Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » এখনো জনিকে ভালোবাসেন সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার




এখনো জনিকে ভালোবাসেন সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হলিউড অভিনেতা জনি ডেপ ও তার সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ড বেশ কিছুদিন ধরেই খবরের শিরোনামে তাদের বিচ্ছেদ ও মানহানির মামলা প্রসঙ্গে। এর মধ্যেই জনি ও তার মামলার রায়ে তার হারের পর আবারও সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তিনি নতুন এক মন্তব্য করে। মানহানির মামলায় পরাজয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’ অভিনেত্রী। আর সেখানেই তিনি বলেন, সাবেক স্বামী অভিনেতা জনি ডেপকে এখনো ভালোবাসেন তিনি।

অ্যাম্বার বলেন, ‘আমি তাকে ভালোবাসি। হৃদয় উজাড় করে তাকে ভালোবাসতাম। একটি ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চেষ্টা করেছিলাম। সেটা পারিনি। তার জন্য কোনো খারাপ লাগা বা তার ক্ষতি করার কোনো ইচ্ছা ছিল না। এটা বোঝাটা অনেক কঠিন, আবার সহজও। যদি কাউকে ভালোবাসেন, তাহলে সেটি বোঝা সহজ।’ অ্যাম্বার দাবি করেন, জনি ডেপের পক্ষে রায় যাওয়ার অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। পাশাপাশি এ-ও জানান, আদালতে তিনি কোনো ধরনের মিথ্যা কথা বলেননি। অ্যাম্বার হার্ড বলেন, ‘আমি অনেক ভুল করেছি। কিন্তু সবসময় সত্য বলেছি।’ আরও পড়ুন: বাস্তবে আসছে স্কুইড গেম, খেলায় জিতলে থাকছে পুরস্কার ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ সিনেমাখ্যাত অভিনেতা জনি ডেপ ও অ্যাম্বার লরা হার্ডের মধ্যে পরিচয় ২০০৯ সালে। ‘দ্য রাম ডায়েরি’ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এরপর দীর্ঘ চার বছর তারা চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০১৪ সালের মেট গালাতে বাগদান সারেন জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড। পরের বছর লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই জুটি। বিয়ের দেড় বছর পর জনি ডেপের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় তাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ২০১৬ সালে ডিভোর্সের আবেদন করেন অ্যাম্বার। অভিযোগ অস্বীকার করলেও ২০১৬ সালের আগস্টে ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ডিভোর্স নিষ্পত্তি করেন আদালত। বিচ্ছেদের দেড় বছরের মাথায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় নারীদের নির্যাতন নিয়ে অ্যাম্বার হার্ড একটি বই লেখেন। মতামতধর্মী সেই লেখায় অসুখী দাম্পত্যজীবনের নানা কথা তুলে ধরেন ‘অল দ্য বয়েজ লাভ ম্যান্ডি লেন’ ছবির মাধ্যমে প্রথম দর্শকমনে স্থান করে নেয়া অ্যাম্বার। মতামতধর্মী ওই লেখায় জনি ডেপের নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি অ্যাম্বার। জনি ডেপের দাবি ওই লেখার মাধ্যমে তার সাবেক স্ত্রী তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছেন এবং তাতে তার মানহানি হয়েছে। পরে ২০১৯ সালে অ্যাম্বার হার্ডের এ লেখার কারণে তার বিরুদ্ধে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মানহানি মামলা করেন জনি। পরে পাল্টা ১০০ মিলিয়ন ডলারের মামলা করেন অ্যাম্বার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply