sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় ভারত



 ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে আটটি দেশকে আমেরিকা ছ’মাসের ছাড় দিয়েছিল এবং সেই দেশগুলির মধ্যে ভারতও ছিল। এই এপ্রিলে সেই সময়সীমা শেষ হলে ছাড়ের মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা নেই৷ শনিবার আমেরিকা সেটাই স্পষ্টওই জানিয়ে দিল৷ ইরানের রোজগারের পথ বন্ধ করতে এব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।




মার্কিন বিদেশ দফতরে ইরান সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক শনিবার জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছে ইরান। তাদের রোজগারের ৮০ শতাংশই আসে তেল রফতানি থেকে আর সেই রোজগারের পথটাই বন্ধ করতে চায়। দীর্ঘ দিন ধরেই আমেরিকার অভিযোগ করে আসছে – সন্ত্রাসবাদে আর্থিক মদত জোগাচ্ছে ইরান। সেটা বন্ধ করতেই তেল থেকে ইরানের রোজগারে ধাক্কা দিতে চায় ওয়াশিংটন। যদিও সূত্রের খবর, ভারত-সহ তেল আমদানিকারী আটটি দেশ তেল কিনলেও গত তিন মাসে ইরানের রফতানি রীতিমতো কমে গিয়েছে।

ওপেক এবং তাদের সহযোগী দেশগুলি আগেই জানিয়ে দিয়েছে, জানুয়ারি থেকে অশোধিত তেলের উৎপাদন দৈনিক ১২ লক্ষ ব্যারেল কমাবে। সেই মতো তেল রফতানি কমানোর কথা ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। এরফলে চলতি মাসেই তা দৈনিক ১০% কমিয়ে ৭২ লক্ষ ব্যারেলে নামিয়ে আনা হবে। তাছাড়া ফেব্রুয়ারিতে আরও ১ লক্ষ ব্যারেল তেলের সরবরাহ কমানো পরিকল্পনা নিয়েছে।

আপাতত দেওয়া মার্কিন ছ’মাসের সময়সীমা শেষ হতে এখন সাড়ে তিন মাস বাকি। কিন্তু বাস্তবেই যদি ট্রাম্প এহেন নীতি নিয়ে চলেন, তা হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের জোগানের জোড়া চাপের মুখে পড়তে হবে ভারতকে। সে ক্ষেত্রে জ্বালানির দামও আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নতুন উপায় খুঁজতে হবে দিল্লিকে। কারণ সামনেই লোকসভা নির্বাচন – ভোটের সময় তেলের দাম বাড়লে অপ্রিয় পরিস্থিতি হবে৷ আর সেটাই এড়াতে চাইবে বর্তমান শাসক দল৷

প্রসঙ্গত, গত দু’মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছিল প্রায় ৪০%। ব্যারেল প্রতি অশোধিত তেলের দাম নেমে গিয়েছিল ৫০ ডলারে। কিন্তু তা ফের বাড়তে শুরু করে ছুঁয়ে ফেলেছে ৬০ ডলার

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply