Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভিন্নমাত্রায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন




করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিশ্ব পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি ভিন্নমাত্রায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জাতীয় উদযাপন কমিটি। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিবর্তে ভিন্নমাত্রায় একটি অনুষ্ঠান ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছে কমিটির নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠান উদযাপনের জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরকে আহ্বায়ক করে গঠিত অনুষ্ঠান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানান, দেশে বিদেশে ক্ষণগণনা শুরু হওয়ার পর সমগ্র জাতির মাঝে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সম্পর্কে উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছিলো। জনগণের সম্পৃক্ততার আগ্রহকে বিবেচনায় রেখে পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভিন্নমাত্রায় পরিবেশিত হবে। ১৭ মার্চ বর্ণাঢ্য আয়োজনের পরিকল্পনা ঠিক রেখে ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি দেড়-দুই ঘন্টা ব্যাপ্তির ধারণকৃত অথবা লাইভ প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশবিদেশে প্রচার করা হবে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন তিনি বলেন, উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির বাণী, জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার বক্তব্য, কবিতা পাঠ থাকবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিবসটি জাতীয় শিশু দিবস বলে শত শিশুর কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীতের পরিবেশনা থাকবে। শত শিল্পীর পরিবেশনায় যন্ত্রসংগীত, মুজিববর্ষের থিমসং, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মকে তুলে ধরে একটি থিয়েট্রিকাল পারফর্মেন্স ও বিশ্বখ্যাত কোরিওগ্রাফার আকরাম খানের পরিবেশনা থাকবে। অনুষ্ঠান প্রচারের সময় পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। এছাড়াও রাত ৮টায় বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণ আতশবাজির মাধ্যমে স্মরণের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। দিবসটি স্মরণে আলোকসজ্জা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে সীমিত আকারে আনন্দ অনুষ্ঠান এবং মিষ্টান্ন বিতরণও করা হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (এ্যাটকো) এর সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply