Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

পাখিরা কেন বৈদ্যুতিক তারে বসতে পছন্দ করে, কেন তারা শক খায় না

পাখিরা কেন বৈদ্যুতিক তারে বসতে পছন্দ করে, কেন তারা শক খায় না

সিট বেল্টের এই ছোট্ট বোতামের রহস্য জানেন তো?

সিট বেল্টের এই ছোট্ট বোতামের রহস্য জানেন তো?

বয়স বাড়লে খাবার আগের মতো মজা লাগে না কেন

বয়স বাড়লে খাবার আগের মতো মজা লাগে না কেন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাবারের স্বাদে অনীহা বা পরিবর্তন আসার পেছনে মূলত কিছু শারীরবৃত্তীয় কারণ কাজ করে। এই উৎস অনুসারে, জন্মের সময় থাকা হাজার হাজার টেস্ট বাড বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে কমতে থাকে এবং এগুলোর কার্যকারিতা ধীরে ধীরে ভোতা হয়ে যায়। কেবল জিভ নয়, ঘ্রাণশক্তি হ্রাস পাওয়া এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও খাবারের স্বাদ উপলব্ধিতে বড় প্রভাব ফেলে। স্বাদ কমে যাওয়ায় অনেক বয়স্ক মানুষ অতিরিক্ত লবণ বা চিনি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে পর্যাপ্ত পানি পান, ধূমপান বর্জন এবং খাবারে প্রাকৃতিক মসলার ব্যবহার এই সমস্যা মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। পরিশেষে, খাবারের বিস্বাদ হওয়ার পেছনে বার্ধক্যের পাশাপাশি স্মৃতি ও নস্টালজিয়ার মতো মানসিক প্রভাবও জড়িত থাকে।

মানুষ কতটা গরম সহ্য করতে পারে

মানুষ কতটা গরম সহ্য করতে পারে এই প্রতিবেদনটি মূলত মানুষের তাপ সহ্য করার ক্ষমতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে করা সাম্প্রতিক কিছু গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেছে। অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, মানুষের শরীর আগে যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়েও কম তাপমাত্রায় (২৬-৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস 'ওয়েট বাল্ব' তাপমাত্রা) ভারসাম্য হারাতে শুরু করে। এই চরম অবস্থায় শরীর আর নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারে না, যা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, ২০৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অনেক অংশ বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো আর্দ্র ও উষ্ণ অঞ্চলগুলো এই বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে। পরিশেষে, এই উৎসটি গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর মাধ্যমে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

তীব্র গরমে কেন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে

তীব্র গরমে কেন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে তীব্র তাপপ্রবাহ কীভাবে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে, এই নিবন্ধে তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বাড়তি শক্তি ব্যয় হয় এবং কর্টিসল ও নরএপিনেফ্রিন নামক হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা মানুষকে অস্থির ও খিটখিটে করে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চ তাপমাত্রা মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অনিদ্রার সৃষ্টি করে মানুষের মেজাজ খিটখিটে করে দেয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় লেখক ঠান্ডা পানির ব্যবহার, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং শরীর সতেজ রাখতে ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানীয় গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। মূলত প্রচণ্ড গরমে মেজাজ হারানো কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়, বরং এটি মানবদেহের একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রতিক্রিয়া। এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে দুপুরের কড়া রোদ এড়িয়ে চলা এবং শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি

শুধু যৌন সমস্যা নয়, লিঙ্গের আগাম সতর্কবার্তা

শুধু যৌন সমস্যা নয়, লিঙ্গের আগাম সতর্কবার্তা এই প্রতিবেদনটি লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যাকে কেবল একটি যৌন অক্ষমতা হিসেবে নয়, বরং শরীরের অন্যান্য গুরুতর রোগের আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। গবেষকদের মতে, এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের মতো প্রাণঘাতী সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে, কারণ লিঙ্গের ধমনীগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত এখানে প্রথমেই ধরা পড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই সমস্যায় আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে ডিমেনশিয়া এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে। সামাজিক লজ্জা ও সংকোচ কাটিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যু ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হতে পারে। মূলত, পুরুষের সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতা পরিমাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বা বায়োমার্কার হিসেবে এই অবস্থাকে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বার্ধক্যেও সতেজ স্মৃতিশক্তির রহস্য ও কৌশল

সুপারএজার: বার্ধক্যেও সতেজ স্মৃতিশক্তির রহস্য ও কৌশল বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে সুপারএজার নামক একদল বিশেষ প্রবীণদের কথা, যাঁদের বয়স ৮০ পেরোলেও স্মৃতিশক্তি অন্তত দুই দশক কম বয়সীদের মতো তীক্ষ্ণ থাকে। সাধারণ মানুষের তুলনায় তাঁদের মস্তিষ্কে মনোযোগ রক্ষাকারী নিউরোনের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি থাকে এবং আলঝেইমারের লক্ষণ থাকলেও তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা অটুট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে কেবল খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়াম নয়, বরং সামাজিক সক্রিয়তা এবং নতুন প্রজন্মের সাথে যোগাযোগ তাঁদের মস্তিষ্ক সতেজ রাখার প্রধান চাবিকাঠি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও হার না মানার মানসিক দৃঢ়তা এবং একাকীত্ব বর্জন করে মানুষের সাথে মেলামেশা করাই তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক তারুণ্যের রহস্য। এই বিশেষ মানুষগুলো মৃত্যুর পর গবেষণার জন্য তাঁদের মস্তিষ্ক দান করে বিজ্ঞানীদের বার্ধক্যজনিত স্মৃতিভ্রম রোধের উপায় খুঁজতে সাহায্য করছেন। সামগ্রিকভাবে, সূত্রটি আমাদের শেখায় যে সামাজিক বন্ধন ও ইতিবাচক জীবনবোধই বার্ধক্যে মস্তিষ্ক সচল রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।