Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

বুস্টার ডোজের আওতায় ৪ কোটি ৫৫ লক্ষাধিক মানুষ

বুস্টার ডোজের আওতায় ৪ কোটি ৫৫ লক্ষাধিক মানুষ ফাইল ছবি দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধী টিকার বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৪০০ জন। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন শাখার (এমআইএস) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার) দেশে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭১১ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ২২ হাজার ৫৯৮ জন। আর একই সময়ে বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৪০০ জন। তাদেরকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১৩ কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬৮ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৯ জন। এ সময়ে টিকার বুস্টার (তৃতীয়) ডোজ পেয়েছেন চার কোটি ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩২ জন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি করোনা টিকার নিবন্ধন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মানুষকে টিকা দেওয়া শুরু হয়। বর্তমানে টিকা নেওয়ার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ বছর।

স্নোডেনকে রাশিয়ার নাগরিকত্ব দিলেন পুতিন

সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেনকে রাশিয়ার নাগরিকত্ব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে সই করেছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে। ২০১৩ সালে গোপন নজরদারির বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করে বিশ্বে আলোড়ন তুলেছিলেন স্নোডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এই ফাঁসের ঘটনায় সামনে আসে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারির ভয়াবহতা। তথ্যফাঁসের পর থেকেই স্নোডেন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নিজ দেশ থেকে। যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে, তাতে মার্কিন আইন অনুযায়ী তার অন্তত ৩০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ানটেড’ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছে স্নোডেনের নাম। বর্তমানে তিনি রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে তাকে রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়। এবার তিনি দেশটির নাগরিকত্ব পেলেন। এই বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্নোডেনের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। ২০১৭ সালে পুতিন বলেছিলেন, মার্কিন গোপননীতি ফাঁস করা ছিল স্নোডেনের ভুল। কিন্তু তিনি বিশ্বাসঘাতক নন।

করোনার পর এবার ‘খোস্টা’

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ও তার প্রভাবে সৃষ্ট মহামারির রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই সমগোত্রীয় নতুন একটি ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। যার নাম রাখা হয়েছে খোস্টা-২। প্রাথমিক গবেষণায় জানা গেছে, মূল করোনাভাইরাস বা সার্স-কোভ ২ এবং নতুন এই খোস্টা-২ একই ভাইরাস পরিবারের সদস্য। সেই ভাইরাস পরিবারের নাম সার্বেকোভাইরাস। দু’টি ভাইরাসের মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে; যেমন- দুই ভাইরাসেরই প্রধান পোষক বা বাহক প্রাণির নাম বাদুড়। ২০১৯ সালে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের সি ফুড মার্কেট থেকে বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল করোনাভাইরাস, আর খোস্টা-২ ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম শনাক্ত হয়েছে রাশিয়ার বাদুড়ের দেহে। মার্কিন বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সার্স-কোভ ২ ভাইরাসের মতোই খুব সহজে এটি মানবদেহের কোষে প্রবেশ করে বংশবিস্তারের মাধমে গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুঝুঁকি তৈরিতে সক্ষম; এবং উদ্বেগের ব্যাপার হলো করোনার টিকায় এই ভাইরাসের কোনো ক্ষতি হয় না। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের টাইম ম্যাগাজিনে নতুন এই ভাইরাসটির ওপর একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বাদুড়দের দেহে খোস্টা-২’র সমধর্মী নামের আরও একটি ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই ভাইরাসটির নাম দেওয়া হয়েছে খোস্টা-১। তবে এই ভাইরাসটি বাদুড় ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে যত সহজে প্রবেশ করতে পারে, মানবদেহে পারে না। ফলে খোস্টা-২’র তুলনায় খোস্টা-১ মানুষের জন্য অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ। মার্কিন এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য মাইকেল লেটকো দেশটির সাময়িকী নিউজউইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, বাদুড়ের দেহে শনাক্ত হলেও করোনাভাইরাসের মতো প্যাঙ্গোলিন, র‍্যাকুন, পাম সিভেটের মতো অন্যান্য প্রাণিদেহকেও পোষক হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আছে খোস্টা-২’র। সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “করোনাভাইরাসের মতো এই ভাইরাসটিও বিশ্বজুড়ে মহামারি উস্কে দেবে কিনা তা গবেষণার এই পর্যায়ে আমরা এখনই বলতে পারছিনা। তবে উদ্বেগের ব্যাপার হচ্ছে সার্স-কোভ ২ ভাইরাসের সমধর্মী ভাইরাস হলেও ভাইরাসটি করোনা টিকা প্রতিরোধী এবং যদি করোনার সঙ্গে মিলিতভাবে এই ভাইরাসটি কোনোভাবে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে, সেক্ষেত্রে গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।”

পাকিস্তানে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ৬ সেনা নিহত

পাকিস্তানে একটি সামরিক হেলিকপ্টার। ছবি : সংগৃহীত পাকিস্তানে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ছয় সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন মেজর পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়। খবর রয়টার্স ও জিও টিভির। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার গভীর রাতে হারনাই জেলার খোস্ত শহরের কাছে একটি ফ্লাইং মিশনের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে হেলিকপ্টারের দুই পাইলটও রয়েছেন। কী কারণে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি। এদিকে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। সঙ্গে আছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। দেশটি প্রলয়ঙ্করী বন্যায় বিপর্যস্ত। এমন প্রেক্ষাপটে দেশটির অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মিফতা বলেন, তিনি মৌখিকভাবে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করবেন। তিনি রোববার নওয়াজ শরিফ ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে তিনি মৌখিকভাবে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের কথা বলেছেন বলে জানান

সৈয়দ শামসুল হকের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কবি ও সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বাংলা সাহিত্যের এই দিকপাল। তাকে জন্মশহর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে দাফন করা হয়। সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বরে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘তাস’, ১৯৫৯ সালে প্রথম উপন্যাস ‘এক মহিলার ছবি’, ১৯৬১ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একদা এক রাজ্যে’ প্রকাশিত হয়। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘নূরুলদীনের সারাজীবন’, ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘গণনায়ক’, ‘ঈর্ষা’। উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘খেলারাম খেলে যা’, ‘সীমানা ছাড়িয়ে’, ‘নীল দংশন’। কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পরানের গহিন ভিতর’, নাভিমূলে ভস্মধার’, ‘আমার শহর ঢাকা’, ‘বৃষ্টি ও জলের কবিতা’ প্রভৃতি। গান লিখেও খ্যাতি অর্জন করেছেন সৈয়দ হক। উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘হায় রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘তোরা দেখ দেখ দেখ রে চাহিয়া’, ‘চাঁদের সাথে আমি দেব না তোমার তুলনা’। কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসাবে সৈয়দ শামসুল হক পেয়েছেন একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা।

কল ড্রপ হলেই ক্ষতিপূরণ পাবেন গ্রাহক

কল ড্রপ হলে গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ দিতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে একই অপারেটরে কথা বলার সময় প্রথম কল ড্রপ হলেই গ্রাহক ক্ষতিপূরণ পাবেন। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। সোমবার রাজধানীর রমনায় বিটিআরসি কার্যালয়ে কল ড্রপ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার অনলাইনে যুক্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ক্ষতিপূরণটাই গুরুত্বপূর্ণ না। গ্রাহক যেন নির্বিঘ্ন সেবা পায়, সে উদ্দেশ্যেই এই নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে। অপারেটররা যেন সেবার মান বাড়িয়ে ক্ষতিপূরণ থেকে রেহাই পান, বিটিআরসি সেটাই চাচ্ছে।’ বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ নতুন নির্দেশিকার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার উপস্থাপনায় বলা হয়, গ্রাহক এখন থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় কল ড্রপের ক্ষেত্রে প্রতিটি কল ড্রপের জন্য ৩০ সেকেন্ড এবং তৃতীয় থেকে সপ্তম কল ড্রপের বেলায় প্রতিটি কল ড্রপের জন্য ৪০ সেকেন্ড টকটাইম ফেরত পাবেন। ফেরত পাওয়া টকটাইম পরের দিন থেকে ব্যবহার করা যাবে এবং এই টকটাইম শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকের কোনো টাকা কাটা যাবে না। কল ড্রপের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে হবে। কোনো অপারেটর চাইলে কল ড্রপ হওয়ার দিন থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারবে। কল ড্রপের ফেরত প্রাপ্ত টকটাইমের মেয়াদ হবে ১৫ দিন। বিটিআরসি বলেছে, ১০০ সেকেন্ড কল ড্রপের জন্য অপারেটররা ৩০৯ দশমিক ৪৪ সেকেন্ড ক্ষতিপূরণ দেবে। যেকোনো অপারেটরের গ্রাহক এখন থেকে *১২১*৭৬৫# কোডের মাধ্যমে তার কল ড্রপের পরিমাণ জানতে পারবে। ১ অক্টোবর থেকে এটা কার্যকর হবে। বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রামীণফোন ও রবি তৃতীয় থেকে সপ্তম কল ড্রপ পর্যন্ত গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলালিংক দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ কল ড্রপ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়।

গ্রহাণুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে নাসার ‘ডার্ট’

গ্রহাণুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে নাসার ‘ডার্ট’ ৬৮ লাখ মাইল দূরের এক গ্রহাণু পিণ্ডকে সফলভাবে আঘাত করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার একটি ‘ডার্ট মহাকাশযান’।
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা কোনো গ্রহাণু হুমকি তৈরি করলে সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য কীভাবে ধাক্কা মেরে এর গতিপথ বদলে দেওয়া যায়, এটি ছিল সেই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রথম পরীক্ষা। এ পরীক্ষা চালানো হয় মোটামুটি ১৬০ মিটার চওড়া একটি গ্রহাণুর ওপর, যার নাম দেওয়া হয়েছে ডাইমরফোস। খবর আরাদোলু ও রয়টার্সের। দশ মাস আগে পৃথিবী থেকে রওনা দেওয়া নাসার ‘ডার্ট মহাকাশযান’ সোমবার সফলভাবে ওই গ্রহাণুর গায়ে আছড়ে পড়ে এবং ধ্বংস হয়ে যায়। মোটামুটি একটি ফুটবল স্টেডিয়াম আকারের ওই গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষের আগমুহূর্ত পর্যন্ত ডার্টের গায়ে বসানো ক্যামেরা প্রতি সেকেন্ডে একটি করে ছবি পাঠাতে থাকে পৃথিবীতে। পুরো দৃশ্য ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে নাসার মিশন অপারেশন সেন্টার থেকে ওয়েবকাস্ট করা হয়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ঘণ্টায় প্রায় ১৫ হাজার মাইল বেগে ডার্টের ওই আঘাতে ডাইমরফোসের গতি খুব সামান্য হলেও কমবে, সেটি হতে পারে প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিমিটারের ভগ্নাংশ পরিমাণ। তাতেও এর কক্ষপথে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আসবে, যা দীর্ঘমেয়াদে এর গতিপথ পাল্টে দেবে। পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক গ্রহাণুর গতিপথ বদলে দেওয়ার এ কৌশলের নাম দেওয়া হয়েছে কাইনেটিক ইমপ্যাক্টর টেকনিক। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডাইমরফোসের ক্ষেত্রে গতিপথের পরিবর্তন কতটা হলো, তা মাপতে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। তবে ডার্ট মহাকাশযান পাঠিয়ে গ্রহাণুকে আঘাত করার অংশটুকু তারা সফলভাবেই শেষ করেছেন। নাসার ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাম মেলোরি বলেন, নাসা কাজ করে মানবজাতির মঙ্গলের জন্য।… কে বলতে পারে, হয়তো এ প্রযুক্তিই একদিন আমাদের এই গ্রহকে রক্ষা করতে পারবে। মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো ছোট-বড় গ্রহাণু পিণ্ডের কোনোটি যদি সরাসরি এসে পৃথিবীতে আঘাত হানে, সেটি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সেই কৌশল নিয়ে বিজ্ঞানীরা ভাবছেন বহুদিন ধরেই। ডাইমরফোসের মতো আকারের কোনো গ্রহাণু পৃথিবীকে আঘাত করলে সেটার প্রভাব হবে একটি পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের চেয়েও বহুগুণ বেশি। আর যদি সেই গ্রহাণু এক কিলোমিটার চওড়া হয়, পুরো পৃথিবীতে তার প্রভাব পড়বে।