sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » প্রাণহানিতে যুক্তরাজ্যকে ছাড়াল ভারত, সর্বোচ্চ শনাক্ত




 

প্রাণহানিতে যুক্তরাজ্যকে ছাড়াল ভারত, সর্বোচ্চ শনাক্ত করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ও প্রাণহানিতে দিশেহারা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। একে একে সর্বোচ্চ ক্ষতির দেশগুলোর তালিকায় নাম উঠছে মোদির দেশের। যেখানে মৃতের সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর এতে করেই ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে প্রাণহানিতে শীর্ষ চারে উঠেছে দেশটি। অন্যদিকে, প্রতিদিনই এখন রেকর্ড নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি সর্বোচ্চ শনাক্ত হচ্ছে করোনা রোগী। তবে আশার কথা হলো, প্রাণহানির সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতাও। যার সংখ্যা ১৭ লাখ ছুঁতে চলেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬ হাজার ৯৯৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই চার রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ)। অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ৯৪২ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৩৩ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৫৩ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতে ৮ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। এদিকে বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত। আর প্রাণহানিতে পঞ্চম। এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫০ জন মানুষের। আক্রান্ত ও প্রাণহানিতে রাজধানী দিল্লিকে টপকানো তামিলনাড়ুতে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ২৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ সাড়ে ১৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। তিনে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে করোনার শিকার ২ লাখ ৫৪ হাজারের বেশি। তবে, প্রাণহানি কিছুটা কম এখানে। যার সংখ্যা ২ হাজার ২৯৬ জন। দিল্লিতে করোনার থাবায় প্রাণ গেছে ৪ হাজার ১৫৩ জনের। আর ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট। সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৫৬ হাজারের বেশি রোগী। এতে করে বেঁচে ফেরার সংখ্যা ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৫৩ হাজারের অধিক।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply