sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

করোনা থেকে বেঁচে ফেরা নারী জানালেন অভিজ্ঞতা

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ জয় করে ফিরেছেন ৪৭ বছর বয়সী ঝাং। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশন ডিসিস (এনসিআইডি)- এ চিকিৎসা শেষে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি)। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীনের উহান থেকে ফেরানো ৯২ সিঙ্গাপুরিয়ানের মধ্যে ঝাং, তার স্বামী এবং সন্তানও রয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরে পা রাখার পর মেডিকেল স্ক্রিনিংয়ে তার জ্বর ধরা পড়ে। এরপর তাকে নেয়া হয় এনসিআইডতে। ঝাং বলেন, ‘আমি খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তারা (চিকিৎসকরা) আমার নাকের ভেতরে তারা অক্সিজেন টিউব ঢুকিয়ে দেয় যাতে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারি। কিন্তু আমার ফুসফুস ঠিকমতো কাজ করছিলো না তাই টিউবটাও সেভাবে কাজে আসছিলো না।’ ‘আমার খুব ভালোভাবে মনে আছে, শ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল। মনে হচ্ছিলো, আমি মারা যাচ্ছি।’ হাসপাতালে নেয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেয়া হয়। চিকিৎসক এবং নার্সরা দ্রুত সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ‘ওই সময় আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না কিন্তু আমার মন পরিস্কার ছিলো। আমি তাদের (চিকিৎসকদের) কথাবার্তা স্পষ্টভাবে শুনতে পারছিলাম। একজন ডাক্তার আমার হাত ধরে রেখেছিলেন এবং বলছিলেন, চিন্তা করো না। আমরা একটা টিউবের ব্যবস্থা করছি যা দিয়ে আপনার শ্বাস নিতে সহজ হবে। ওই নারী চিকিৎসক আমাকে লাগাতার ভরসা দিয়ে যাচ্ছিলেন। অত্যন্ত ভদ্রমহিলা তিনি।’ বলছিলেন ঝাং। ঝাংয়ের স্বামী করোনায় আক্রান্ত না হলেও রক্ষা পাননি তার ছেলে। তাকেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এনসিআইডিতে। ঝাং বলেন, নার্স প্রতিদিন তার (ঝাংয়ের ছেলে) নাক থেকে নমুনা সংগ্রহ করছে। তার অন্য কোনো রোগ নেই। তিনি বলেন, একজন মা হিসেবে আমি এটা ভেবে স্বস্তি পাচ্ছি যে, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হিসেবে আমার ছেলেকে বড় করতে পেরেছি। করোনার সঙ্গে লড়াই করে ফিরলেও এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সময় লাগবে ঝাংয়ের। তিনি বলেন, আমি যখন আইসিইউ থেকে বের হলাম, আমার স্বামী বললো সে আরো কয়েক রাত আমার সঙ্গে ঘুমাবে না। আমি যদি তার অবস্থানে থাকতাম আমিও সেটাই করতাম। চিকিৎসক এবং নার্সদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঝাং বলেন, তারা আমাকে পরিবারের মতো দেখেছেন এবং সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এখন দৈনন্দিন জীবনে ফিরে যেতে চান ঝাং। তিনি বলেন, আমি আমার সাধারণ জীবনে ফিরে যেতে চাই। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে চাই, কিছু শপিং করতে চাই এবং এক কাপ কফি খেতে চাই। তারপর রাতে আমার স্বামী এবং সন্তানদের জন্য ডিনারের প্রস্তুতি নিচে চাই। আমার মনে হয় সেটাই ভালো হবে। তবে এরপর ঝাং তার দিনগুলো আগের মতো স্বাভাবিকভাবে কাটাতে পারছেন কিনা জানা যায়নি।

খালেদার প্যারোল নিয়ে ফখরুলের ফোনালাপের প্রমাণ দিতে পারবো : কাদের

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্যারোল প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ ওবায়দুল কাদেরের সাথে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের আলমগীরের ফোনালাপ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব প্যারোল নিয়ে ফোনালাপের কথা অস্বীকার করার পর এবার ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, তিনি আমাকে ফোন করে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে অনুরোধ করেছেন, যার প্রমাণ আছে, চাইলেই দিতে পারি। রাজনীতিতে এতো নীচে নামতে চাই না। মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খুলনা বিভাগের নেতাদের সাথে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন নতুন নাটক করছে বিএনপি। পরিবার, দল ও নেতারা বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যতোটা ব্যাকুল তার থেকে বেশি রাজনৈতিক ফায়দা নেবার চেষ্টা করছে। এর আগে, দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীরা দলের দ্বায়িত্বে না আসলে দুঃসময়ে দল চালানোর লোক পাওয়া যাবে না। পরীক্ষিতদের জায়গা না দিলে সুবিধাবাদীদের দুঃসময়ে আন্দোলনে পাওয়া যাবে না। সিটি নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীর কারণেই আওয়ামী লীগ পার পেয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়ার্ড ও থানার ভূমিকা দুর্বল ছিলো, এটা অস্বীকারের উপায় নেই। এ সময় তিনি সরকার ঘোষিত নির্বচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে এবং ভিশন-২০৪১ ও ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করার আহবান জানান।

সব কারখানায় ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ হাইকোর্টের

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় দুই মাসের মধ্যে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে এ আদেশ বাস্তবায়ন করে শ্রম সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত রুলের ওপর এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দেশের ছয়টি রেলস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার করা হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসগুলোতে করা হয়েছে। গার্মেন্টস কারখানাতে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার না হওয়ায় রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান আদালতে এ আবেদন করেন।

কচুরিপানা খেতে বলিনি: পরিকল্পনামন্ত্রী

কচুরিপানা নিয়ে তুমুল বিতর্কের পর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, আমার বক্তব্যকে গণমাধ্যমে ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমি কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করতে বলেছি। খেতে বলিনি। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভাশেষে মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি কি সবাইকে কচুরিপানা খেতে বলবো? আমি কি বাংলার মানুষ নই? আমার মা-বাবা কি বাংলার মানুষ নয়? এটা কিভাবে আমি বলি?’’ ‘‘আপনাদের সামনে কথা বলতে ভয় লাগে আমার। তবে সঠিকভাবে বক্তব্য বুঝতে হবে। গবেষণার আওতা সীমাহীন। গবেষণার কোনো সীমিত পরিসর থাকতে পারে না? আমি বলেছিলাম কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করেন। খেতে বলিনি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘সে অনুষ্ঠানে কৃষি গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। আমি তাদের বললাম কচুরিপানা কি খাওয়া যেতে পারে? এতে কোনো ক্ষতি আছে?’ ‘‘তখন কে জানি একজন বললেন, গরু তো খায়। তখন আমি বললাম, গরু খেতে পারলে আমরা পারবো না কেন?’’ বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন এম এ মান্নান বলেন, ‘থাইল্যান্ড বিভিন্ন কৃষি পণ্য নিয়ে গবেষণা করছে। যেমন তারা পেয়ারা থেকে বিচি দূর করে ফেলছে। সেই পেয়ারা আমরা খাচ্ছি এখন। সেইজন্য বলেছি, আমাদের বাংলাদেশে কি এসব করা সম্ভব না? সেই প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম, গবেষণাকে আরো সমৃদ্ধ করা যায় কি না। কাঁঠালের আকার ছোট করা যায় কি না। সেসব নিয়ে গবেষণা করতে বলেছি।’ গতকাল সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘কাঁঠালের আকার অনেক বড় হওয়ায় প্রায় ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আপনারা কাঁঠালের আকারটা আরেকটু ছোট কীভাবে করা যায়, তা গবেষণা করতে পারেন।’ সেসময় তিনি হেসে হেসে বলেন, ‘আমি অনুরোধ করবো কচুরিপানা নিয়ে কিছু করা যায় কীনা? আমি তো গ্রামের ছেলে। আমাদের এলাকায় নদীগুলো সব কচুরিপানায় ভর্তি। কচুরিপানার পাতা খাওয়া যায় না কোনও মতে? গরু খেতে পারলে আমরা কেন পারবো না?’ তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তোলে।

ঝালকাঠিতে ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝালকাঠির নলছিটিতে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে সোহেল ঘরামী (২৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শেখ মো. তোফায়েল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এদিকে, ধর্ষণের কারণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। ৫ বছর বয়সী ওই সন্তানের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল ঘরামী তেতুলবাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব আলী ঘরামীর ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩ মে সকালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তেতুলবাড়িয়া গ্রামের এক কিশোরীকে তার বাড়িতে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী সোহেল ঘরামী। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে সোহেল। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত নলছিটি থানার ওসিকে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পুলিশের প্রতিবেদন পাওয়ার পরে আদালত সোহেলের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করেন। পরে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আ.স.ম. মোস্তাফিজুর রহমান মনু। তিনি শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৭২ হাজারের বেশি কোভিড-১৯ রোগীর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করল চীন

৭২ হাজারের বেশি কোভিড-১৯ রোগীর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করল চীন
প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ বা কোভিড-নাইনটিনে আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত নথি প্রকাশ করেছে চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর এই প্রথম এত বিশদ আকারে লেখা প্রকাশ করল চীন।
চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিসিডিসি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি রোগীর শারীরিক অবস্থা ততটা মারাত্মক নয়। তবে বিভিন্ন কারণে অসুস্থ ও বয়োজ্যেষ্ঠরা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
সিসিডিসির তথ্যকণিকাটি গতকাল সোমবার চাইনিজ জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত হয়। ওই তথ্যপত্রে চীনজুড়ে ১১ ফেব্রুয়ারি নাগাদ ৭২ হাজার ৩১৪ জন কোভিড-১৯ রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। এসব রোগীর মধ্যে রয়েছে নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত, আক্রান্তের আশঙ্কায় থাকা ব্যক্তি এবং রোগের উপসর্গ রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া এই তথ্যপত্রে চীনজুড়ে ৪৪ হাজার ৬৭২ জন কোভিড-১৯ রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই গবেষণাপত্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসাকর্মীদের উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, চীনে কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুর হার দুই দশমিক তিন শতাংশ।
তবে করোনার উৎপত্তিস্থল হুবেই প্রদেশে মৃত্যুর হার দুই দশমিক নয় শতাংশ। আর চীনের অন্যান্য অঞ্চলে এই হার শূন্য দশমিক চার শতাংশ।
চীনা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১২ হাজারের বেশি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
এদিকে চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৮৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। যাঁদের ৯৩ জনই হুবেই প্রদেশের এবং বাকি পাঁচজন দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের বাসিন্দা। এ ছাড়া শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আজ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৪৩৬ জনে। নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৮৮৬। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

কক্সবাজার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নারী নিহত

রোহিঙ্গা শিবিরের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত নূর নাহার (৪০) টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের বি-বক্লের বাসিন্দা নূর আলমের স্ত্রী। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে এ সংঘর্ষ হয়। টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মনির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়েছেন। মরদহে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।