
থাইল্যান্ডের পাহাড়ি গুহায় উদ্ধারকাজে গিয়ে প্রাণ হারান সাবেক ডুবুরি সামান কুনান। আটকে পড়াদের কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে ৬ জুলাই মৃত্যু হয় তার। এই আত্মত্যাগকে গর্বের সঙ্গেই দেখছে তাঁর শোকসন্তপ্ত স্বজনরা।
থাই নৌবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছিলেন সামান কুনান। ছিলেন ডুবুরি। তাই ১২ খুদে ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে, বসে থাকতে পারেননি। উদ্ধারকাজে অংশ নেন স্বেচ্ছাসেবী হয়ে।
টানা বৃষ্টি হতে থাকায়, পানি বাড়ছিলো পাহাড়ি গুহাটিতে। প্লাবনের সে বাধা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নেন ৩৮ বছর বয়সী কুনান। আটকে পড়াদের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছেও দেন। কিন্তু কাল হয়ে দাঁড়ায় ফিরে আসার সরু গলিপথ।
থাইল্যান্ডের চিয়াং রাই প্রদেশ ডেপুটি গভর্নর প্যাসাকর্ন বুনিয়ালক বলেন, তাঁর কাজ ছিলো অক্সিজেন সিলিন্ডার আনা-নেয়া করা। ফেরার পথে তাঁর নিজের অক্সিজেন ফুরিয়ে যায়। অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে থাকা আরেক ডুবুরি সবরকম চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাঁর জ্ঞান ফিরিয়ে আনা যায়নি।
থাই নেভি সিল কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আর্পাকর্ন বলেন, এ ঘটনা আমাদের জন্য কতটা যে দুঃখের, তা ভাষায় প্রকাশ করার নয়। কিন্তু, আমরা দমে যাইনি। যদি ভেঙ্গে পড়তাম তাহলে উদ্ধারকাজ সফল করা যেতো না। আর তখন কুনানের এই আত্মত্যাগ বৃথা যেতো।
সামান কুনানের মৃত্যুতে নেমে আসে শোকের ছায়া। এই শোক শক্তি হয়ে ওঠে অন্য ডুবুরিদের কাছে। গতি পায় উদ্ধার অভিযান আসে সফলতা। আত্মত্যাগী কুনান, এখন থাইল্যান্ডের মানুষের কাছে জাতীয় বীর।
কুনানকে জাতীয় বীর হিসেবে দেখছে থাইল্যান্ড
Tag: world
No comments: