিন্নমত দমনের সেই রাষ্ট্রদ্রোহ আইন স্থগিত

ঔপনিবেশিক আমলের একটি বিতর্কিত রাষ্ট্রদ্রোহ আইন স্থগিত করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনে আইনটি প্রয়োগ করা হতো বলে অভিযোগ করে আসছিলেন সমালোচকরা। আইনটি চ্যালেঞ্জ করে যে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে, তা শেষ না-হওয়া পর্যন্ত এর অধীন নতুন কোনো মামলা না নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারকেরা। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চলমান সব বিচার স্থগিত রাখতেও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।-খবর বিবিসি ও এনডিটিভির রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীসহ ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করতে ভারত সরকার আইনটি ব্যবহার করে আসছিল। আইনটি বহাল রাখতে লড়াইয়ের পর মঙ্গলবার (১০ মে) সরকার বলেছে, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের রিভিউ করবেন তারা। রায় ঘোষণায় বিচারকেরা বলেন, যারা এ আইনের অধীন কারাগারে আছেন কিংবা যাদের বিচার চলছে, তারা জামিন আবেদন করতে পারবেন। সুপ্রিমকোর্টকে বিরোধীদল কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা কপিল সিবাল বলেন, ভারতজুড়ে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আটশতাধিক মামলা বিচারের অপেক্ষায় আছে। কারাগারে আছেন ১৩ হাজার মানুষ। বিবিসির সাংবাদিক সৌতিক বিশ্বাস বলেন, রায়টি এখনই উদ্‌যাপন করা যাবে না। তবে এটি একটি বড় ঘটনা। গেল কয়েক দশক ধরে ভারতের বিভিন্ন সরকার বিরোধীদের দমন করতে আইনটির প্রয়োগ করেছে। শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী ও সরকার সমালোচকেরা এটির মাধ্যমে নির্যাতিত হয়েছেন। এ আইনের মাধ্যমে সরকার সমালোচকদের বাকস্বাধীনতা হরণ করার অভিযোগ রয়েছে। গত বছর কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত কৃষকদের সহায়তায় সামাজিকমাধ্যমে একটি নথি শেয়ার করায় এক পরিবেশকর্মীকে আটক করেছিল ভারত সরকার। তখনই রাষ্ট্রদ্রোহ আইনটি খবরের শিরোনামে চলে আসে। এমনকি একটি স্কুলে একটি নাটকে অংশ নেওয়া ৯ থেকে ১২ বছর বয়সের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও এই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা একটি ফেসবুক পোস্টে লাইক দিয়েছে। সিনেমা হলে জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর সময় না দাঁড়ানোয় রাষ্ট্রদ্রোহ আইন প্রয়োগের নজিরও আছে। স্বাধীনতার পর ১৯৬২ সালে ভারতের সুপ্রিমকোর্ট রাষ্ট্রদ্রোহ আইন প্রয়োগের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। কিন্তু ভারতের বিভিন্ন সরকার নিজেদের প্রয়োজনে এই আইনের ব্যবহার করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে তাদের ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করতে আইনটির যথেচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতে বিচার পাওয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বছরের পর বছর ধরে ওই সব মামলা চলে। প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি এ আইনের অধীন নতুন কোনো মামলা দায়ের করা হয়, তবে অভিযুক্তরা আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবেন। আইনটির অপব্যবহার বন্ধে রাজ্যগুলোকে নির্দেশনা দেওয়ার স্বাধীনতা ইন্ডিয়ান ইউনিয়নের রয়েছে। কিন্তু দেশটির কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু অনেকটা কড়া ভাষায় বলেন, আমরা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করি। আদালতের উচিত সরকারকে সম্মান দেখানো। আইনসভা ও সরকারের উচিত আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। আমাদের একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে, যা লঙ্ঘন করা উচিত হবে না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply