sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের দাফন আজ




সদ্য প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ছবি : সংগৃহীত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে আজ সোমবার বেলা ১২টায় সুপ্রিম কোর্টে জানাজার পর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। আজ সকালে তাঁর মরদেহ মিন্টো রোডের বাসভবনে নেওয়া হয়। সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে মারা যান মাহবুবে আলম। অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। এর আগে গতকাল রোববার অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মেয়ের জামাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ রেজাউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল জ্বর অনুভব করেন। পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর সকালে তাঁর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ওই দিনই তাঁকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তবে ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে হার্ট অ্যাটাক হলে তাঁকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর জ্ঞান স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, কিন্তু হৃদযন্ত্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না। তবে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে আগের তুলনায় তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ২০ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু ২১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে ফুসফুস ঠিকমতো কাজ করছিল না। অবস্থা সংকটাপন্ন হতে থাকে।’ সংসার জীবন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ১৯৪৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মৌছামান্দ্রা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাহবুবে আলম স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তাঁর ছেলে সাংবাদিক এবং মেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। শিক্ষাজীবন মাহবুবে আলম শিক্ষাজীবন শুরু করেন কাজির পাগলা এটি ইনস্টিটিউশনে। ১৯৬৩ সালে ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৬৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৯ সালে লোকপ্রশাসনে এমএ পাস করেন। ১৯৭২ সালে ঢাকা সিটি ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৯ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে সংবিধান এবং সংসদীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আন্তর্জাতিক আইন ও সংসদীয় পদ্ধতি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন প্রবীণ এই আইনজীবী ১৯৭২ সালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত নৈশ বিভাগে শিক্ষকতা অব্যাহত রাখেন। আইনজীবী হিসেবে ১৯৭৩ সালে ঢাকা জজকোর্টে এবং ১৯৭৫ সালে হাইকোর্টে কাজ শুরু করেন। ১৯৮০ সালে হন আপিল বিভাগের আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ১৯৯৮ সালে। রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবী, অর্থাৎ দেশের ১৩তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান ২০০৯ সালে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেই পদেই ছিলেন তিনি। এর আগে ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবে আলম। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন মাহবুবে আলম। ২০০৫-০৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৯৩-৯৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক জীবন মাহবুবে আলম ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা অন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলনে ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার অভিযান চালান। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে রমনা রেসকোর্স ময়দানে মিছিল নিয়ে অবস্থান করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গ্রামে থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করেন। ১৯৭৮ সালে আওয়ামী ঐক্যজোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী এম এ জি ওসমানীর পক্ষে এম কোরবান আলী ও অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নিজ এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন। তবে শেষমুহূর্তে তিনি মনোনয়ন পাননি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply