sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » কিংবদন্তিদের ধরে রাখতে পারে না বার্সা!




কিংবদন্তিদের ধরে রাখতে পারে না বার্সা!

বার্সেলোনাকে বিদায় বলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। খুব সম্ভবত কাতালুনিয়ায় নিজের শেষ দিনগুলো কাটাচ্ছেন তিনি। যদিও তার বিদায় নিয়ে এখনো চলছে নানা নাটকীয়তা। তবে বিশ্বজুড়ে বার্সা সমর্থকরা ধরেই নিয়েছেন, শিগগিরই বিদায় বলতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইনের এ মহাতারকা। ইতিহাস বলে, কেবল মেসিই নয়, এর আগেও অনেক কিংবদন্তিকে ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বার্সেলোনা। তেমনই কয়েকজন কিংবদন্তির বিদায়ের গল্প জানা যাক। ম্যারাডোনা: উত্তরসূরী মেসির মতোই বার্সেলোনায় খেলেছেন ফুটবল ইতিহাসের আরেক সেরা ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা। তবে ক্লাবটিতে বেশিদিন টিকতে পারেননি তিনি। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে বিদায় নিতে হয় তাকে। ১৯৮২ সালের জুনে বার্সায় যোগ দেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি, বিদায় নেন ১৯৮৪ সালে। কোচ মেনোত্তি এবং ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে মতবিরোধ দেখা দেয়ায় ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে চলে যান ম্যারাডোনা। পরবর্তীতে সেই ক্লাবের কিংবদন্তি হিসেবে খ্যাতি পান। মাইকেল লডরুপ: ডেনমার্কের এই তারকা খুব একটা সখ্যতা গড়ে তুলতে পারেননি তৎকালীন কোচ ইয়োহান ক্রুইফের সঙ্গে। ফলাফল সেসময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলারের বেশিদিন টেকা হয়নি বার্সেলোনায়। লডরুপের বিষয়ে নানা তথ্য ফাঁস করা হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে। ক্ষুব্ধ এই ফুটবলার বার্সার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে যোগ দেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদে এবং ১৯৯৫ সালে রিয়ালের হয়ে জেতেন লা লিগা। রোমারিও ডি সুজা: রোমারিওকে বলা হয় ফ্যান্টাসি ফুটবলার। বার্সায় দীর্ঘদিন কাটিয়েছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। তবে তার বিদায়টাও সুখকর হয়নি। ক্লাবে যোগ দিয়ে প্রথম বছরেই ৪৭ ম্যাচে ৩২ গোল করেন রোমারিও। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর লম্বা ছুটিতে যান রোমারিও। কোচ ইয়োহান ক্রুইফ সেসময় তাকে ফিরতে বললেও, দীর্ঘদিন পর দলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। ফলাফল কোচের সঙ্গে বিবাদ এবং এরপর ক্লাব ছাড়ার ঘটনা। রোনালদো নাজারিও: ১৯৯৬-৯৭ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেন ব্রাজিলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার। মৌসুমে ৪৯ ম্যাচে ৪৭ গোল করেন এই তারকা। তবে বার্সায় যোগ্য মুল্যায়ন পাচ্ছেন না এমন দাবি তুলে পরের বছরই তখনকার রেকর্ড ট্রান্সফার ফি'তে (২৫ মিলিয়ন ইউরো) যোগ দেন ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলানে। লুই ফিগো: পর্তুগিজ এই কিংবদন্তির বিদায়টা আজীবন মনে রাখবেন বার্সেলোনা সমর্থকরা। কাতালান ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি বাড়াতে চেয়েও সক্ষম হননি ফিগো। অথচ এই ক্লাবে তার দারুণ অবদান ছিল। বার্সেলোনা থেকে একপ্রকার বিতাড়িত হয়ে মনোক্ষুন্ন হয়ে ৬১ মিলিয়ন ইউরোতে প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ফিগো। রোনালদিনহো: সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকেও সুখকর বিদায় দিতে পারেনি বার্সেলোনা। ২০০৩ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত কাতালান ক্লাবটিতে খেলেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এসময় ১৪৫ ম্যাচে গোল করেন ৭০টি। তবে ২০০৮ সালে গার্দিওলা বার্সার দায়িত্ব নিলে সেরা একাদশে জায়গা হারিয়ে ফেলেন রোনালদিনহো। সেবছরই একপ্রকার বাধ্য হয়েই ২৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ইন্টার মিলানে যোগ দেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ: মেসি-রোনালদোর দাপটের ভীড়ে এই প্রজন্মের সুপ্ত এক নক্ষত্রের নাম জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। বিশ্বের সব বড় লিগ এবং ক্লাবগুলোতে খেলেছেন এই সুইডিশ স্ট্রাইকার। তবে কাতালান ক্লাবটিতে পাননি যথাযোগ্য মর্যাদা। ২০০৯ সালে ৭৮ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সায় যোগ দেন জ্লাতান, ২০১১'তে ক্লাব ছাড়েন মাত্র ২৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে। বার্সায় অবশ্য প্রত্যাশিত ছন্দে ছিলেনও না ইব্রা। নেইমার জুনিয়র: সমসাময়িক ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার বলা যেতেই পারে নেইমারকে। ক্লাবের সঙ্গে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা, সখ্যতা গড়ে উঠেছিল লিওনেল মেসির সঙ্গেও। দু'জনে মিলে গড়ে তুলেছিলেন বিশ্বসেরা আক্রমণভাগ। তবে ২০১৭ সালে পিএসজির প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সা ছাড়েন নেইমার। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে নিজের সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনায় ভোগেন জানালেও, তাকে ক্লাবে ফেরাতে সক্রিয় উদ্যোগ নেয়নি বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ। সবশেষ কি এই তালিকায় যোগ দিতে যাচ্ছেন ক্লাব ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার? সময়ই বলে দেবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply