sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ‘৪৭ বছরেও কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য কিছুই করতে পারেননি বাইডেন’




৪৭ বছরেও কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য কিছুই করতে পারেননি বাইডেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য তিন বছরে তিনি যা করেছেন ৪৭ বছরে তা করতে পারেননি তার প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, জো বাইডেন বর্ণবাদকে উস্কে দিচ্ছেন। ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির চারদিনব্যাপী ন্যাশনাল কনভেনশনের শেষ দিনে হোয়াইট হাউজ থেকে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে নির্বাচিত করতে জনগণের কাছে ভোট চান। এদিকে, ট্রাম্পের ভাষণের সময় হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ করেন বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীরা। মেয়ে ইভাঙ্কার আহ্বানে কনভেনশন স্থলে এসে হাজির হন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লাইম গ্রীন ড্রেস পড়া ফার্স্টলেডির হাত ধরে শুরুতে হোয়াইট হাউজের ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ান প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকে অতিথিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন মঞ্চে। সত্তর মিনিট এগার সেকেন্ডের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি ও তার দল সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। তিনি চলমান বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন। বলেন, ‘আমি কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য গত তিন বছরে যা করেছি জো বাইডেন ৪৭ বছরেও তা করতে পারেননি। বাইডেন ডেমোক্র্যাটদের সম্মেলনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো কথা বলেননি।’ ট্রাম্পের ভাষণের বড় একটা অংশজুড়ে ছিল প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের সমালোচনা। বাইডেন গত সপ্তাহে ডেমোক্র্যাটিক কনভেনশনে ট্রাম্পের নাম একবারও উল্লেখ না করলেও প্রেসিডেন্ট তার সত্তর মিনিটের ভাষণে একচল্লিশ বার প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম উচ্চারণ করেছেন। কড়া সমালোচনা করেছেন চীনের। যদিও রাশিয়ার প্রসঙ্গ তিনি তোলেননি। ট্রাম্প বলেন, ‘জো বাইডেনের নির্বাচনী এজেন্ডা "মেইড ইন চায়না"। আর রিপাবলিকান পার্টির এজেন্ডা মেইড ইন ইউএসএ। বাইডেনের কাছে আমেরিকা নিরাপদ নয়। তিনি আমেরিকাকে ধ্বংস করে দিবেন। তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল। আমার সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত ও অর্থনীতি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত।’ ভাষণের শুরুতে মহামারি করোনা ও বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় লরায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহানুভূতি জানান ট্রাম্প। প্রায় দুই হাজার আমন্ত্রিত অতিথি হোয়াইট হাউজের লনে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। কারও মুখেই ছিল না মাস্ক বা বজায় থাকেনি সামাজিক দূরত্ব। ভাষণ শেষে আতশবাজিতে আলোকিত হয় ওয়াশিংটন ডিসির আকাশ। এদিকে, হোয়াইট হাউজকে দলীয় কনভেনশনের স্থান হিসেবে নির্বাচিত করায় এ নিয়ে নানা মহলে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। ট্রাম্পের ভাষণকে সামনে রেখে এদিন হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ করেন বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply