Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » রবিবার মহিলা বিশ্বকাপের ভারত-ইংল্যান্ড ফাইনাল





 রবিবার  মহিলা বিশ্বকাপের  ভারত-ইংল্যান্ড ফাইনাল

  গতবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৩৬ রানে হারিয়ে মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল ভারত।
বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে ভারতীয় মহিলা দল ৪ উইকেটে ৪২ ওভারে ২৮১ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরুতে পর পর উইকেট হারিয়েও দারুণ লড়াই করে ৪০.১ ওভারে ২৪৫ রানে অল-আউট হয়। রবিবার ফাইনালে ভারত খেলবে আয়োজক দেশ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

  রবিবার  মহিলা বিশ্বকাপের  ভারত-ইংল্যান্ড ফাইনাল
ম্যাচের সেরা হরমনপ্রীত কাউর। তিনি একাই ১৭১ রানে অপরাজিত থাকেন। একদিনের ক্রিকেটে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি। মাত্র ৯০ বলে শতরান পূর্ণ করেন হরমনপ্রীত। ১০৭ বলে তিনি করেন ১৫০ রান। শেষ পর্যন্ত হরমনপ্রীত ১১৫ বলে ২০টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে ১৭১ রানে অপরাজিত থাকেন। বল হাতে নজর কেড়েছেন বাংলার মেয়ে ঝুলন গোস্বামী। তিনি দিনের অন্যতম সেরা ডেলিভারিতে ফেরান ল্যানিংকে (০)। ঝুলন ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট। তিনটি উইকেট নিয়েছেন দীপ্তি শর্মা। অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই তিনটি উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল। চতুর্থ উইকেটে পেরি (৩৮) ও ভিলানি (৭৫) অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন। ব্ল্যাকওয়েল শেষ দিকে ঝোড়ো ব্যাটিং করে ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি ৫৬ বলে ৯০ রানে দীপ্তি শর্মার বলে বোল্ড হতেই জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন মিতালিরা।
বীরেন্দ্র সেওয়াগের ভক্ত হরমনপ্রীত। বীরুর স্টাইলেই এদিন অজি বোলারদের তুলোধনা করেছেন তিনি। তবে ভারতের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের বেশ কয়েক ঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়।
হরমনপ্রীত কাউরের ইনিংস গোটা ক্রিকেট দুনিয়াকে মুগ্ধ করেছে। তবে ভারতীয় দলের ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা মাত্র ৬ রানে আউট হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে পুনম রাউতকে সঙ্গে নিয়ে ক্যাপ্টেন মিতালি রাজ অজি মেয়েদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেটে তাঁরা তোলেন ২৯ রান। পুনম রাউত ১৪ রানে আউট হওয়ার পর দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মিতালি। এবারের বিশ্বকাপে তিনি দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন। গত ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১০৯ রান করেছিলেন তিনি। তাই মিতালিকে ঘিরে এদিনও প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। মিতালি শুরুটা খুব খারাপ করেননি। ধীরে ধীরে দলকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন হরমনপ্রীত। তৃতীয় উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ৬৬ রান। মিতালি ৩৬ রানে বোল্ড হওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন পাঞ্জাবের মোগা জেলার ২৮ বছরের হরমনপ্রীত। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর দ্রুত গতিতে রান তোলেন তিনি। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে অজি মেয়েদের যাবতীয় প্রতিরোধ ভেঙে চুরমার করে দেন হরমনপ্রীত। সাহসী ইনিংস খেলতে তাঁকে সাহায্য করেছেন দীপ্তি শর্মা। তাঁরা ১৩.৪ ওভারে ১৩৭ রান যোগ করেন। দীপ্তি ২৫ রানে আউট হন। ১০ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন বেদা কৃষ্ণমূর্তি। ম্যাচ শেষে হরমনপ্রীত বলেন, ‘চোটের জন্য ফিল্ডিং করতে পারিনি। আশা করছি ফাইনালে খেলতে পারব।’
 






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post