sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ফেব্রুয়ারির মধ্যে চসিকের নির্বাচন




   ফেব্রুয়ারির মধ্যে চসিকের নির্বাচন


আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর।



গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে কমিশন বৈঠক শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। যে পর্যায়ে স্থগিত করা হয়েছিল, সেখান থেকেই আবার প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ যেসব বৈধ প্রার্থী ছিলেন, তাঁরাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নতুন করে কাউকে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না।


ইসি সচিব আরো বলেন, কেউ যদি মারা যান, তবে ওই পদে পুনরায় তফসিল দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে সাধারণ নির্বাচনের মতোই মনোনয়নপত্র দাখিল বা ফাইলসহ সব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।


গত ৪ আগস্ট মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় চসিক মেয়রের পদ শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। চসিকের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে এ দায়িত্ব পান তিনি।


চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে এম রেজাউল করিমকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ, যিনি নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন পিছিয়ে গেছে। এ কারণে সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন (সিটি করপোরেশন) আইনে বলা হয়েছে, করপোরেশনের প্রথম সভার তারিখ থেকে পাঁচ বছর হবে এর মেয়াদ। আর করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে।


আ জ ম নাছির চট্টগ্রাম মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ২০১৫ সালে ৬ আগস্ট। সে হিসেবে এ সিটির বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ শেষ হয় ৫ আগস্ট।


মেয়াদ পূর্তির ১৮০ দিনের মধ্যে এ সিটির নির্বাচন করতে গত ২৯ মার্চ ভোটের তারিখ রেখে তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের কারণে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে ২১ মার্চ তা স্থগিত করা হয়।


পরে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগকে এক চিঠিতে জানায়, বর্তমানেও করোনা প্রভাব অব্যাহত থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়াদকালের মধ্যে, অর্থাৎ ৫ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে না বলে কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।


এ অবস্থায় চসিকে যে প্রশাসক বসানো হবে, তা সেদিনই জানিয়েছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।


স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। এ ছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ৫৫ পদে ২৬৯ প্রার্থী রয়েছেন ভোটে।


নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন (মিনার), এনপিপির আবুল মনজুর (আম), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র খোকন চৌধুরী (হাতি)।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply