sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » দুর্গাপুজো মণ্ডপে দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা হাইকোর্টের




দুর্গাপুজো মণ্ডপে দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা হাইকোর্টের

মহামারি করোনা ভাইরাসের আবহে কলকাতায় সর্বজনীন দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার দাবি জানিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার (১৯ অক্টোবর) শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুজো মণ্ডপকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে সব মণ্ডপে দর্শকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে বাফার জোন রাখতে হবে। বড় মণ্ডপের থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত ব্যারিকেড করে বাফার জোন রাখতে হবে। আর ছোট মণ্ডপগুলো ক্ষেত্রে ৫ মিটার পর্যন্ত ব্যারিকেড করে বাফার জোন ঘোষণা করতে হবে। কড়া নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। রায়ে পুজোয় ভিড়ের আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, ২–৩ লক্ষ মানুষের ভিড় ২০ হাজার পুলিশের দ্বারা কীভাবে সামলানো সম্ভব?‌ যদিও রাজ্য সরকরারে তরফে বলা হয়েছে যে আরও পুলিশ বাড়ানো হবে। এদিকে, আদালত নির্দেশ না মানার অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এর আগে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে পুজোর দুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা চেয়ে পাঠায় আদালত। যদিও এই নিয়ে আদালতের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে কোনও রিপোর্ট তলব করা হয়নি। বিচারপতি মৌখিকভাবেই পুজোয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভিড় সামলানোর ব্লুপ্রিন্ট চেয়েছিলেন। জানতে চাওয়া হয়, পুজোর দিনগুলি কীভাবে করোনাবিধি মেনে চলা হবে, কীভাবে ভিড় সামলানো হবে। তবে সোমবার দুপুরে পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে কোনও রিপোর্ট বা নথি আদালতে জমা পড়েনি।এখনও পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রসচিব বা মুখ্যসচিবের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর না পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ আদালতের বিচারপতি। তাঁর মতে, রাজ্য যে পুজোর গাইডলাইন প্রকাশ করেছে তাতে সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে বোধা যাচ্ছে। কিন্তু তার বাস্তবায়ন করাটা কতটা সম্ভব সেটা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্ষেপ, রাজ্যের উচিত ছিল আরও সচেতন হওয়া। এটা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি এদিন বলেন, ‘‌কাগজে বা অন্য সংবাদমাধ্যমে এখনই পুজোর ভিড়ের যা ছবি দেখছি তা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রীতিমতো ভয় করছে দেখে।’‌ ২ থেকে ৩ লাখ মানুষ কলকাতা ও শহরতলির রাস্তায় পুজো দেখতে নামবেন। আর সেই ভিড় সামলাতে এত কম সংখ্যক পুলিশের আয়োজন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতার আদালত।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply