sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সিলেটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ রনির ভাষ্যে মনে হচ্ছে রাজন-আইনুলও জড়িত : র‍্যাব




সিলেটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ রনির ভাষ্যে মনে হচ্ছে রাজন-আইনুলও জড়িত : র‍্যাব সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (বাঁয়ে), আটক সন্দেহভাজন আইনুল (মাঝে) ও রাজন আজ সোমবার পর্যন্ত র‍্যাবের কাছেই রয়েছে। ছবি :

সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনিকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। পুলিশের এই এলিট ফোর্সের বক্তব্য অনুযায়ী, আসামি রনি যেসব তথ্য দিয়েছেন তাতে তাদের মনে হচ্ছে ঘটনার সঙ্গে সন্দেহভাজন রাজন ও আইনুলও জড়িত থাকতে পারে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে র‍্যাব-৯-এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ওবাইন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাজন ও আইনুলকে এখনো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। আপাতত র‍্যাব হেফাজতে রেখেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি যে ভাষ্য দিয়েছেন তাতে রাজন ও আইনুলও জড়িত বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু তাদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।’ এদিকে এ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও রবিউল ইসলামকে আজ সোমবার পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুপুর ১২টার দিকে প্রথমে সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে বিকেলে ৩টার দিকে মামলার অপর আসামি রবিউল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী আইনজীবী (এপিপি) খোকন কুমার দত্ত। তিনি আরো জানান, আদালতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই নববধূকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ ঘটনায় তরুণীর স্বামীর দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। এ ছাড়া অজ্ঞাত পরিচয় আরো তিনজনকে আসামি করা হয়। আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া আটক বাকি তিনজন মাহমুদুর রহমান রনি, অজ্ঞাত রাজন ও আইনুলকে র‍্যাব হেফাজতে আছে। এর আগে গতকাল রোববার সাইফুরকে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে পৃথক এক অভিযানে একই দিন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা থেকে অর্জুন লস্করকেও গ্রেপ্তার করা হয়। সাইফুর বালাগঞ্জ উপজেলার চান্দাইপাড়ার বাসিন্দা আর অর্জুনের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামে। এ ছাড়া গতকাল রোববার দিবাগত রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব আর নবীগঞ্জ থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রনি হবিগঞ্জ সদর থানা বাগুনীপাড়ার আর রবিউল সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানাধীন বড়নগদীপুর (জাগদল) গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে, গতকাল রোববার দিবাগত গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় রাজন নামের এক ছাত্রলীগকর্মীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৯। এ সময় রাজনকে সহযোগিতা করায় আইনুল নামের আরেক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। রাজন তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার অজ্ঞাত আসামি ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে, সিলেট মহানগর হাকিম তৃতীয় আদালতের বিচারক শারমিন খানম নিলার কাছে রোববার দুপুরে সেই রাতের ঘটনার জবানবন্দি দেন নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply