চা-বিরতিতে দুই দলের সেরা পারফরমারের ছবি আলাদাভাবে দেখানো হলো। মাত্র সেঞ্চুরি করা ডিন এলগারই দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা। আর বাংলাদেশের? মাহমুদউল্লাহ! দুই ওভার বল করে ১৩ রান দিয়েই সেরা হয়ে গেছেন এই অলরাউন্ডার। কারণ, দলের সব বোলার যখন উইকেটশূন্য থাকেন, তখন যে সবচেয়ে কম রান দেওয়া বোলারকেই বেছে নেওয়া হয়। এমনই হতাশার এক দিন পার করছে বাংলাদেশ! চা-বিরতির আগ পর্যন্ত ১ উইকেটে ১৯৮ রান তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বাংলাদেশি বোলারদের এমন পারফরম্যান্সের পরও যে একটা উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক দল, এর পুরো কৃতিত্ব এলগারের। ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে দ্রুত এক রান নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে রান নেওয়া সম্ভব নয় বলে যখন মানা করে দিলেন, ততক্ষণে বড় দেরি হয়ে গেছে। নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তে সময়মতো পৌঁছাতে পারলেন না এইডান মার্করাম। অভিষেকে ৯৭ রানে রান আউট হওয়ার ‘অনন্য’ এক অভিজ্ঞতা হয়ে ফিরলেন প্রোটিয়া ওপেনার। তবে এর চেয়েও মজার ব্যাপার, অভিষেকেই নার্ভাস নাইন্টিজে রান আউট হওয়ার তৃতীয় ঘটনা এটি। পাকিস্তানের আবদুল কাদির ৯৫ রানে রান আউট হয়েছিলেন ১৯৬৪ সালে। আর এর ১০ বছর পর কিংবদন্তি গর্ডন গ্রিনিজও তাঁর অভিষেকে রান আউট হয়েছিলেন ৯৩ রানে।
এভাবে ইতিহাসের অংশ না হলে প্রায় হারিয়ে বসা এক স্বাদ পেত বাংলাদেশ। টেস্ট আঙিনায় পা রাখার পর প্রথম তিন বছরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ব্যাটসম্যান অভিষেকেই সেঞ্চুরি পেয়েছেন। ২০০৩ সালের পর থেকেই এমন অভিজ্ঞতা পায়নি বাংলাদেশ। তিন রানের জন্য মার্করাম পারলেন না ১৪ বছরের সে ‘অপেক্ষা’ ফুরাতে।
মার্করাম সেঞ্চুরি না পেলেও মধ্যাহ্নবিরতির আগের ওভারেই নিজের নবম সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন এলগার (১০১*)। টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল প্রমাণ করে চলেছেন বাংলাদেশের বোলাররা।