Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিলে শুরু হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঙ্কার পুতিনের!




সম্প্রতি ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে নিজেদের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেন যদি মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেয় তাহলে ইউক্রেন সঙ্গে সংঘাত অবশ্যই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা এমনটাই জানালেন। এর আগে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন থেকে ১৮ শতাংশ দখলের ঘোষণা কথা জানান। তারপরই রাশিয়া এই দাবি তুলে ধরে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা তাস নিউজে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি আলেকজান্ডার ভেনেদিকোটোভ বলেছেন, ইউক্রেন ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত হলে তার ফল হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এই ন্য়াটো সমস্যাকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় সংঘাতের সূত্রপাত হয় রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করা নিয়েই রাশিয়ার যাবতীয় রোষ ছিল। এদিকে, যা পরিস্থিতি তাতে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ পাওয়া কঠিন। কারণ তাতে ৩০ জন সদস্যের অনুমতি প্রয়োজন। আলেকজান্ডার ভেনেদিকোটোভ মূলত রাশিয়ার সরকারি প্রতিনিধি নিকোলাই পাত্রুশেভের ডেপুটি। আর নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব নিকোলাই পাত্রুশেভ পুতিনের শক্তিশালী মিত্র। ভেনেডিকোটোভ বলেন, তিনি মনে করেন ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পরিণতি পশ্চিম বুঝতে পেরেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ যে আত্মঘাতী তা ন্যাটোর সদস্যদের বোঝা প্রয়োজন। পুতিন বারবার ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেন এবং জর্জিয়ার মতো প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের জন্য তার বেশি আপত্তি। কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরাধিকারী রাশিয়া এই দুটি দেশকে নিজস্ব প্রভাব বলয়ের অংশ মনে করে থাকে। গত মাসে পুতিন পশ্চিমি শক্তিকে সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত। এর আগেও ইউক্রেনে হামলা নিয়ে পুতিন বেশ কয়েকবার পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন,১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট থেকেই শেষ পারমানবিক যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব। সে কারণেই আগামী সপ্তাহে ‘স্টেডফাস্ট নুন’ নামে বার্ষিক পরমাণু প্রস্তুতি মহড়া চালাবে ন্যাটো। প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি। তারা বিশ্বের প্রায় ৯০% পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ন্ত্রণ করে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply