Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শান্তি পরিকল্পনা টুইটের আগে পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন ইলন মাস্ক!




বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, টেসলার সিইও ইলন মাস্ক গত সপ্তাহে তার 'শান্তি পরিকল্পনা' টুইট করার আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলেছেন। খবর ইন্ডিপেন্ডেন্ট। মাস্ক এবং পুতিনের মধ্যে কথিত কথোপকথনটির প্রতিবেদন করেছিলেন ইয়ান ব্রেমার নামে একজন। তিনি ইউরেশিয়া গ্রুপ গ্রাহকদের কাছে পাঠানো একটি ইমেইলে এটি রিপোর্ট করেছিলেন। ব্রেমার এ বিষয়ে বলেন, তিনি দুই সপ্তাহ আগে মাস্কের সাথে দেখা করেছিলেন। সেখানে টেসলার প্রধান নির্বাহী তাকে বলেছিলেন, পুতিন তার লক্ষ্যগুলো যেমন করে হোক পূরণ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। পুতিন মাস্ককে আরও বলেছিলেন, তিনি আলোচনার জন্য প্রস্তুত যদি ইউক্রেন স্বীকার করে ক্রিমিয়া রাশিয়ার অংশ এবং গণভোটের মাধ্যমে সংযুক্ত খেরসন, দানেস্ক, লুহানস্ক ও জাপোরিঝিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। মাস্ক অবশ্য গণমাধ্যমের খবর অস্বীকার করে বলেছেন, ১৮ মাস আগে পুতিনের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। তিনি বলেন, "না, এটা নয়। আমি পুতিনের সাথে মাত্র একবার কথা বলেছি এবং এটি প্রায় ১৮ মাস আগে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক যে শান্তি প্রস্তাব দিয়েছেন, তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইলনের প্রস্তাবটি বিবেচনা করার জন্য ইউক্রেনীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন: ইলন মাস্কের শান্তি প্রস্তাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জেলেনস্কির এ বিষয়ে টুইটারে একটি জনমত জরিপও চালাচ্ছেন জেলেনস্কি। সোমবার (৩ অক্টোবর) এক টুইটার পোস্টে নিজের অনুসারীদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন: কোন ইলনকে তারা বেশি পছন্দ করেন, যিনি ইউক্রেনের পক্ষে নাকি যিনি রাশিয়ার পক্ষে। তবে জরিপে বেশির ভাগ উত্তরদাতাই ইলনের প্রথম অবস্থানের সমর্থন করছেন। গত সপ্তাহে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অবসানে এক অভিনব পরিকল্পনার কথা জানান মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। এক টুইটবার্তায় ইলন বলেন, ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রাশিয়া দখল করেছে, সেসব অঞ্চলে আবারও গণভোট আয়োজন করা হোক। ‘যেহেতু পশ্চিমারা রাশিয়ার অধীন অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফল মানছে না, তাই এবার সেটি করা হবে জাতিসংঘের অধীন। এতে ওই এলাকার মানুষই স্বাধীনভাবে বেছে নিতে পারবে যে তারা রাশিয়ার সঙ্গে যাবে না ইউক্রেনের সঙ্গে। ভোটে হারলে রাশিয়া তার সেনা সরিয়ে নেবে।’ আরও পড়ুন: চরম প্রতিশোধ নিচ্ছে রাশিয়া, ইউক্রেন যুদ্ধ কোন দিকে? ইলনের এ প্রস্তাব নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিতর্কে উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি থেকে শুরু করে সেই বিতর্কে অংশ নিয়েছে দেশটির পার্লামেন্টও। জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোডোলিয়াক বলেন, শান্তি শুধু তখনই সম্ভব, যখন রাশিয়া ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের সব অঞ্চল ফিরিয়ে দেবে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করা হবে, তার সব পরমাণু বোমা ধ্বংস করা হবে এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে রাশিয়ার বিচার হবে। জার্মানিতে নিযুক্ত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতও ইলন মাস্কের প্রস্তাবের সমালোচনা করেন। তবে এসব খুব একটা গায়ে মাখছেন না ইলন। সমালোচনার জবাব দিয়ে পাল্টা এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার মতামত কার পছন্দ হলো না-হলো তা নিয়ে ভাবছি না। আমার এই পরিকল্পনা লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারে। দোনবাস ও ক্রিমিয়ার মানুষেরই উচিত ঠিক করা তারা কার সঙ্গে থাকবে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply