Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুনের ভোট প্রদান

মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুনের ভোট প্রদান মেহেরপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে মেহেরপুর পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি ভোট প্রদান করেন। ভোটদান শেষে তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘদিন পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণ যেন এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ। জেলা ক্রীড়া অফিসার আরিফ আহমেদের সঞ্চালনায় “তারুন্যের অংশগ্রহণ, খেলাধুলার মানোন্নয়ন” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)তরিকুল ইসলাম, (রাজস্ব) তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ,মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আসাদুর রহমান লিটন,ছাত্র প্রতিনিধি তামিম ইসলাম, আব্দুল মালেক, সাব্বির হোসেন প্রমুখ। এর আগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে একটি র‍্যালী বের করা হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামের নেতৃত্ব র‍্যালীটি মেহেরপুর স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালীতে অন্যদের মধ্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার আরিফ আহমেদ, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জেলা ক্রীড়া সংস্থার আসদুর রহমান, তামিম হোসেন।মুজিবনগর খবরে নিউজ এর জন্য যোগা জোগ করুন : আসফারুল হাসান সুমন, উপদেষ্টা সম্পাদক ,মোবাইল:০১৭২২২২৬৬০৬, সাহেদুজ্জামান রিপন ,যুগ্মবার্তা সম্পাদক ,মোবাইল:০১৭২৩০০৪৩০০, অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।

ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো

ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইরানের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে৷ জি-সেভেনও নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে৷ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা না বাড়ানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগও চলছে৷ ইসরায়েলের সংযমের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় বাড়ছে৷ গত শনিবার ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়ে ইরান এখনো পর্যন্ত পালটা হামলা থেকে রেহাই পেলেও আন্তর্জাতিক স্তরে আরও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ এড়াতে পারছে না সে দেশ৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা বুধবার ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ এর ফলে সে দেশের ড্রোন ও মিসাইল কোম্পানিগুলোর কার্যকলাপ চাপের মুখে পড়বে৷ শিল্পোন্নত দেশগুলোর গোষ্ঠী জি-সেভেনও ইরানের অস্ত্র সরবরাহকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর প্রস্তাব বিবেচনা করছে৷ Ad ইরানের হামলার নিন্দা করে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থনের অঙ্গীকার জানিয়ে ইইউ নেতারা সব পক্ষের উদ্দেশ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন৷ জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস বলেন, ইরানের ওপর বড় আকারে ইসরায়েলের পালটা হামলা না চালানো জরুরি৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসরায়েলের সংযমের আশা করছে৷ তবে বিশ্ববাজারে পেট্রোলিয়ামের মূল্য স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে আপাতত ইরানের তেল রপ্তানির পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে না পশ্চিমা দেশগুলো৷ সেটা করলে চীনও রুষ্ট হতে পারে৷ শুধু ইসরায়েলের ওপর হামলার কারণে নয়, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে ইরান যেভাবে হামলাকারী দেশ হিসেবে রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে চলেছে, ইইউ তার পথে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে৷ একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে সেই প্রবণতা মোকাবিলার চেষ্টা চলছে৷ এবার সেগুলোর আওতা বাড়িয়ে মিসাইল সরবরাহ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘প্রক্সি’ শক্তিগুলোকেও শাস্তিমূলক পদক্ষেপের আওতায় আনতে চাইছে ইইউ৷ তবে ইরানের শক্তিশালী রেভোলিউশনরি গার্ড কর্পস বাহিনীকে ইইউ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার উদ্যোগ আইনি জটিলতার কারণে এখনো সফল হচ্ছে না৷ কোনো ইইউ সদস্য রাষ্ট্র সেই বাহিনীর সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার প্রমাণ পেলে তবেই সেটা সম্ভব হবে বলে শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করছেন৷

স্পিকার থাকছেন শিরীন শারমিনই, ডেপুটি টুকু

স্পিকার থাকছেন শিরীন শারমিনই, ডেপুটি টুকু দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ। এর ফলে টানা চতুর্থবারের মত সংসদ নেতা নির্বাচিত হলেন তিনি। শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বাদশ সংসদেও উপনেতা হিসেবে থাকছেন মতিয়া চৌধুরী। সেই সঙ্গে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদও ঠিক করা হয়েছে। বুধবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে নতুন সংসদেও স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করবে আওয়ামী লীগ। আর শামসুল হক টুকুই ডেপুটি স্পিকার হিসেবে থাকবেন। আর একাদশ সংসদের চিফ হুইপ নূর- ই- আলম চৌধুরী দ্বাদশেও একই দায়িত্ব সামলাবেন। সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের বিষয়টি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে জানাবে আওয়ামী লীগ। এরপর রাষ্ট্রপতি আহ্বান জানালে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে নতুন সরকার গঠন করবেন শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শপথ নেবে তার নতুন মন্ত্রিসভা। বুধবার সকাল ১০টা শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজে শপথ নেন। পরে আওয়ামী লীগের ২২২ জন সংসদ সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করান তিনি। বেলা ১১টায় শপথ পড়ান ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যকে। গত ৭ জানুয়ারি ২৯৯ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৮ আসনের ফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২৩ আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ লাভ করেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মিত্র জাতীয় পার্টি ১১ এবং মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদ ২টি আসন, আশির্বাদপুষ্ট কল্যাণ পার্টি ১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্রসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

বিশ্বকাপ শেষ হতেই মহম্মদ শামির তোপ: পাকিস্তানের সহ্য হয় না আমাদের সাফল্য

বিশ্বকাপ শেষ হতেই মহম্মদ শামির তোপ: পাকিস্তানের সহ্য হয় না আমাদের সাফল্য বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক মহম্মদ শামি। ২৪টি উইকেট তাঁর ঝুলিতে। ভারতে
র বিশ্বকাপ ইতিহাসেও তিনি সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। কিন্তু মাইলফলক নিয়ে কখনও ভাবেন না। An image of Mohammed Shami চর্চায়: রেকর্ড নিয়ে কখনওই ভাবেন না শামি। দল যে দায়িত্ব দেয় সেটাই পূরণ করার চেষ্টা করেন। —ফাইল চিত্র। বাইশ গজে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মহম্মদ শামি এখনও আগুন ঝড়িয়ে চলেছেন। মাঠের ভেতরে নয়, মাঠের বাইরে। Advertisement বিশ্বকাপে ভারতীয় পেসারদের সাফল্য দেখে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার হাসান রাজ়া মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ভারতকে আলাদা বল দেওয়া হচ্ছে।’’ কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম একটি টিভি শো-এ বিষয়টি বোঝানোর পরেও থামেননি হাসান। যা নিয়ে এ দিন এক সাক্ষাৎকারে তীব্র প্রতিবাদ করেন মহম্মদ শামি। তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বকাপের প্রথম চার ম্যাচে আমি খেলিনি। কিন্তু খেলা শুরু করার পরে প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেট পাই। পরের ম্যাচে পাই চার উইকেট। তৃতীয় ম্যাচে আবার পাঁচ উইকেট। এই বোলিং দেখে পাকিস্তানের একজন মন্তব্য করেছিলেন, আমাদের নাকি আলাদা বল দেওয়া হচ্ছে। ওয়াসিম (আক্রম) ভাই টিভি শো-এ বুঝিয়েছিলেন, দু’দলের বোলাররা একটি বাক্স থেকে বল বেছে নেয়। তার পরেও সেই ব্যক্তি কটু মন্তব্য করতে ছাড়েননি।’’ যোগ করেন, ‘‘আমার তো মনে হয় ওরা মানতেই পারে না ওদের চেয়েও কেউ ভাল কিছু করতে পারে। আমাদের সাফল্য সহ্যই হয় না ওদের। মানতাম যদি সে সাধারণ মানুষ হত। কিন্তু সেও তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। তার পরেও এ রকম মন্তব্য করলে সকলে তো হাসবেই।’’ Advertisement বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক তিনি। ২৪টি উইকেট তাঁর ঝুলিতে। ভারতের বিশ্বকাপ ইতিহাসেও তিনি সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। কিন্তু মাইলফলক নিয়ে কখনও ভাবেন না। তাঁর মতো টিমম্যান খুব কমই দেখা যায়। বিশ্বকাপের প্রথম চারটি ম্যাচে সুযোগ না পেয়েও কোনও আক্ষেপ নেই। নিজের মাইলফলক নিয়ে শামি বলেন, ‘‘সমাজমাধ্যম দেখার পরে বুঝতে পারি যে নজির গড়েছি। না হলে রেকর্ড নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা থাকে না। দল যে দায়িত্ব দেয়, সেটা পূরণ করার চেষ্টা করি। দলের কেউই কখনও পরিসংখ্যান দেখে খেলে না। আমরা সবাই দায়িত্ব পালন করার জন্য খেলি। কারণ, ক্রিকেটে ব্যক্তির আগে সব সময় এগিয়ে থাকবে দল।’’ Advertisement ম্যাচের আগে কখনও পিচ দেখেন না শামি। কারণ, বল না করলে তিনি বোঝেন না, পিচ কী রকম আচরণ করবে। ভারতীয় তারকার কথায়, ‘‘সাধারণত মাঠে গিয়েই বোলাররা আগে পিচ দেখে। আমি কখনও পিচ দেখি না। কারণ, বল করার আগে বোঝাও যায় না পিচ কেমন আচরণ করবে। আমি শুধু শুধু কেন পিচ দেখে নিজের উপরে চাপ সৃষ্টি করব? তাই একদম চাপমুক্ত থাকা উচিত। উত্তেজিত হয়ে কোনও লাভ নেই। তবেই ভাল খেলা সম্ভব।’’ টানা চার ম্যাচ বাইরে থাকার পরে কী ভাবে ফিরে এলেন তিনি? শামির উত্তর, ‘‘শুরুতে বলা হয়েছিল আমি প্রত্যেকটি ম্যাচ খেলব। কিন্তু দু’টো ম্যাচ গেল, তিনটি ম্যাচ গেল, চারটি ম্যাচের পরেও সুযোগ পাচ্ছিলাম না। চার ম্যাচ দলের বাইরে যে কেউ থাকতে পারে। কিন্তু হতাশ হয়ে গেলে তো ফিরে আসার শক্তিটা থাকবে না। মানসিক ভাবে শক্তিশালী হতে হবে। আমি তাই চেষ্টা করেছি। দল যখন ভাল খেলছিল, আমার মধ্যেও ভাল কিছু করার তাগিদ বেড়েছিল। অদ্ভুত তৃপ্তি হত সকলকে ভাল খেলতে দেখে।’’ Advertisement বিরিয়ানি এক সময় ছিল তাঁর প্রিয়। কেকেআরে থাকাকালীন লোভ সামলাতে পারতেন না। শামি বলছিলেন, ‘‘আমি খেতে প্রচণ্ড ভালবাসি। বিরিয়ানির সঙ্গে অনেকেই আমার নামটা জড়িয়ে ফেলেছেন। আসলে কলকাতা নাইট রাইডার্সে যখন খেলতাম, তখন প্রায় বেশির ভাগ দিনই বিরিয়ানি খেতাম। সামনেই ছিল আরসালান। কে ছাড়তে পারে বলুন তো? আমরা বাইপাসের ধারে একটা হোটেলে থাকতাম। পাশেই বিরিয়ানির বড় সেই দোকান। মালিক আমার বন্ধু ছিল। এমনও হত, না চাইলেও বিরিয়ানি পাঠিয়ে দিত। সেটা চেখে দেখতাম। আসলে চার-পাঁচ জন যারা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতাম, তাদের একটা গ্রুপ ছিল। সবাই মিলে ওই এক প্লেট বিরিয়ানি হয়তো খাওয়া হল। উৎসবের দিনে সকলে এক প্লেট করেই বিরিয়ানি খেত।’’

অস্ত্র হাতে রাতের অন্ধকারে নয়, সরকার গঠন হবে ভোটে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অস্ত্র হাতে রাতের অন্ধকারে নয়, সরকার গঠন করা হবে ভোটের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সব সময় লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। ভোটের মধ্য দিয়েই সরকার গঠন হবে, অস্ত্র হাতে না, রাতের অন্ধকারে না।’ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনি আইন বিভিন্ন সংস্কার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব— এ স্লোগান দিয়ে মানুষকে আমরা ভোট নিয়ে সচেতন করি। ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করি। যে ক্ষমতা সেনানিবাসে বন্দি ছিল সেটা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি আমরা।’ টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নের পরিকল্পনা তৃণমূলের মানুষকে লক্ষ্য রেখেই করা। শুধুমাত্র মুষ্টিমেয় লোক লাভবান হবে— যা ক্ষমতায় আসলে স্বৈরশাসকেরা করত, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে কিছু এলিট শ্রেণি তৈরি করত, হাতে সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য, ধন-সম্পদ তুলে দিয়ে, তাদের ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করত, আমাদের সেটা ছিল না। আমাদের লক্ষ্য ছিল জনগণের ক্ষমতায়ন। তৃণমূলের মানুষ যাতে ক্ষমতা পায় তা নিশ্চিত করা।’ নির্বাচন যথাসময়ে হবে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপির জনগণের ভোটে আস্থা নেই। এটা তাদের বিষয়। আমরা সংবিধান মেনে ভোট করব। বিএনপির নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ দলের নেতাই নেই। খালেদা জিয়াও নির্বাচন করতে পারবেন না, তারেক জিয়াও পারবেন না। তারা দুজনই দণ্ডিত আসামি। তাদের নির্দেশে বিএনপি কেন নির্বাচন বানচালে সন্ত্রাস করছে? শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নির্বাচন করতে না চাইলে না করুক। সন্ত্রাস করছে কেন? বিএনপি নেতাকর্মীরা অগ্নিসন্ত্রাস করছে। বাস পোড়াচ্ছে, মানুষ পোড়াচ্ছে। তাদের ওপর মানুষের অভিশাপ। দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা অগ্নিসন্ত্রাস করছে তাদের ধরিয়ে দিন। জনগণ সচেতন হলে তারা অগ্নিসন্ত্রাসের সাহস পাবে না।

‘টাইম ইজ ওভার’: ইসরাইলকে ইরানের হুঁশিয়ারি

আরও একবার ইসরাইলি আগ্রাসনের চরম রূপ দেখল বিশ্ব। গাজার আল-আহলি আরব হাসপাতালে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একদিনেই অন্তত ৫০০ মানুষ নিহত হয়েছেন, যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ হামলার ঘটনায় ইসরাইলকে উদ্দেশ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। গাজায় ‘গণহত্যা’ চালানোয় ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের (ফাইল ছবি) আল-আহলি হাসপাতালে নারী-শিশুসহ নিরপরাধ মানুষের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। খবর আল জাজিরার। আরও পড়ুন: গাজায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, বিশ্বজুড়ে তোপের মুখে ইসরাইল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘হাসপাতালে এক হাজারেরও বেশি নিরপরাধ নারী-শিশুর ওপর বোমাবর্ষণ ও গণহত্যার মধ্যদিয়ে ইহুদি রাষ্ট্রটি (ইসরাইল) ভয়ংকর অপরাধ করেছে। ভুয়া এই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্ব মানবতার ঐক্য গড়ে তোলার সময় এসেছে, যারা জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এবং এর হত্যাযন্ত্রের চেয়েও ঘৃণ্য।’ ইসরাইলকে সতর্ক করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘টাইম ইজ ওভার!’ বা ‘সময় শেষ!’ মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাতে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আল-আহলি আরব হাসপাতালে বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি সেনারা। এতে অন্তত পাঁচ শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়েছেন অনেকে। পাশাপাশি আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: গাজার হাসপাতালে ইসরাইলের বিমান হামলা, নিহত ৫০০ সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, ইসরাইলি হামলা থেকে বাঁচতে গাজার বহু বাসিন্দা ওই হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এছাড়া আগে থেকেই সেখানে ভর্তি ছিলেন ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আহত শত শত রোগী।

হামাসের সুড়ঙ্গ যেন রূপকথার কোনো কাল্পনিক নগরী

অবরুদ্ধ শহর গাজার মাটির নিচে যেন আরেক জগত। ওপরে যতটা, নিচেও যেন ঠিক ততোটাই। পুরো গাজার নিচে মাকড়শার জালের মতো ছড়িয়ে আছে হামাসের এই সুড়ঙ্গ, যা ইসরাইলি বাহিনীর জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। Advertisement বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার হিসেবে পরিচিত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার একপাশে ইসরাইলের সীমান্ত, অন্য পাশে মিশর আর ভূমধ্যসাগর। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে গাজার যোগাযোগের জন্য বলা যায় একমাত্র পথ এই টানেলগুলো। ২০০৭ সালে হামাস প্রথম সুড়ঙ্গটি নির্মাণ করে গাজা উপত্যকা ও মিশরের মাঝামাঝি অংশে। মূলত ইসরাইলের অবরোধ এড়িয়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্য ভোগ্যপণ্য সরবরাহ সুড়ঙ্গটি নির্মাণের মূল লক্ষ্য ছিল। এ ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ২০১৩ সালে ইসরাইলমুখী সুড়ঙ্গ তৈরি শুরু করে হামাস। সেই সময় ইসরাইল-গাজা সীমান্তে কমপক্ষে তিনটি সুড়ঙ্গ নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে দুটি সুড়ঙ্গ বিস্ফোরকে বোঝাই ছিল। ইসরাইল ও মিসর নিয়মিত এই সুড়ঙ্গপথ ধ্বংসের চেষ্টা চালালেও এখনো এর বেশিরভাগ অংশ অক্ষত রয়েছে বলে জানান একজন ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্লেষক। সিএসআইএসের বিশ্লেষক ড্যানিয়েল বাইম্যান বলেন, 'হামাস ইরান থেকে সুড়ঙ্গপথে গাজায় অস্ত্র নিয়ে আসে। এর মধ্যে দূরপাল্লার অস্ত্রও থাকে।' বিশ্লেষক চার্লস লিসটার বলেছেন, 'ইরান হামাসকে সমুদ্রপথে আরও আধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায়। এ ছাড়া গাজায় অস্ত্র উৎপাদনের জন্য উপকরণও পাঠায় তারা।' হামাসসহ গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সময়ে সুড়ঙ্গে তাদের সংগৃহীত ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, গোলাবারুদ লুকিয়ে রাখে। যোদ্ধাদের গোপন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয় সেগুলো। এমনকি সমরাস্ত্র তৈরির কারখানাও রয়েছে এসব টানেলে। আরও পড়ুন: হামাসকে ইসরাইলের কঠিন শর্ত বলা হচ্ছে, ইসরায়েলে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে এসব টানেল। এমনকি আটক ইসরায়েলিদের বন্দি করে রাখা হয়েছে এখানেই।