sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভারতে সংক্রমণ কমলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রাণহানি




ভারতে আরও কমেছে করোনাক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৭ লাখ ভারতীয় ভাইরাসটির শিকার হয়েছেন। একইসঙ্গে সুস্থতা বাড়লেও কমানো যাচ্ছে না প্রাণহানির হার। গত একদিনেও প্রায় ৯শ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে। যার অধিকাংশই মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকের বাসিন্দা। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ হাজার ২৬৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬ লাখ ৮৫ হাজার ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ৮৮৪ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৫৬৯ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ লাখ ৮৯ হাজারের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত। এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ হাজার মানুষের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে করোনার শিকার ৭ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ। তবে, প্রাণহানি কিছুটা কম এখানে। যার সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। তিনে থাকা কর্ণাটকে করোনার ভুক্তভোগী ৬ লাখ ৪৭ হাজারের অধিক মানুষ। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৯ হাজার ৩৭০ জনের। চারে থাকা তামিলনাড়ুতে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার ৮৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে আজ। আর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। উত্তর প্রদেশে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে আজ ৪ লাখ ১৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে ভুগে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ হাজার ৯২ জন। আর রাজধানী দিল্লিতে করোনা হানা দিয়েছে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার মানুষের দেহে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ হাজার ৫৪২ জন ভুক্তভোগী। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট। সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় হাটবাজার, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৭৫ হাজার ৭৮৭ জন রোগী। এতে করে বেঁচে ফেরার সংখ্যা বেড়ে ৫৬ লাখ ৬২ হাজার ৪৯০ জনে পৌঁছেছে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা কমে ৯ লাখ ১৯ হাজার ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এআই/ এসএ/






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply