Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদানে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত




৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদানে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত

  দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য দেশের বৃহৎ যুব নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়েছে মাইক্রোসফট।
ইয়াং বাংলা নামের যুব নেটওয়ার্ক দেশের প্রায় ২ হাজার ১শ’ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থীকে ‘মাইক্রোসফট ডিজিটাল লিটারেসি’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।
ইয়াং বাংলার সচিবালয় হিসেবে কাজ করা সেন্টার ফর রিসার্স এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর সহকারি সমন্বয়কারী তন্ময় আহমেদ বলেন, আমরা মার্চ এবং জুন মাসে ৮৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি।
তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে অবশিষ্ট স্কুল ও কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের একইভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
মাইক্রোসফটের সহায়তায় সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইয়াং বাংলার স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ স্কিমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারে প্রাথমিক ধারণা, অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়ার সমস্যা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।
মাইক্রোসফট্ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির বলেন, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আইসিটি খাতের ভবিষ্যতে সুযোগ রয়েছে, তাই আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে আইসিটি শিক্ষা এগিয়ে নিতে চাই।
তিনি বলেন, মাইক্রোসফট বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার অবদান রাখতে আগ্রহী।
শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এই স্কিমের প্রতি তাদের আগ্রহ দেখিয়ে বলেছে, এটি তাদের কম্পিউটার ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান অর্জনে ব্যাপকভাবে সহায়ক হবে।
পলাশবাড়ি এসএম পাইলট মডেল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র শামিমুল ইসলাম বলেন, ‘যতক্ষণ আমি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেইনি ততক্ষণ কম্পিউটার চালনা ছিল আমার জন্য চ্যালেঞ্জ। এই প্রশিক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহারে আমাকে আস্থাশীল করেছে।’
বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা আরো ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য একই ধরনের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এর ফলে আইটিতে দক্ষ অনেক শিক্ষক পাওয়া যাবে, যা দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত নয়।
গাইবান্ধা আসাদুজ্জামান গার্লস হাইস্কুলের অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী ‘প্রশিক্ষণ মডিউল এবং প্রশিক্ষকদের গুণগত মান নির্দেশ করে বলেন, ‘এই ধরনের প্রকল্প সত্যিই আইটি বিষয় শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভিত্তি এগিয়ে নেবে।’
২০১৮ সাল নাগাদ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ২০ হাজার দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরিও এই কার্যক্রমের লক্ষ্য। এতে তারা আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post