Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বিশ্বকাপ থেকে ইংল্যান্ডের বিদায়ে বেকহ্যামকে দায়ী করা হয়




বিশ্বকাপ থেকে ইংল্যান্ডের বিদায়ে বেকহ্যামকে দায়ী করা হয় ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিদায়ের জন্য দায়ী করা হয়েছিল ডেভিড বেকহ্যামকে। বেশ খারাপ সময় পার করছিলেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক। কিন্তু সে সময় তিনি পাশে পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তৎকালীন কোচ স্যার অ্যালেক্স ফারগুসন এবং ক্লাব সমর্থকদের, যা নতুনভাবে তাকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। সিঙ্গাপুরে একটি প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডেভিড বেকহ্যাম। ১৯৯৮ ফিফা বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনার কাছে হেরে রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। লাল কার্ড দেখে ৪৭ মিনিটে মাঠ ছেড়েছিলেন ইংলিশ ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম। যে কারণে ম্যাচ শেষে নানা সমালোচনাও শুনতে হয় তাকে। থ্রি লায়নদের বিদায়ের জন্য দায়ীও করা হয় তাকে। মাঝে লম্বা একটা সময় পার হয়ে গেছে। কিন্তু তখন যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন, বেকহ্যামের স্মৃতির পাতায় তা এখনো তরতাজা। সিঙ্গাপুরে এক প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে গিয়ে আবারো সেই স্মৃতি রোমন্থন করলেন সাবেক তিনি। একঝাঁক সমর্থকের সামনে বললেন কীভাবে পার করেছিলেন কঠিন সেই সময়।

বেকহ্যাম বলেন, ‘ওই সময়ে আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন স্যার অ্যালেক্স ফারগুসন এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকরা। যদি তখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থকরা আমাকে অনুপ্রেরণা না দিত, আমার পাশে না থাকত, তাহলে আমার জন্য ওই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ত। কারণ মাঠ এবং মাঠের বাইরে তখন খুব বাজে সময় যাচ্ছিল। তখন আমি অন্য কারো কাছে নয়, বরং নিজের কাছে নিজেকে প্রমাণ করতে লড়ছিলাম।’ বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর স্যার অ্যালেক্স ফারগুসন ফোন দিয়ে বেকহ্যামকে বলেছিলেন, তিন সপ্তাহের ছুটি নিতে। বিশ্রাম থেকে ফিরে ম্যানচেস্টারে যোগ দিতে। কোচের সেই একটা ফোনই নতুনভাবে নিজেকে খুঁজে পেতে সাহায্য করেছিল বেকহ্যামকে। মজার ব্যাপার হলো সেই মৌসুমটা দুর্দান্ত কাটে রেড ডেভিলদের। মৌসুম শেষ হয় ট্রেবল জিতে। কিশোর-তরুণ সব বয়সী সমর্থকদের সঙ্গে নিজের ভালো খারাপ সময়ের সব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন বেকহ্যাম। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি জানান, যতটা সম্ভব জীবনটা উপভোগ করে নিতে। আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপ: যেভাবে ফাইনালে খেলবে আর্জেন্টিনা বেকহ্যামের ভাষ্য, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, এই সময়টায় যতটা সম্ভব পারা যায় জীবনটা উপভোগ করা। কারণ খুব তাড়াতাড়ি দিনগুলো চলে যায়। যখন আমার বয়স ১৫ বছর ছিল, আমি নিজেকে বলেছি, সময়টা উপভোগ করো।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply