sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় করোনা আক্রান্ত মানুষজনের পাশে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত !

গত কয়েকদিন ধরে নিজের ছবি বা কাজের কোনও প্রচার করেননি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। শুধুমাত্র
। কারওর অক্সিজেন দরকার। কারওর দরকার হাসপাতালে একখানা বেড। আবার কেউ ওষুধের জন্য সারা শহর হন্যে হয়ে ঘুরছেন। যখন যা খবর পেয়েছেন, মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছেন পরিচালক। শুধু সৃজিত একা নন, এই তালিকায় রয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মতো নামজাদা সেলিব্রিটি। তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে মানুষের নজর বেশি থাকে। কাজেই তাঁরা একটি পোস্ট করলে যে অনেক মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে যাবে, সে কথা বলাই বাহুল্য। কিন্তু অনেকের অভিযোগ, করোনা সংক্রান্ত পোস্ট করলে প্রোফাইলের ‘রিচ’ কমে যাচ্ছে। অর্থাৎ, একজন সেলিব্রিটির সোশ্যাল হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি ‘সাধারণ’ খবর যত সংখ্যক নেট নাগরিকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে আশ্চর্যজনকভাবে করোনা সংক্রান্ত পোস্টের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না! কিন্তু সত্যিই কি এসব করার দায়িত্ব সেলিব্রিটিদের? আক্রান্ত মানুষের জন্য তো সরকারের এগিয়ে আসা দরকার। এমন বক্তব্যই শোনা গেল সৃজিতের পোস্টে। তিনি শনিবার একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘অক্সিজেন খোঁজা আমাদের কাজ নয়। হাসপাতালে বিছানার ব্যবস্থা করা আমাদের কাজ নয়। ওষুধের জন্য হাত পাতা আমাদের কাজ নয়। কর প্রদান করাই আমাদের কাজ। আর এই কাজগুলো আপনাদের। কিন্তু আপনারা এটা করছেন না। ভারত এসব ভুলবে না।— একজন ক্লান্ত ভারতীয়।’ বোঝাই যাচ্ছে, এখানে ‘আপনি’ সম্বোধন করে দেশের সরকারকেই নিশানা করেছেন তিনি। তবে সৃজিত দমে যাননি। তিনি এর পরেও করোনা আক্রান্তদের সাহায্যার্থে পোস্ট করে চলেছেন। সৃজিত ছাড়াও সঙ্গীতশিল্পী সাহানা বাজপেয়িকেও এই একই পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে।

টলিউডের কলাকুশলীদের করোনা পরীক্ষা শুরু, দেওয়া হবে টিকাও

বিনোদন হলি বলি টলি
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতিমারীর (Corona Virus) দ্বিতীয় পর্বে একাধিক টলিউড তারকা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বাদ যাননি টেলিভিশনের চেনা মুখেরাও। সিনেমা কিংবা সিরিয়ালের কলাকুশলীদের অনেকেও কোভিডের (COVID-19) ছোবলে কাবু। এমন পরিস্থিতিতে টলিপাড়ায় সোমবার থেকে শুরু হল করোনা পরীক্ষা। ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্সের তত্ত্বাবধানে ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে শুরু হয়েছে এই ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট (Rapid Antigen Test)। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কলাকুশলীদের এই পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এদিন মোট ১১১ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর। ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas) জানান, টানা ১৮ দিন ধরে চলবে এই করোনা পরীক্ষা। তারপর সকলকে টিকা (Corona Vaccine) দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হবে। আগামী ১৭ দিনে অন্তত ২৫০০ জনের কোভিড টেস্ট করা হবে বলে জানান স্বরূপ বিশ্বাস। তিনি জানান, আর্টিস্ট ফোরাম এখন ফেডারেশনের অংশ নয়। কিন্তু কোনও অভিনেতা-অভিনেত্রী করোনা পরীক্ষার এই পরিষেবা নেওয়ার জন্য আবেদন করলে তাঁর নাম অবশ্যই নথিভূক্ত করা হবে। গোটা পরীক্ষার বিষয়টি দাঁড়িয়ে থেকে তদারকি করছেন ফে়ডারেশনের সম্পাদক অপর্ণা ঘটক। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন জিৎ, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, ঋদ্ধিমা ঘোষ, ঐন্দ্রিলা সেন, চৈতি ঘোষাল। দিতিপ্রিয়া রায়, শ্রুতি দাস, রণিতা দাসের মতো টেলিভিশনের তারকারাও কোভিডের সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি। এমন পরিস্থিতিতে ৩ মে স্টুডিওপাড়ার কোভিড বিধি আরও কড়া করার কথা জানিয়েছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস। তখনই তিনি ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট এবং টিকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই কাজই সোমবার থেকে শুরু হয়ে গেল। কেউ পজিটিভ হলে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার কথাও বলেছিলেন ফেডারেশন সভাপতি। শুটিং বন্ধ করার পক্ষে তিনি ছিলেন না। কারণ ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ব্যবস্থাপনায় যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন, তাঁরা আবার শুটিং বন্ধ হলে বিপদে পড়বেন বলে মনে করেন তিনি।

মোদীকে ট্যাগ না করে সোনু সুদকে ট্যাগ করলে বেঁচে যেত রাহুল'

সোনু সুদকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর থেকে বেশি কার্যকর হিসাবে বললেন অভিনেতা কিশ্বর মার্চেন্ট। নিজস্ব প্রতিবেদন- 'ভুল করেছ বন্ধু! মোদী নয়, সাহায্য চাওয়া উচিৎ ছিল সোনু সুদের কাছে। তাহলে হয়ত তোমার প্রাণটা বেঁচে যেত'। টুইটারে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিনেতা কিশ্বর মার্চেন্ট। শনিবার ইউটিউবার রাহুল ভোরার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে লাগাতার তিনি চিকিৎসার অব্যবস্থা নিয়ে তাঁর টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইট করতে থাকেন। প্রথমে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে। সেখানে তিনি কাতর কণ্ঠে সাহায্য চান। পরে আরেকটি টুইটে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে উদ্দেশ্য করে আরও একটি টুইট করেন রাহুল। তাতে দিল্লির হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এরপর মৃত্যু হয় তরুণ ওই অভিনেতা ও ইউটিউবারের। এই ঘটনার রেশ চলছে দেশজুড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভে আছড়ে পড়ছেন অনেকেই। বিক্ষোভের আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে ল্যানসেট পত্রিকার নতুন রিপোর্ট, যাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেই দায়ী করা হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারার জন্য। এবার একধাপ এগিয়ে সোনু সুদকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর থেকে বেশি কার্যকর হিসাবে বললেন অভিনেতা কিশ্বর মার্চেন্ট। আরও পড়ুন: করোনা ত্রাণে অমিতাভের ২ কোটি, ভারতের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন বিশ্বের কাছে এদিকে গত বছরের মতই এবারও অতিমারি মোকাবিলায় ঝাঁপ দিয়ে পড়েছেন অভিনেতা সোনু সুদ। নিজেও করোনায় ভুগেছেন। সুস্থ হয়ে ওঠামাত্র দেশের পাশে 'সোনু ভাইয়া'।

স্বরাষ্ট্র, তথ্য-সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন-সহ ৬ দফতর হাতে রাখলেন মমতা

তৃতীয় বারের জন্য সরকার গড়ে নিজের হাতেই একাধিক দফতর রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নব নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভা রাজভবনে শপথ নেয়। সেখান থেকে সোজা নবান্নে চলে আসেন মমতা। তারপরেই ঘোষণা করে দেওয়া হয় মন্ত্রিসভার বিভিন্ন দফতরের দায়িত্ব। মমতার হাতে নতুন সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক থাকছে। শেষ দুই বারের মতো এ বারেও তিনি নিজের হাতে রেখেছেন স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। এ ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে থাকছে, প্রশাসন ও কর্মিবর্গ দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর ও উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন দফতর। এ ছাড়াও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর এ বার থাকছে মমতার হাতে। গত মন্ত্রিসভায় এই মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সেই দফতর নিজের হাতে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

করোনা ত্রাণে অমিতাভের ২ কোটি, ভারতের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন বিশ্বের কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদন- করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এলেন বিগ-বি। কোভিড মোকাবিলার প্রথম ধাপ হিসাবে মুঠোফোনে করোনা বিধি সতর্কতা শোনা যেত তাঁর ব্যরিটোন কণ্ঠ।। পরে অবশ্য তা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলাও হয়। এরপর এই অতিমারি রুখতে সরাসরি এগিয়ে এলেন অমিতাভ বচ্চন। দিল্লির ‘শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর কোভিড কেয়ার সেন্টার’-এ দু কোটি টাকা দান করলেন । সোশ্যাল মিডিয়ায় এখবর জানিয়েছেন রাজধানীর শিখ গুরুদ্বারা ব্যবস্থাপক সমিতির সভাপতি মনজিন্দর সিং সিরসা। অমিতাভ অক্সিজেন সিলিন্ডারেরও ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন সিরসা। মনজিন্দার আগেই জানিয়েছিলেন, সোমবার থেকে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি সেন্টার চালু হতে চলেছে। এখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনা রোগীর চিকিৎসা হবে। ঠিক এই সময়ে অমিতাভের ২ কোটি টাকা দানে কৃতজ্ঞ অকালি দলের জাতীয় মুখপাত্র। মনজিন্দর তাঁর টুইটে আরও জানিয়েছেন, বিগ বি শিখদের এই অবদানে খুবই গর্বিত। অমিতাভ বলেছেন, ‘শিখেরা কিংবদন্তি। তাঁদের এই সেবামূলক কাজকে কুর্নিশ জানাই।’ দিল্লির এই ৩০০ বেডের সেন্টারে অক্সিজেন কনসেনট্রেটার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ,অ্যাম্বুলেন্স সহ সবরকমের সুযোগ সুবিধা থাকবে।

নিউজিল্যান্ডের সুপারমার্কেটে ছুরি হামলা, তিন নারীসহ আহত ৪

নিউজিল্যান্ডের সুপারমার্কেটে ছুরি হামলা, তিন নারীসহ আহত ৪
নিউজিল্যান্ডের একটি সুপারমার্কেটে ছুরি হামলায় তিন নারীসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ মে) দুপুরে দেশটির সেন্ট্রাল ডানিডিন শহরের কাউন্টডাউন সুপার মার্কেটে এ হামলার ঘটনার ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক হলেও তার বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। হামলার বিস্তারিত জানতে তদন্তের পাশাপাশি আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাদের কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিউজিল্যান্ড পুলিশের কমান্ডার পল ব্যাশহাম বলেন, ‘দুপুর আড়াইটার ঠিক আগ মুহূর্তে আমরা জরুরি নম্বর থেকে একটা কল পাই। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করি। থানার পাশেই এ ধরনের একটা হামলা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ফোন পাওয়ার পর এক মিনিটের মধ্যে পুলিশ সদস্যরা সুপারমার্কেটে চলে আসে। দেরি হলে হয়তো বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারতো। ' এ ঘটনায় উদ্বেগ জানি প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডান বলেছেন, হামলার বিষয়টি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী হামলার মতো কোনো সংশ্লিটতা পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। জাসিন্ডা আর্ডান বলেন, ‘হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমরা যে তথ্য পেয়েছি তা খুবই সামান্য। এর সঙ্গে সন্ত্রাসী হামলার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে মনে করছি। আমাদের পুলিশ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে খুব সতর্কতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’ ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে জুমার নামাজ চলাকালে শ্বেতাঙ্গ উগ্রবাদীর হামলায় প্রাণ হারান অর্ধশত মানুষ। ভয়াবহ ওই হামলার পর প্রথম এ ধরনের ছুরি হামলার ঘটনা ঘটল

রহস্যময় স্থান ‘রকেটের কবরস্থান’

রহস্যময় স্থান ‘রকেটের কবরস্থান’
চীনের লং মার্চ-৫বি ওয়াই২ রকেটটির ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ফিরে এসেছে। রোববার (৯ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রকেটটির ধ্বংসাবশেষ মালদ্বীপের ওপর দিয়ে ভারত মহাসাগরের আরব সাগর অংশে আছড়ে পড়ে। তবে পৃথিবীতে কোনো মহাকাশ যান বিস্ফোরণের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এ ছাড়া মহাকাশ যানের বিস্ফোরণ ঘটানো হয় নিয়ন্ত্রিতভাবে। এসবের ধ্বংসবাশেষ ফেলার জন্য প্রশান্ত মহাসাগরে নির্দিষ্ট জায়গাও আছে। যার নাম ‘রকেটের কবরস্থান’। যেখানে আছে প্রায় ২৬০টি রকেটের ধ্বংসবাশেষ। রকেট মহাশূন্যে পাঠানো যেমন জটিল, তেমনই এর প্রত্যাবর্তনটাও জটিল। প্রচণ্ড গতি নিয়ে যখন এটি ফিরে আসে তখন ঘর্ষণে এটি বিস্ফোরিত হয়ে যায়। ফলে ছোট রকেটগুলোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও বড়গুলো বিস্ফোরণের পর ছড়িয়ে পরে পৃথিবীতে। এগুলো যাতে মানুষের ক্ষতি না করে তাই নিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করান বিজ্ঞানীরা। এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য থাকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি এলাকা। পয়েন্ট নিমো নামের সাগর তলের সেই স্থানে ১৯৭১ সাল থেকে চলছে এই চর্চা। শায়িত আছে প্রায় ২৬০টির মত রকেটের ধ্বংসাবশেষ। নিমো শব্দের অর্থ ‘কেউ নেই’। নিমো নামক সেই স্থানটি পৃথিবীর ভূমি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। এর আড়াই হাজার কিলোমিটার এলাকার মধ্যেই নেই কোনো ভূখণ্ড। তাই এখানে রকেটগুলো পড়লেও কোনো সমস্যা হয় না। রকেট সায়েন্স শিক্ষার্থী শাহ জালাল জোনাক বলেন, রকেট বানানোর আগেই সিদ্ধান্ত হয়ে যায়- এটি পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে কি আসবে না। সেভাবেই পরিকল্পনা আগায়। তবে সবসময় পরিকল্পিতভাবে সব কিছু হয় না। গত ৬ দশকে প্রায় ৫২টি রকেট প্রত্যাবর্তন করেছে অনিয়ন্ত্রিতভাবে। যার মধ্যে রোববার আছড়ে পড়েছিল চীনা রকেটটিও। গত বছরও চীনের আরেকটি রকেট পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছিল। তাই চীনের দায়িত্বশীলতা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে।