Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » মেহেরপুরে কোরবানীর শেষ হাটে গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ক্রেতা হতাশ




কোরবানীর আর মাত্র ১ দিন বাকী তাই শেষ মুহুর্তে ক্রেতারা ভিড় করছে মেহেরপুরের হাটগুলোতে। গত তিনবারের পশুর হাট গুলোর থেকে শেষ দিনে আরো জমে উঠেছে মেহেরপুর জেলার গরুর হাটগুলো। তবে গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের হতাশ হয়ে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে। কোরবানি নিকটে তাই ক্রেতা বিক্রেতা সকলেই ছুটছে পশুর হাটে। মেহেরপুরে প্রচুর গরু থাকলেও বেশী দামের আশায় অধিকাংশ গরু চলে যাচ্ছে বড় বড় জেলার হাটগুলোতে। ফলে এবার স্থানীয় হাটে গরুর দাম একটু চড়া বলে জানান বেপারীরা। গতকাল শুক্রবার মেহেরপুরের পশুহাট ঘুরে দেখা যায়, বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা রয়েছে গরু। অনেকেই এসেছেন বিক্রি এবং ক্রয় করতে। আবার কেউ কেউ এসেছেন কোরবানীর পশু দেখতে। অনেকেই ফিরে যাচ্ছে গরুর দাম সাধ্যের থেকে বেশি হওয়ায়। এবিষয়ে মেহেরপুর সদর উপজেলা কুলবাড়িয়া গ্রামের গরু ক্রেতা জুয়াদ হোসেন বলেন, এই হাটে তেমন একটা ভালো গরু আমার চোখে পড়েনি। তাছাড়াও গরুর দাম আগের থেকে তুলনামূলক অনেক বেশি। সাইজ অনুযায়ী গরুর দাম প্রায় ডবল চাচ্ছে বেপারিরা। মেহেরপুর সদর উপজেলা বুড়িপোতা গ্রাম থেকে গরু কিনতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, গরুর দাম অনেক বেশি। মধ্যবিত্তদের কুরবানী দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য। তাও মনের মতো গরু না পাইলেও একটি কেনা হয়েছে। দাম পড়ছে ৭৫ হাজার টাকা। তবে ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা। এবিষয়ে দিঘির পাড়ার গরু ব্যবসায়ী মোঃ সরিফুল বলেন, এবারকার হাটে গরু ক্রেতার অভাব নেই। মানুষ প্রচুর গরু কিনছে এইবার। এর আগের দিন গুলোতেও ভালো ব্যবসা করেছি। আজকে ২ টা গরু এনেছি এখনো বিক্রি করতে পারি নি। বেশির ভাগ মানুষ এড়ে গরু কিনছে আমি বকন এনেছি তাই ক্রেতা আসছে না। মেহেরপুর সদর উপজেলা রায়পুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আশরাফ শেখ বলেন, আজকে হাটে ২১ টা গরু বিক্রির জন্য এনেছি এখন আর ১০ টা গরু বিক্রির জন্য রয়েছে। এর আগের হাটগুলোর থেকে আজ ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি। প্রতিটি গরু বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও আমি দেশের বিভিন্ন জেলার হাটে গরু পাঠিয়েছি। সদর উপজেলা শালিকা গ্রামের গরু বেপারী মিয়ারুল ইসলাম বলেন, গরু ৬ টা আনা হয়েছিলো ২ টা বেচতে পেরেছি। কোরবানী ঈদের শেষ হাটে বেচাকেনা অনেক ভালো যাচ্ছে। ক্রেতার অভাব নেই। এর আগের হাটগুলোও ভালো গেছে আজকেও ভালো যাচ্ছে। গরু কেনা পড়েছিলো ৩০ থেকে ৪০ হাজার এখন বিক্রি করছি ৮০ থেকে ৯০ হাজারের মধ্যে। দারিয়াপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী মহিব পাল জানান, বাজারে প্রচুর গরু হয়েছে সেই অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্রেতাও আছে। আমি ১১ টা গরু এনে ৮ টি বিক্রি করে ফেলেছি। আজ বেশির ভাগ ক্রেতা আসছে কসাই।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply