Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইউক্রেনের বেসামরিক অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র




ইউক্রেনের বেসামরিক অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র

ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বেসামরিক অঞ্চলে হচ্ছে বেশি যুদ্ধ। ইউক্রেনের পূর্ব অঞ্চলের প্রতিদিনকার হামলা দিচ্ছে তার প্রমাণ। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে দেশটির সেনা স্থাপন এবং সম্ভাব্য তথ্যদাতাদের নিয়ে। দনেস্ক অঞ্চলের বেসামরিক স্থানেই পাওয়া গেছে এসব হামলার প্রমাণ। অথচ কোনো সেনা মোতায়েনই করা হয়নি সেখানে। খবর এএফপির। ক্রামাতোস্কের ৮৫ কিমি. দূরে অবস্থিত পোকরোভস্কে আগের সপ্তাহে একটি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে ডজনখানেক ঘড়বাড়ি। রুশ সেনারা দখল করতে ইচ্ছুক জায়গাটি। কস্তিআন্নিতইভকা, তোরেস্ক, ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলেও দেখা গেছে একি দৃশ্য। অপর দিকে, ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই দেশকেই বেসামরিক স্থানে সেনা মোতায়েন করে, নাগরিকদের ঝুঁকিতে ফেলায় নিন্দা প্রকাশ করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিউমেন রাইটস ওয়াচ। এই মাসের রুশ সেনাবাহিনীর চারটি এবং ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর তিনটি ঘটনার যোগসূত্র ধরে এ কথা বলা হয়। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ‘রুশ এবং ইউক্রেনীয় বাহিনী নিজেদের ঘাঁটি বেসামরিক জায়গায় স্থাপন করে ইউক্রেনীয় বেসামরিকদের অযথা ঝুঁকিতে ফেলেছে।’ দনেস্কের গভর্নর পাভলো কিরিলেনকোকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে বলেন, ‘এটা যুদ্ধ। এখানে আমাদের ঘর এবং অবকাঠামোর ধ্বংস এড়ানো অসম্ভব। শত্রুকে থামানোই আমাদের প্রধান কাজ। এ সময় বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস হতে পারে। এই যুদ্ধ অন্য কোনো উপায়ে করা সম্ভব নয়।’ ক্রামাতোরস্কের দ্বিতীয় বৃহৎ স্কুল ধ্বংস হয়ে গেছে একটি হামলায়। আরও সাতটি স্কুলেও হয়েছে হামলা। যুদ্ধের শুরুতে ত্রাণ তহবিল হিসাবে ব্যবহার করা হতো স্কুলগুলোকে। ৭০ বছর বয়সি লেদ অপারেটর ইভগেন বলেন, ‘রুশরা ইউক্রেনীয় সেনাদের খুঁজছে। আমি জানি না তারা এখানে থাকতেন কিনা। কিন্তু আমি তাদের প্রায়ই স্কুলের ভেতর যাওয়া আসা করতে দেখেছি। আর আমাদের এই এলাকায় অনেক ‘ভালো উদ্দেশ্য’ সম্পন্ন মানুষ আছেন যারা রুশ সেনাদের সাহায্য এবং তথ্য দিতে ইচ্ছুক।’ ওপর দিকে নাটালিয়ার তিনজন সন্তান এই স্কুলের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে অভিভাবকদের একটি গ্রুপের অংশ তিনি। সেখানে মানুষের কথোপকথন স্মরণ করে নাটালিয়া বলেন, ‘কারা রাশিয়ার পক্ষে এবং কারা বিপক্ষে সেটা ভালো করেই বোঝা যায়।’ এখন যতবার রুশ হামলা হয় তথ্যদাতাদের কথা সবার আগে মাথায় আসে এসব অঞ্চলে বসবাসরত নাগরিকদের। এমন একজন সাগরিক কিরিলেনকো। তিনি বলেন, ‘আমি ভাবি প্রত্যেকবার কিভাবে তারা আমাদের সেনাদের অবস্থান খুঁজে পায়? অনেক মানুষই রুশ দখলদারিদের জন্য অপেক্ষা করছেন অধীরভাবে। তারা জানেন এটা দেশদ্রোহিতা। পরে আফসোস করবেন তারা।’ এই কারণে, যুদ্ধক্ষেত্রের বদলে এখন নাগরিকদের আবাসস্থলেই বেশি দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনাদের। এদিকে, যুদ্ধের জন্য ভাড়াটে সৈন্য ব্যবহার করছে রাশিয়া। যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করার জন্য ওয়্যাগনার গ্রুপের ভাড়াটে সেনাদের প্রতি নির্ভরশীল হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ছয় মাসের দ্বারপ্রান্তে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত। ইতোমধ্যেই রুশ সেনাদের ওপর সৃষ্ট চাপের প্রতিছবি হিসাবে দেখা হচ্ছে এটি। এর আগে কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে ভাড়াটে সৈন্য ব্যবহার করেনি রাশিয়া। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ইনটেলিজেন্স প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে ঘটনাটি। এই বিষয়ে, এখন পর্যন্ত ক্রেমলিন এবং ওয়্যাগনারের থেকে কোনো বিবৃতি সংগ্রহ করা যায়নি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply