sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ২৫ হাজার শ্রমিকের বাধ্যতামূলক ছুটিতে সম্মতি নেতাদের




 ২৫ হাজার শ্রমিকের বাধ্যতামূলক ছুটিতে সম্মতি নেতাদের
 
২৫ হাজার পাটকল শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন শ্রমিকরা। সোমবার শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন সিবিএ নেতৃবৃন্দ। তবে কবে থেকে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে, সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বৈঠকে। শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে মন্ত্রণালয়। এর আগে সকালে মিল বন্ধ না করাসহ সব পাওনা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে পাটকল শ্রমিকরা।

অব্যাহত লোকসানে টালমাটাল। অবশেষে ভার বইতে না পেরে শ্রমিক-কর্মচারীর দীর্ঘ দিনের আশঙ্কা বাস্তবে রূপ নিলো বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর ঘোষণায়। রোববার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সব পাটকল পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপে ছেড়ে দেয়া ও ২৫ হাজার শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর ঘোষণা দেন তিনি।

তার ঘোষণার পরই আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক ও সিবিএ নেতারা। সোমবার ঢাকার ডেমরায় পাটকল শ্রমিকরা বিক্ষোভ কর্মসূচি না করলেও ক্ষোভ জানান সরকারের এমন সিদ্ধান্তে। দাবি জানান, বকেয়া সব পাওনা পরিশোধের।

শ্রমিকদের একজন বলেন, 'আমরা কোনো কিস্তি মানি না। আমাদের এক চেকে টাকা দিবে কারখানা চালু অবস্থায়।'


আরেক শ্রমিক বলেন, 'আমাদের সংসার যে কীভাবে চলে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।'

আরেকজন বলেন, 'একসাথে ২৫-২৬ মিল বন্ধ করা এ জীবনে দেখিনি। এ সরকার যে উদ্যোগ নিছে এই মহামারির সময় তা বিশাল অন্যায়।'

খুলনায় সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ মিলগেটে অবস্থান নেন ৯টি পাটকল শ্রমিক ও তাদের সন্তানরা। পরে মানববন্ধনে, পাটকল বন্ধ না করে লোকসানে জড়িদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।


এদিকে দেশব্যাপী শ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমিক নেতারা। এক ঘণ্টার বৈঠকের পর সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার কথা জানান তারা। আর শ্রম প্রতিমন্ত্রী জানান, পাওনা পরিশোধ ঠিকমতো হচ্ছে কি না তার পর্যবেক্ষণ করবে মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন, বিজেএমসির আওতাধীন ২৬টি মিলে বর্তমানে ২৫ হাজার স্থায়ী শ্রমিকসহ পাওনা বকেয়া রয়েছে এমন শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply