Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার আরও সেনা মোতায়েন




ইউক্রেনের সেনারা জানিয়েছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলের দোনবাস এলাকার সেভেরোদোনেৎসক শহর দখলে আরো সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী শনিবার (০৪ জুন) জানিয়েছে, সেখানে সমরাস্ত্র নিয়ে রুশ সেনারা প্রবল আক্রমণ শুরু করেছে। খবর ডয়চে ভেলে। সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, যে শহর দখলে রুশ বাহিনী অভিযান শুরু করেছে তার পাশের শহর বাখমুত থেকে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলে তাদের জানিয়েছে ইউক্রেন সেনারা। শুক্রবার (০৩ জুন) লুহানস্ক প্রদেশের গভর্নর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানিয়েছেন, ইউক্রেন সেনারা রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ২০ ভাগ অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেছে। তবে রাশিয়া আরও সেনা মোতায়েন করলে এ এলাকার নিয়ন্ত্রণ তাদের ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। কিয়েভ দখলে ব্যর্থ হয়ে এখন পূর্বাঞ্চলের ডনবাস এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়াই মস্কোর প্রধান লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ দখলের চেষ্টা করছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। কিন্তু সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এদিকে মারিউপলের ক্ষমতাচ্যুত মেয়র ভ্লাদিম বোয়েচেঙ্কো অভিযোগ করেছেন, এই বন্দরনগরীতে অন্তত এক লাখ অধিবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে রাশিয়া এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যৌন সহিংসতার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইউক্রেনের পুলিশ। আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান একশো দিনে গড়ালো এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা অভিযান একশোতম দিনে গড়িয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ অভিযান শুক্রবার (৩ জুন) একশো দিন পূর্ণ হয়। এ সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের পঞ্চম অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে মস্কো। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তার দেশের ২০ শতাংশ অঞ্চল তথা পাঁচভাগের একভাগই রুশ বাহিনীর দখলে চলে গেছে। পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। যে কোনো মূহূর্তে কয়েকটি অঞ্চলের পতন হতে পারে। প্রতিদিনি সেখানে ১০০ মানুষ মারা যাচ্ছে। আহত হচ্ছেন গড়ে প্রায় পাঁচশ। রাশিয়া তাদের সর্বশক্তি দিয়ে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। পশ্চিমারা যেভাবে আমাদের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা কৃতজ্ঞ। কিন্তু রাশিয়াকে রুখতে এ সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে রাশিয়াকে রুখতে আবারও পশ্চিমাদের কাছে অস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন জেলেনস্কি। ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ দেয়া নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জোট প্রধান। সীমান্তে ইউক্রেনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ও ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ ঠেকাতে গেল ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে বিশেষ সেনা অভিযান শুরু করে রাশিয়া। সময়ের পরিক্রমায় ওই অভিযান একশো' দিন পার করলেও এতটুকু কমেনি অভিযানের মাত্রা। প্রতিদিনই হামলা-পালটা হামলা চলছে। দফায় দফায় গোলাবর্ষণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে একের পর এক এলাকা। বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। আরও পড়ুন: সেভেরোদোনেৎসকের ৭০ শতাংশ রাশিয়ার দখলে গত একশো দিনের লড়াইয়ে উভয় পক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য মতে, এ যুদ্ধ শিশুদের একটি বিধ্বংসী পরিণতির দিকে নিয়ে গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন দৃশ্য আর দেখা যায়নি। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২৪ হাজার ২০০ রুশ সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিরা যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে মোট চার দফায় মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে। এর মধ্যে তিন দফায় বেলারুশে এবং এক দফা তুরস্কে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলারুশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয়পক্ষই বিরোধপূর্ণ অঞ্চল থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য মানবিক করিডোর বাস্তবায়নের বিষয়ে সম্মত হয়। রাশিয়ার অভিযান মোকাবিলায় ইউক্রেনকে সমরাস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে পশ্চিমা বিশ্ব। নতুন করে ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। এরইমধ্যে দেশটির পার্লামেন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জার্মান চ্যান্সেলর। ইউক্রেনের প্রধান প্রসিকিউটরের অফিস বুধবার জানায়, রাশিয়ার হামলায় কমপক্ষে ২৪৩ শিশু মারা গেছে। রুশ বাহিনীর হাতে আরও ৪৪৬ শিশু আহত হয়েছে। জাতিসংঘের ধারণা, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনে কমপক্ষে চার হাজার ১৪৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও চার হাজার ৯৪৫ জন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply