Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » প্রধানমন্ত্রী হলে চীনকে শায়েস্তা করবেন ঋষি সুনাক




প্রধানমন্ত্রী হলে চীনকে শায়েস্তা করবেন ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে চীনের প্রতি কঠোর হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীপ্রার্থী ঋষি সুনাক। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য চীন এক নম্বর শত্রু। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অধীন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছে

ন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। প্রতিদ্বন্দ্বী লিজ ট্রাসের সঙ্গে স্থানীয় সময় সোমবার (২৫ জুলাই) টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে তার। খবর আল জাজিরার। চলতি বছরেই প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়বেন বরিস জনসন। ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দলের সদস্যদের মধ্যে জনমত জরিপে এগিয়ে আছেন লিস ট্রাস। কিন্তু সুনাকের প্রত্যাশা, নির্বাচনের আগের প্রচার ও বিতর্কের কারণে তিনি লিজ ট্রাসের থেকে এগিয়ে থাকবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণার কথা রয়েছে। এরআগে বেইজিং ও মস্কোর প্রতি ঋষি সুনাকের দুর্বলতা আছে বলে অভিযোগ করেছেন লিজ ট্রাস। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস বলছে, ঋষি সুনাক হচ্ছেন একমাত্র প্রার্থী, ব্রিটিশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে যার পরিষ্কার ও বাস্তবিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এরপর ব্রিটেনে ৩০টি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছেন ঋষি সুনাক। সাংস্কৃতিক ও ভাষা কর্মসূচির মাধ্যমে চীন যাতে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই তিনি এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ চাচ্ছেন। আরও পড়ুন: চীন-রাশিয়া সম্পর্ক কী টিকবে? এছাড়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদেশি তহবিলের তথ্য প্রকাশে বাধ্য করে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে বের করে দেয়ারও অঙ্গীকার করেন তিনি। চীনা গুপ্তচরবৃত্তি প্রতিরোধে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৫-কে ব্যবহারের কথাও বলেন ঋষি সুনাক। মহাকাশে চীনা হুমকি মোকাবিলায় ন্যাটোর মতো আন্তর্জাতিক সহযোগিতারও প্রস্তাব দেন তিনি। কৌশলগত স্পর্শকাতর প্রযুক্তি কোম্পানিসহ ব্রিটিশ সম্পদ যাতে চীন অধিগ্রহণ করতে না পারে, তা নিষিদ্ধেরও আভাস দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, চীন আমাদের প্রযুক্তিগুলো দখল করে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা অনুপ্রবেশ করছে। আর রুশ তেল কেনার মাধ্যমে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সহায়তা করছে। এছাড়া প্রতিবেশী তাইওয়ানকেও নানাভাবে বিরক্ত করছে চীনা সামরিক বাহিনী। এ সময়ে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভেরও সমালোচনা করেন তিনি। ঋষি সুনাকের অভিযোগ, ‘জিনজিয়াং ও হংকংসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের নাগরিকদের নির্যাতন, আটকসহ মতাদর্শিক মগজধোলাই করছে চীন। যথেষ্ট হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটেনের রাজনীতিবিদ ও পশ্চিমারা তাদের জন্য লাল গালিচা বিছিয়েছে। চীনের ক্ষতিকর কার্যক্রম ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে তারা চোখ বন্ধ রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী হয়ে আমি একদিনেই সবকিছু বদলে দেব।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply