হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে আইনে স্বাক্ষর ট্রাম্পের
-109
হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের সমর্থন করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি প্রস্তাবকে আইন হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।
চীনের অন্যান্য এলাকা থেকে হংকং যেন আলাদা স্বায়ত্তশাসন উপভোগ করে তা নিশ্চিত করতে হংকংয়ের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র বিষয়ক আইনের বার্ষিক একটি পর্যালোচনা করা হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন দেশটির প্রধানকর্তা শি জিনপিং চীন ও সেদেশের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে এই আইন পাস করেছেন। আর এ আইনে ট্রাম্প এমন এক সময় স্বাক্ষর করলেন যখন ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনের আশা করছিল। খবর এএফপির।
তবে এর প্রতিক্রিয়ায় হংকংয়ের সরকার বলেছে যে, তারা এই আইনটি পরিস্থিতি সহজ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করেনি এবং সেখানকার মানুষের কাছে ভুল বার্তা পাঠিয়েছে।
এই আইন বেইজিংকেও ক্ষুব্ধ করবে হংকংয়ের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যেন মাথা না ঘামায়, আগেই এমন অনুরোধ করেছিল চীনের কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে তারা বেইজিংয়ের মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে। সেসময় রাষ্ট্রদূতকে তারা সতর্ক করে যে হংকং বিষয়ে প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হলে যুক্তরাষ্ট্র এর ‘পরিণাম ভোগ করবে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চীনের সাথে চুক্তি করতে আগ্রহী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে এ বিলটির এত ব্যাপক সমর্থন ছিল যে ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ওই প্রস্তাবের বিরোধিতাও করতেন, তাহলেও এটি আইন হিসেবে পাস হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
ট্রাম্প এর পাশাপাশি আরেকটি বিলও পাস করেছেন, যা হংকংয়ের পুলিশের কাছে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও স্টান গানের মত অস্ত্র - যেগুলো মিছিল বা ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয় - রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে।
কী আছে আইনে?
এ বছরের জুনে হংকংয়ের বিক্ষোভের শুরুর দিকে এই প্রস্তাবটি মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হয় এবং গত মাসে বিশাল ব্যবধানে কংগ্রেস এটিকে অনুমোদন দেয়।
আইনে বলা আছে: ‘হংকং চীনের অংশ হলেও তাদের স্বতন্ত্র আইনি ও অর্থনৈতিক নিয়মাবলী আছে। বার্ষিক পর্যালোচনায় যাচাই করা হবে যে হংকংয়ের আইনকে খর্ব করে চীন সেখানকার বেসামরিক স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন ক্ষুণ্ণ করছে কি না।’
হংকং যেন তাদের বিশেষ বাণিজ্য মর্যাদা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে যথেষ্ট পরিমাণ স্বায়ত্বশাসন উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হংকংয়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
Tag: world

No comments: