রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গত কয়েকদিনে মোট পাঁচজন চিকিৎসক করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁরা সবাই নিজ নিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ রোববার বিকেলে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া এনটিভি অনলাইনকে এই তথ্য জানান।
উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘আমার হাসপাতালে এখনো পর্যন্ত মোট পাঁচজন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন মেডিসিন বিভাগের, বহির্বিভাগের একজন, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের একজন এবং শিশু বিভাগের একজন চিকিৎসক রয়েছেন।’
উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘তিন দিন আগে দুজন চিকিৎসকের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়। গতকাল শনিবার আরো তিন চিকিৎসকের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। পাঁচজন চিকিৎসকই সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা এখনো পর্যন্ত খারাপ বলা যাবে না।’
হাসপাতালটির পরিচালক আরো বলেন, ‘আক্রান্ত হওয়ার পর ওই চিকিৎসকরা অন্য যে চিকিৎসকদের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে মোট নয়জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আরো কিছু চিকিৎসকের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এই ভাইরাসটি চিকিৎসকদের শরীরে রোগীর কাছ থেকে না কি অন্য কীভাবে ছড়াল তা এখন বলা যাচ্ছে না। কারণ, সামাজিকভাবে হেনস্থার শিকার না হওয়ার জন্য সাধারণ নাগরিক রোগ কিংবা উপসর্গের কথা গোপন করছে। আবার যেহেতু কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে সেহেতু আসলেই কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে সেটা বলা মুশকিল। এটা বহির্বিভাগ থেকেও হতে পারে আবার অন্যভাবেও হতে পারে।’
আজ রোববার বিকেলে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া এনটিভি অনলাইনকে এই তথ্য জানান।
উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘আমার হাসপাতালে এখনো পর্যন্ত মোট পাঁচজন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন মেডিসিন বিভাগের, বহির্বিভাগের একজন, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের একজন এবং শিশু বিভাগের একজন চিকিৎসক রয়েছেন।’
উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘তিন দিন আগে দুজন চিকিৎসকের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়। গতকাল শনিবার আরো তিন চিকিৎসকের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। পাঁচজন চিকিৎসকই সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা এখনো পর্যন্ত খারাপ বলা যাবে না।’
হাসপাতালটির পরিচালক আরো বলেন, ‘আক্রান্ত হওয়ার পর ওই চিকিৎসকরা অন্য যে চিকিৎসকদের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে মোট নয়জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আরো কিছু চিকিৎসকের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এই ভাইরাসটি চিকিৎসকদের শরীরে রোগীর কাছ থেকে না কি অন্য কীভাবে ছড়াল তা এখন বলা যাচ্ছে না। কারণ, সামাজিকভাবে হেনস্থার শিকার না হওয়ার জন্য সাধারণ নাগরিক রোগ কিংবা উপসর্গের কথা গোপন করছে। আবার যেহেতু কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে সেহেতু আসলেই কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে সেটা বলা মুশকিল। এটা বহির্বিভাগ থেকেও হতে পারে আবার অন্যভাবেও হতে পারে।’
No comments: