Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়ে চরম বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয় কর্মী




যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়ে চরম বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয় কর্মী যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানোর পর চরম বিপাকে প্রযুক্তি খাতের হাজার হাজার ভারতীয় কর্মী। গুগল, মাইক্রোসফট ও আমাজনের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে ছাঁটাই করা হয় তাদের। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন কর্মসংস্থান পেতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে এসব ভিসাধারী প্রযুক্তি প্রকৌশলীকে।

বিশ্বব্যাপী একের পর এক কর্মী ছাঁটাই করে চলেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন পোস্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নভেম্বর পর্যন্ত অন্তত দুই লাখ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এর মধ্যে গুগল, মাইক্রোসফট, ফেসবুক ও অ্যামাজনের মতো টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে রেকর্ডসংখ্যক প্রযুক্তি প্রকৌশলী চাকরি হারিয়েছেন। ছাঁটাইকৃতদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই ভারতীয় কর্মী। যাদের অধিকাংশই কর্মী ভিসাধারী। যুক্তরাষ্ট্রে অ-অভিবাসী হিসেবে বাস করছেন।কর্মসংস্থান হারানোর পর এই বিপুলসংখ্যক ভারতীয় আইটি প্রকৌশলীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। কাজের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন কর্মক্ষেত্রের সন্ধানে রীতিমতো লড়াই-সংগ্রাম করছেন। নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মসংস্থান না পেলে ফিরে যেতে হবে নিজ দেশে। এতে চরম দুশ্চিন্তায় তারা। আরও পড়ুন: মাস্কের মালিকানায় চাকরি হারালেন ৮০ শতাংশ টুইটার কর্মী এই প্রযুক্তি প্রকৌশলীদের সহায়তায় এরই মধ্যে গ্লোবাল ইন্ডিয়ান টেকনোলজি প্রফেশনালস এবং ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়ান ডায়াসপোরা স্টাডিজ যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। কর্মসংস্থান হারানো ভারতীয় কর্মীদের চাকরিসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যদাতাদের সঙ্গে যুক্ত করে তাদের সাহায্যের চেষ্টা করছে সংস্থাগুলো। এই কঠিন অবস্থায় চাকরিচ্যুত ভারতীয় আইটি কর্মীরা তাদের পরিস্থিতির সমাধানের উপায় খুঁজতে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলছে।হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলির এক একটিতে, ৮০০ জনেরও বেশি বেকার আছেন যারা দেশ বিদেশের বিভিন্ন শূন্য পদের বিজ্ঞপ্তি নিজেদের মধ্যে প্রচার করছেন। এ ছাড়াও তারা বিভিন্ন ভিসার বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছে কিছু অভিবাসন প্রতিনিধিদের সাথে যারা এই সময়ে তাদের স্বেচ্ছায় পরামর্শ বা সেবা প্রদান করছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply