sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

ভাইকে খুঁজতে গিয়ে বোনকে ধর্ষণ করলো যুবক

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বন্ধুকে বাড়িতে খুঁজতে গিয়ে তার ছোট বোনকে ধর্ষণ করেছে এক যুবক। ধর্ষণের শিকার মেয়েটি স্থানীয় এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। গেল ১২ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ছগিরশাহ কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরদিন ওই ছাত্রীকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে পাঠানো হয়। এদিকে গেল সোমবার রাতে ছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক একই এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে আবদুর রহিমকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক আবদুর রহিম স্কুলছাত্রীর বড় ভাইয়ের বন্ধু। ১২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই ছাত্রীর বাবা-মা বেড়াতে যায়। রাত সাড়ে নয়টার দিকে আবদুর রহিম বন্ধুর খোঁজে ওই বাড়িতে গেলে স্কুলছাত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে চলে যায়। পরে রাতে বড় ভাই আসার পর মেয়েটি সব খুলে বলে। এরপর স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিক আহমদকে বিষয়টি জানানো হয়। পরদিন এ বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন ওই ইউপি সদস্য। বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় ছাত্রীর বাবা থানায় বিষয়টি অবগত করেন। পরে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে থানায় এজাহার দিলে মামলা এন্ট্রি করা হয়। ওই ঘটনায় ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরে আবারও বাড়লো পেঁয়াজের দাম

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি কমের অজুহাতে আবারও বাড়ল ভারত থেকে আমদানিকৃত পেয়াঁজের দাম। যে পেঁয়াজ গতকাল বন্দরে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা দরে। সেই পেঁয়াজ এক দিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বন্দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে মুল্য বৃদ্ধি করার পর থেকেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কমেছে পেয়াঁজের আমদানি। চাহিদার তুলনায় আমদানি কমায় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজস্থান, গুজরাট, ইন্দুর জাতের পেয়াঁজ আমদানি হচ্ছে এই বন্দর দিয়ে। হঠাৎ করে দাম বাড়া ও কমার কারণে পেয়াঁজ কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হয়েছে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের। হিলি কাষ্টমসের তথ্যমতে চলতি সপ্তাহে ৬ কর্ম দিবসের ভারতীয় ৮৭ ট্রাকে ২ হাজার ১শ ৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

রাজধানীর রমনায় মশিউর রহমান (৭৩) নামে এক সাবেক যুগ্ম সচিবের অস্বাভাবিক মৃত্যু

সাবেক সচিবের অস্বাভাবিক মৃত্যু
হয়েছে। পরিবারের দাবি মশিউর রহমান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধেশ্বরী লেনের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রথমে তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতলে নেয়া হলে চিকিৎসক মশিউর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাত ১০টা দিকে সেখান থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাঈনুল ইসলাম জানান: পরিবার বলেছে মশিউর রহমান সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে সিলিং ফ্যান থেকে নামিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। নিহত মশিউর রহমানের বাড়ি সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানার রাজাপুরে।

নদ-নদীর দখল উচ্ছেদ ক্রাশ প্রগ্রাম নিয়ে নামছে প্রশাসন

সারা দেশের নদ-নদী অবৈধ দখলমুক্ত করতে এক বছরের ক্রাশ প্রগ্রাম (উচ্ছেদ কার্যক্রম) হাতে নিয়েছে সরকার। এ জন্য জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদের পাশাপাশি নদীর জমি কারো নামে লিজ দেওয়া হয়ে থাকলে কিংবা কারো মালিকানায় থাকলে তা বাতিল করা হবে। নদীর জমি ভুলক্রমে কিংবা অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে তা বাতিল হবে। নদীর সীমানা চিহ্নিত করা হবে। মরা নদীর জমি চিহ্নিত করার জন্য জরিপ পরিচালনা করা হবে। মরা নদীর জমি সংরক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে সরকারের ১০০ বছর মেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান অনুসারে সারা দেশের নদ-নদী, খাল ও জলাশয় দখল ও দূষণমুক্তকরণ, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য আটটি বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন এরই মধ্যে সারা দেশের জেলাভিত্তিক নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশও করা হয়েছে। দেশের ৬১ জেলায় ৪৬ হাজার ৭৪২ জন দখলদার চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ময়মনসিংহ, গাইবান্ধা ও পঞ্চগড়—এই তিন জেলা প্রশাসন এখনো নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা জমা দেয়নি। তাদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তালিকা তৈরি করে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, সরকারের সচিব ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশের নদ-নদী রক্ষার একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সারা দেশের নদ-নদীকে দখলমুক্ত করার জন্য এর আগে তৈরি করা অবৈধ দখলদারদের তালিকা ধরে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক বছর মেয়াদি ক্রাশ প্রগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি এই কার্যক্রমে দেশবাসীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পক্ষ থেকে গত ২৭ আগস্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে ক্রাশ প্রগ্রাম পরিচালনার নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের কথা বলা হয়েছে। তালিকা অনুসারে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নদীর সীমানা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা নদ-নদী ও তীরভূমি, ফোরশোর যাতে পুনঃ দখল না হয় তার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন/উপজেলা ভূমি অফিসের নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারির মাধ্যমে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ নিতেও বলা হয়েছে। নির্দেশনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মইন উল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা এই নির্দেশনা পেয়েছেন। নির্দেশনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি জানিয়েছেন, নদী দখলমুক্ত করার জন্য এরই মধ্যে অবৈধ দখলদারদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে, খননকাজ শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, তার আগেই নদী দখলমুক্ত হবে। নদ-নদী রক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন অনুসারে জেলা নদী রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে জেলা প্রশাসক ও কালেক্টররা কী কী আইন প্রয়োগ করতে পারবেন তা-ও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নদ-নদী রক্ষায় হাইকোর্টের ১৩৯৮৯/২০১৬ নম্বর রিট পিটিশনের আদেশও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, নদীর জমি কোনো ব্যক্তি/গোষ্ঠী/প্রতিষ্ঠানের নামে মালিকানা থাকলে তা বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে জেলা প্রশাসকের। একইভাবে জমি কোনো ব্যক্তি/গোষ্ঠী/প্রতিষ্ঠানের নামে রেকর্ড হয়ে থাকলেও তা বাতিল ও সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে জেলা প্রশাসকের। এই প্রসঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জারি করা একটি পরিপত্রও যুক্ত করা হয়েছে। নদ-নদীর দখল উদ্ধারে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট বিধি- ১৩৩, ১৩৯(ক) ধারায় নদী, খাল ও পথ/স্থানের গণ-উৎপাত বা উপদ্রব অপসারণের আদেশ প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দণ্ডবিধির অধীনেও (ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৮১-২৮৩) অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। মুজিবুর রহমান হাওলাদার জানান, মরা নদী ও খালের জমিও সরকারের অনুকূলে থাকবে। এগুলো চিহ্নিত ও সংরক্ষণ করা হবে। এ জন্য বিদ্যমান আইন অনুসারে কালেক্টর কিংবা রাজস্ব কর্মকর্তা দিয়ারা জরিপ ম্যাপ (আরএস কিংবা চর্চা ম্যাপের আইনানুগ ভিত্তি/গ্রহণযোগ্যতা এ ক্ষেত্রে নেই) প্রস্তুত করবেন। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) স্যাটেলাইট সার্ভের মাধ্যমে দেশে নদ-নদীগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ এবং এসংক্রান্ত ডিজিটাল ডাটাবেইস তৈরিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের ১০০ বছর মেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান অনুসারে নদ-নদী, খাল ও জলাশয় দখল ও দূষণমুক্তকরণ, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরির জন্য যে বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে তাতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের একজন সদস্যকে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পর্যটন মন্ত্রণালয়, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ, স্পারসো, বন বিভাগ, সিটি করপোরেশন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে। কমিটিকে নদ-নদী, খাল ও জলাশয় অবৈধভাবে দখল ও দূষণমুক্ত করা ও উন্নয়নের জন্য ক্রাশ, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। কমিটিকে মাসে কমপক্ষে একবার বসে আগামী ছয় মাসের মধ্যে খসড়া কমিশনে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজধানীর আশপাশের চার নদী নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান এরই মধ্যে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এখন চলছে অবৈধ দখল উচ্ছেদের কার্যক্রম। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, ভূমি রক্ষা ও ব্যবহারের জন্য দু-তিন বছরের স্বল্প, তিন-পাঁচ বছরের মধ্য এবং ৫-১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্বস্তির জয়

খেলা শেষ হতে আর মিনিট বিশেক বাকি। কিন্তু গোলের দেখা নেই! একটা গোলের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হচ্ছিল বারবার। শেষপর্যন্ত গ্রিনউডের গোলে ১-০ স্কোরলাইনে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানইউ। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে গ্রিনউডের একমাত্র গোলে ইউরোপা লিগে আস্তানার বিপক্ষে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শক্তির বিচারে আস্তানার বিপক্ষে সহজেই জয় তুলে নেওয়ার কথা ছিল ম্যানইউর। সেভাবেই আস্তানাকে চেপে ধরেই খেলেছে ইংলিশ জায়ান্টরা। ম্যাচের ৭৫ শতাংশ সময়ে ম্যানইউ খেলোয়াড়দের দখলেই বল ছিল। কিন্তু গোলের দেখা মিলেছে বেশ পরে। খেলার শেষভাগে। এই ম্যাচে তরুণদের ওপরই আস্থা রেখেছিলেন ম্যানইউ কোচ ওলে গানার সোলসকায়ের। আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন গ্রিনউড-গোমেজরা। শেষ মুহূর্তে হলেও জয় এনে দিয়েছে এই তরুণেরা। ম্যাচে গোলমুখে ২০টি শট নিয়েছে ম্যানইউর খেলোয়াড়েরা। এর অবশ্য মাত্র ৭টিই তাঁরা লক্ষ্যে রাখতে পেরেছেন। আর আস্তানার খেলোয়াড়দের নেওয়া ৩টি শটের সবগুলোই ছিল বেপথু। ওল্ডট্রাফোর্ডে খেলার শুরুতেই অবশ্য গোলের দেখা পেতে পারত ম্যানইউ। কিন্তু চতুর্থ মিনিটে ফ্রেডের হেডে অল্পের জন্য রক্ষা পায় আস্তানা। ইউনাইটেডের হয়ে ফ্রেডের অবশ্য গোলই আছে একটা। সেটা গেল বছর সেপ্টেম্বরে ওলভসের বিপক্ষে। এই গোল তাঁকে সোলসকায়েরের গুডবুকে তুলে দিতে পারত হয়তো। ম্যাচের ১৩ মিনিটে মাত্র ২ গজ দূরে থেকে গোল মিস করেন রাশফোর্ড। আস্তানার গোলরক্ষক এরিক তাঁর সামনে দেয়াল হয়ে না দাঁড়ালে নিশ্চিত গোল পেত ইংলিশরা। প্রথমার্ধে এভাবেই বারবার গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে ম্যানইউ। এক রাশফোর্ডই দুবার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। আর তাতে তাদের জয়ের জন্য অপেক্ষাটাই শুধু দীর্ঘ হয়। এ ক্ষেত্রে আস্তানাকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাতে হয়। কারণ তাদের জমাট রক্ষণ ভাঙতে রীতিমতো ঘাম ছুটেছে ম্যানইউর ফরোয়ার্ডদের। শেষ পর্যন্ত ৭৩ মিনিটে গ্রিনউডের ডান পায়ের শটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সোলসকায়েরের শিষ্যরা। ম্যানইউর হয়ে এটিই গ্রিনউডের প্রথম গোল। কে জানে এই গোলই হয়তো এই ১৭ বছর বয়সীকে নিয়মিত একাদশে নিয়ে আসে কিনা।

তুরস্কে গত পাঁচ বছরের যে ঘটনা মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে

"ইস্তান্বুল কখনো তোমাকে ছাড়বে না,-এর সৌন্দর্য্য পিছু টানবে তোমাকে," এখানে যখন আমি আমার জীবটাকে গুছিয়ে নিচ্ছিলাম তখন আমার এক বন্ধু আমাকে এই কথাটি বলেছিল। পাঁচ বছর পর এখন চলে যাওয়ার সময় এসেছে, আর আমি মনে করছি, ২০১৪ সালে লন্ডনের এক জ্যেষ্ঠ সম্পাদক মুখে একটি হাসি নিয়ে আমাকে সেদিন কী বলেছিল: "আহ, হ্যাঁ, তুরস্ক...আলোচনায় আসতে হলেও যাকে কিছুটা বেগ পেতে হয়।" তাহলে বসফরাসের তীরে সেই অবসন্ন সন্ধ্যাগুলোর কী হবে, যা মিনারের আড়ালে সূর্য্য ডোবা দেখে কেটে গেছে? এর পরিবর্তে, আমি দেশটির আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে অশান্ত সময়গুলোর একটি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলাম: সন্ত্রাসী হামলা-কয়েক ডজন, অভিবাসন সংকট, রক্তাক্ত ও ব্যর্থ সেনা অভ্যূত্থান, এর পরের শুদ্ধি অভিযান, কুর্দি জঙ্গিদের সাথে সংঘর্ষ, আর সিরিয়া থেকে বাড়তি পাওনা তো ছিলই। এই তালিকা আরো লম্বা।
ইস্তাম্বুলের আকাশে সূর্য্য ডোবার দৃশ্য বিংশ শতাব্দির শুরুর দিকে যেসব বই প্রকাশিত হতো, সেগুলো তুরস্ক এবং এর নেতা রেচেপ তায়েপ এরদোয়ানকে নিয়ে আশার কথায় পূর্ণ ছিল। মনে হচ্ছিল যেন, ৯/১১ এর পরে বিশ্বে গণতন্ত্র এবং ইসলামকে রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছিল তুরস্ক, যখন পশ্চিমারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অংশীদারের খোঁজে ছিল। তিনি এখানে সামরিক পদযাত্রা বন্ধ করে দেন, অর্থনীতিতে সংস্কার আনেন, এছাড়া যে ধর্মীয় তুর্কিরা দীর্ঘকাল ধরে অসাম্প্রদায়িক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছিল তাদের ক্ষমতাবান করেন। এবং তুরস্ককে ইইউ সদস্যপদের প্রার্থী করেন। কী পরিবর্তন হয়েছিল? কখন মি. এরদোয়ান এবং তুরস্কের এই চেহারা পরিবর্তন হয়েছিল তা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করাটা কঠিন। সম্ভবত, ইস্তান্বুল শহরের দুর্লভ সবুজের ছোঁয়ায় ঘেরা গেজি পার্কে তার মতের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ২০১৩ সালের গণ এবং সরকারি বিরোধী বিক্ষোভও হতে পারে। ছবির কপিরাইটREUTERS Image caption তাকসিম স্কয়ার: গেজি পার্কে বিক্ষোভকারীদের উপর টিয়ার গ্যাস ও জল কামান ব্যবহার করে পুলিশ অথবা সম্ভবত তাঁর আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি গোষ্ঠী যা সমাজের প্রতিটি স্তুরে প্রবেশ করেছিল- সেই গুলেনপন্থীদের মধ্যে বিভক্তি এবং যাকে তিনি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত অভ্যুত্থান চেষ্টার জন্য দায়ী করেছেন। অথবা এটাও হতে পারে যে, বিশ্বটাই আসলে বদলে গেছে। ইউরোপ আরো সংকীর্ণ হচ্ছিল, জাতীয়তাবাদ বাড়ছিল এবং যুক্তরাজ্যে, ব্রেক্সিট বিতর্কের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছিলে তুরস্ক, গণ অভিবাসনের জন্য যার সংশ্লিষ্টতা ছিল। আশাহীন একটি তুরস্কে স্থানান্তরিত হচ্ছিলাম আমি; যেখানে ক্রমবর্ধমান মেরুকরণ অনুভূত হত। কুর্দি বিদ্রোহী ২০১৫ সালে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) জঙ্গিদের সাথে তুর্কি রাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হয়। একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন যাতে পরের দশকগুলোতে ৪০ হাজার প্রাণহানি হয়েছিল। তুরস্কের পূর্বাঞ্চলের রিজ এলাকায় এরদোয়ানের একটি ব্যানার কুর্দি সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তুরস্কের সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল, বালাক্লাভা এলাকায় উগ্র তরুণদের পাহারায় বসানো হয়েছিলো যাদের ভাইয়েরা পার্বত্য এলাকায় পিকেকে- যা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং তুরস্কের চিহ্নিত জঙ্গি সংগঠন তাদের পক্ষে লড়ছিলো। দিয়ারবাকির, যেটি কিনা ওই এলাকার মূল শহর, ট্যাংক এবং ভারী অস্ত্রধারী পুলিশের মাঝখান দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম আমি, স্বয়ংক্রিয় বন্দুকের গুলি আর শেলের শব্দ শুনছিলাম। এমিনি কাগির্গার সেই স্থির চাহনির কথা মনে করতে পারি আমি যার ১০ বচর বয়সি সন্তান কেমিলি তার বাড়ির কাছে পুলিশি অভিযানে নিহত হয়েছিলোম। এমিনি আমাকে সেই ফ্রিজটি দেখিয়েছিল যেখানে সে তার মেয়ের মরদেহ দুদিন ধরে রেখে দিয়েছিলো যাতে পচন না ধরে। ভুলব না তুরস্কের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সেই সব শোকাতুর স্বজনদের চিৎকার, যারা রাস্তার পাশে পিকেকে'র পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছিল। দিয়ারবাকির, অক্টোবর ২০১৪: পিকেকে'র সাথে লড়ে যাচ্ছে তুরস্কের সেনাবাহিনী সেখানে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠী সন্ত্রাসী হামলা চালাতো। তাদের টার্গেটের মধ্যে ছিলো ইস্তান্বুল বিমানবন্দর। ওই হত্যাকান্ড শেষ হওয়ার পর আমি সেখানে গিয়েছিলাম। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে আইএস যোদ্ধারা তুরস্কে রাজনৈতিক জন সমাবেশ, পর্যটক এলাকা এবং ২০১৬ সালের নববর্ষ উপলক্ষ্যে ইস্তান্বুল নাইটক্লাব গুলো উড়িয়ে দিতে এসেছিলো। আমার সময়ে সবচেয়ে হৃদয় বিদারক সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম আলি আলসাহোর। তিনি ছিলেন, ইউরোপে পাড়ি জমাতে চাওয়া হাজারো সিরীয় শরনার্থীদের একজন যারা তুরস্কে পৌছেছিলেন। একটি কাঠের নৌকার জন্য মানব পাচারকারীদের অতিরিক্ত অর্থ দিয়েছিলেন তিনি। যা ছিল রাবারের ডিঙ্গি নৌকার চেয়ে কিছুটা নিরাপদ। নৌকায় ওঠার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই এতে পানি ভরে যায়। তার স্ত্রী এবং সাত সন্তানের সবাই ডুবে যায়, যাদের মধ্যে সবার ছোটটির বয়স ছিলো মাত্র ২০ দিন। শরনার্থীদের মধ্যে এ ধরণের আরও অনেক গল্প ছিল। প্রায় ৪০ লাখ শরনার্থী তুরস্কে বাস করে। যা অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশি। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption সীমান্তের কাছে তুরস্কের সুরুকে অবস্থিত একটি শরনার্থী শিবির এতো উদারতার পরও, এখানে আরো অনেক মানসিক বিকার ছিল।আর এটি হয়েছিলো জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের কারণে যা প্রথম তৈরি করেছিলেন কামাল আতাতুর্ক, যিনি আধুনিক রাষ্ট্রের স্থপতি। "এক, দুই, তিন, তুর্কিরা দীর্ঘজীবি হোক," যা শিশুরা গণনা শেখার সময় বলে থাকতো। এটা চলতে থাকলো: "চার, পাঁচ, ছয়, পোল্যান্ড ধ্বংস হোক। সাত, আট, নয়, জার্মানরা শুয়োর। দশ, এগারো, বার, ব্রিটিশরা শেয়াল।" তিনি বলেন। গুগলে "এরদোয়ান বন্ধ করেছে..." লিখে খুঁজলে পাওয়া যায় ন্যাটো, ইসরায়েল, ইউরোপ, "কথিত কিছু বুদ্ধিজীবি" এবং অবশ্যই বিবিসি। আমি তুরস্কের একটি সংবাদপত্রের প্রথম পাতা সংরক্ষণ করেছি যেখানে আমাকে বলা হয়েছে "একজন ব্রিটিশ বিশ্বাসঘাতক যাকে আটক এবং প্রত্যাবাসন করা উচিত"। বিরোধি দলের সক্রিয় কর্মীদের সাক্ষাৎকার নেয়ার কারণে এমনটা বলা হয়। ভিন্নমত পোষণকারীদের কিভাবে দমন করেছে এরদোয়ান যখন ২০১৬ সালে বিদ্রোহী সেনারা ক্ষমতা নেয়ার চেষ্টা করেছিলো, তখন সন্দেহ তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীর অন্যদের উপর পরে। সেনা অভ্যুত্থান যাতে ২৬০ জন মানুষ প্র্রাণ হারায়, সেটি ছিলো মূলত একটি সন্ধিক্ষণ। এটি আসলে এরদোয়ানের ভীত আরো শক্তিশালী করেছিলো। সে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের উপরন দমন-পীড়ন চালিয়েছিলো তাদেরকে কারাদন্ড, বরখাস্ত কিংবা বহিষ্কার করে। আমি ৮২ বছর বয়সি এক নিউরো-সাইকোলজিস্টের কথা কখনো ভুলবো না। তাকে সন্ত্রাসীদের সমর্থক আখ্যা দিয়ে তার ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। "১৯৭১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর তুরস্ক ছাড়ি আমি আর আমার স্বামী," তিন বলেন।"তখন সীমাহীন নিপীড়ণ চালানো হতো, আমাদের মতো বামপন্থীদের ধরে কারাগারে রেখে আঙুলের নখ উপরে ফেলা হতো।" তিনি থামেন, বসফরাসের দিকে তাকিয়ে আবার বলতে শুরু করেন। "কিন্তু আজকের অবস্থা আরো খারাপ, কারণ তখন অন্তত বিচার ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করতে পারতাম আমরা।" ছবির কপিরাইটAFP Image caption মি. এরদোয়ানের সমালোচনা করায় ২০১৬ সালের মার্চে তুরস্কের বৃহত্তম সংবাদপত্র জামানের দখল নেয় পুলিশ সাংবাদিক কিংবা মানবাধিকার কর্মী যারা তাদের বন্ধু ছিলো, যাদেরকে আটকে রাখা হয়েছে কিংবা গুরুতর অভিযোগ দিয়ে ফেরার করে রাখা হয়েছে তাদের সাথে দেখা করা খুবই কঠিন। ২০১৪ সালে আমার পৌঁছানোর পর এক পার্টিতে, তুরস্কের এক নারী মেলিস উষ্ণ হেসে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল: "তো আপনি এখানে নতুন, হু?" "একটা কথা আমাদের সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। আর তা হলো আমরা জঙ্গি মানুষ। সেটা ধর্মীয়, ধর্মনিরপেক্ষ, সামরিক, আতাতুর্ক-প্রেমী, এরদোয়ান-প্রেমী কিংবা আমরা যেভাবে পার্টি করছি সেটাও হতে পারে- আমরা এটা ১১০% করি।" সে কথাগুলো সত্য হয়েছিল। বিশাল চরিত্র, শক্তিশালী আত্মা, শক্তিশালী প্রকৃতির একটি দেশ এটি। এই দেশ এবং আমি, এই উত্তেজনাপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় পাঁচ বছরের কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবো।

সরকার গড়ার আশা ছাড়ছেন না নেতানিয়াহু

ইজ়রায়েলের নির্বাচনে আসন সংখ্যার নিরিখে বৃহত্তম দল হতে পারেনি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী পদ ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারে শামিল হওয়ার জন্য তিনি বৃহত্তম দল ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টির নেতা বেঞ্জামিন বেনি গানৎজকে আহ্বান জানিয়েছেন। গানৎজ অবশ্য ওই আহ্বান উড়িয়ে আজ দাবি করেছেন, তিনিই ইজ়রায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। সরকার গঠন নিয়ে ইজ়রায়েলের প্রেসিডেন্ট আর রিভলিন আগামী রবিবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। ১২০ আসনের ইজ়রায়েল পার্লামেন্টের ৯৭ শতাংশ ভোট গণনার পর দেখা যাচ্ছে, গানৎজের ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টি পেয়েছে ৩৩টি আসন এবং ৩১টি আসনে জয়ী হয়েছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টির নেতৃত্বাধীন মধ্য-বাম জোট দখল করেছে ৫৭টি আসন এবং নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট জয়ী হয়েছে ৫৫টি আসনে। নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘বেনি, আমাদের একটা ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠন করতে হবে। আজ যে কোনও সময়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে পারেন।’’ গানৎজে অবশ্য জানান, পরবর্তী সরকার গঠিত হবে তাঁর নেতৃত্বেই।