Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মেহেরপুরে কৃতিসন্তান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, লেখক ও কবি — পরিচিতি




মেহেরপুরে কৃতিসন্তান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, লেখক ও কবি

তারিক-উল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম বার্তা সম্পাদক,দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: মেহেরপুর জেলার সুযোগ্য সন্তান দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ।মেহেরপুরের বড়বজার সরকারী বালিকা বিদ্যালয় পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা।তাঁর জন্মস্থান দক্ষিণ শালিকা, মেহেরপুর সদর। কবি ও সাংবাদিক তারিক-উল ইসলাম— তারিক-উল ইসলাম বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাংবাদিক। ঢাকায় মেহেরপুর শহরের বড়বাজারের গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুল রোডে (শহীদ আবুবকর সড়ক) তার বাড়ি এবং স্থায়ী ঠিকানা। তিনি সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে তিন যুগ ধরে সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করলেও মেহেরপুরের সঙ্গে রয়েছে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে— সে এক দ্বিধা (২০১৫), আয় চেনা পথ রথ আমার (২০১৫) ও কী কহ পাখি (২০১৮)। তারিক-উল ইসলামের জন্ম ১৭ জানুয়ারি ১৯৬১, মেহেরপুরের দক্ষিণ শালিকা গ্রামে। তার শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের বড় অংশই অতিবাহিত হয়েছে মেহেরপুর শহরে। তার কবিতা লেখা শুরু তরুণ বয়স থেকেই। তার সম্পাদিত লিটল ম্যাগাজিনগুলো হচ্ছে- রক্ত পলাশ, সেই দিন সেই সূর্য, উন্মোচন, মাদল, অবরুদ্ধ সময় ও শব্দায়ন। মাদল ১৯৭৯ সালে মেহেরপুর থেকে প্রকাশিত হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার প্রতিষ্ঠিত কবি-কবিতার সংগঠন ও লিটল ম্যাগাজিন শব্দায়নের কবি হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত। তিনি শব্দায়নের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক। তারিক-উল ইসলাম আজীবন কবিতা ও সাংবাদিকতায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁর কবিতার প্রধান উপজীব্য বিষয় প্রেম ও দ্রোহ। তারিক-উল ইসলামের পিতা ভাষাসৈনিক আমানুল ইসলাম, মাতা সামসুন নাহার। তারিক-উল ইসলাম মেহেরপুর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে ১৯৭৬ সালে এসএসসি এবং পরে যশোরের এমইউ কলেজ থেকে এইচএসসি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় সম্মানসহ এমএ পাশ করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি শব্দায়নসহ বহু লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। এছাড়াও ছাত্রাবস্থায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি সেখান থেকে অবরুদ্ধ সময় নামে ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। ১৯৮২-৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহীর দৈনিক বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ঢাকায় এসে মাসিক এ দেশ একাল-এর সহকারী সম্পাদক হন। ১৯৮৭ সালে দৈনিক খবরের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন পত্রিকায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে দৈনিক রূপালীর সিনিয়র রিপোর্টার হন। ১৯৯৩ সালে সাপ্তাহিক দিবানিশি এবং পাক্ষিক কিংবদন্তীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন। ১৯৯৭ সালে দৈনিক বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার হন। দৈনিক বাংলা বন্ধ হয়ে গেলে ১৯৯৭ সালে দৈনিক প্রভাতের নির্বাহী সম্পাদক হন। ২০০২ সালে সাপ্তাহিক রোববারের নির্বাহী সম্পাদক হন। ২০০৪ সালে দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র-সাব এডিটর হন। ২০১১ সালে দৈনিক সকালের খবরের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের নির্বাহী সম্পাদক। কবি, লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব তারিক-উল ইসলাম জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য। এছাড়া তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাব এডিটর্স কাউন্সিলের সদস্য। তিনি মেহেরপুরের ইতিহাস ও মেহেরপুরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করছেন। এ বিষয়ে তার বই প্রকাশিত হলে তা হবে নতুন সংযোজন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply