sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » পতাকা অবমাননায় জেল-জরিমানার বিধান রেখে সংশোধন হচ্ছে আইন




ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় পতাকার অবমাননা করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হবে। জাতীয় শোকদিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং সরকার ঘোষিত দিবস ছাড়া পতাকা অর্ধনমিত রাখা যাবে না। এ ছাড়া জাতীয় দিবস উদযাপন ছাড়া অন্য কোনো সময়ে সাধারণ মানুষ গাড়িতে পতাকা টানাতে পারবে না। এমন বিধান রেখে বাংলাদেশ পতাকা আইন-১৯৭২ সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে এ আইন সংশোধনের খসড়া তৈরি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শিগগির এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) সচিব শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, জাতীয় পতাকার ওপর মানুষের আরও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য আইনটি সংশোধন করা হচ্ছে। সংশোধিত আইনে জাতীয় পতাকা অবমাননার জন্য শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধীরা অনেক সময় ইচ্ছা করে জাতীয় পতাকার অবমাননা করে থাকে। বিদ্যমান আইনে এ ব্যাপারে কোনো বিধান না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। মুজিবুর রহমান বলেন, কেউ নিজের অজান্তে পতাকার অবমাননা করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে না। সতর্ক করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া পতাকার সঠিক ব্যবহারে জনগণকে সচেতন করতে প্রচারণাও চালানো হবে। জানা গেছে, ১৯৭২ সালের আইন অনুযায়ী সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতীয় পতাকার ব্যবহার করে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সাধারণ মানুষের মধ্যে পতাকার ব্যবহার বেড়ে যায়। ভালোবাসার টানে এবং মনের আনন্দে এ সময় মানুষ পতাকা ব্যবহার করলেও তাদের অজান্তেই অবমাননা হয়ে যায়। অনেকে জাতীয় পতাকার স্টিকার হাতে-পায়ে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করে। এটা এক ধরনের অবমাননা। বিদ্যমান আইনে পতাকার সঠিক ব্যবহারে মানুষকে সচেতন করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারণার কোনো বিধান না থাকায় এ ধরনের ঘটনা বেড়ে যায়। প্রস্তাবিত আইনে পতাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য প্রচারণার বিধান রাখা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে পতাকা অবমাননার শাস্তির বিধান না থাকায় অনেকে ইচ্ছা করেও পতাকার অবমাননা করছে। সম্প্রতি ইচ্ছা করে পতাকা অবমাননার হার বেড়ে গেছে। গত কয়েক বছর দেখা গেছে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পতাকা অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। পতাকাকে মাঝখান থেকে ছিঁড়ে দুইভাগ করে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করার ঘটনাও ঘটছে। আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দু'গ্রুপের সংঘর্ষে পতাকা পদপিষ্ট হচ্ছে। পতাকায় আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বিদ্যমান আইনে পতাকা অবমাননায় শাস্তির বিধান না থাকায় এ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার। তাই এসব ঘটনা কমাতে প্রস্তাবিত আইনে শাস্তির বিধান রাখার প্রস্তাব করা হচ্ছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কেউ ইচ্ছা করে পতাকার অবমাননা করেছে বলে উপজেলা বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতীয়মান হলে তিনি তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রস্তাবিত আইনে পতাকা অর্ধনমিত রাখার সংজ্ঞা স্পষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান আইনে পতাকা অর্ধনমিত রাখার সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকায় বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে পতাকা অর্ধনমিত রাখে। কিন্তু নতুন আইনে অর্ধনমিত বলতে খুঁটির অর্ধেকে পতাকা ওড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে। এই আইনে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভবনের ওপর পতাকা ওড়ানোর দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের ওপর অর্পণ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে পতাকা ওঠাবে ও নামাবে। অবশ্য এখনও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই এ দায়িত্ব পালন করে। সরকারের মৌখিক নির্দেশে তারা এ দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিদ্যমান আইনে এমন কোনো বিধান নেই। তাই সংশোধনীতে এই বিধান সংযোজন করা হচ্ছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply