sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » অনলাইনে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে জমির খাজনা দেওয়া যাবে : ভূমিমন্ত্রী




ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অনলাইনভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে জমির খাজনা প্রদান করা যাবে। ভূমি কর প্রদানের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশের তিন কোটি ৬০ লাখ জনগণ এ সেবার মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবে। মানুষের ভূমি-সংক্রান্ত হয়রানি কমবে ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি বন্ধ হবে। আজ বুধবার ‘হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনলাইন ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পাইলটিং (প্রথম পর্যায়) কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে ভূমিমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি জেলার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যেখানকার জমির মালিকরা বিশ্বের যেকোনো স্থানে বসে ভিসা, মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারবে। আর বাংলাদেশ থেকে কার্ড ছাড়াও বিকাশ এবং রকেটের মাধ্যমে এই কর দেওয়া যাবে। পর্যায়ক্রমে এই প্রকল্পের আওতা বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুলাই মাস থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে ভূমি কর পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি সংস্কার বোর্ড এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ভূমিমন্ত্রী এ সময় বলেন, গত ১০ বছরে ভূমি ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের দূরদর্শী উদ্যোগের ফসল হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় মর্যাদাপূর্ণ 'ইউনাইটেড ন্যাশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০' অর্জন করেছে। 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বৃহৎ সংখ্যক ভূমিসেবা গ্রহীতার স্বল্প ব্যয়ে, স্বল্প সময়ে ও হয়রানি মুক্তভাবে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আবহমান কাল থেকে প্রচলিত বিধি-বিধানের আলোকে চালুকৃত ভূমি উন্নয়ন কর আদায় পদ্ধতি ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। মৌজা রেট সম্পর্কিত উপস্থিত এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত ব্যাপার মূলত আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আমরা আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরব। আরেকটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামী বছর ২০২১ সালের জুলাই মাস নাগাদ দেশব্যাপী অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করার ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ভূমি সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি রাজস্ব আদায়ের পাইলটিং কার্যক্রম চালানোর জন্য নির্বাচিত ভূমি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি সংস্কার বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকবৃন্দসহ মাঠ পর্যায়ে কর্মরত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপ্ত দাখিলার বৈধতা দিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় আজ একটি পরিপত্র জারি করে। প্রথমপর্যায়ে আটটি জেলার নয়টি উপজেলাধীন নয়টি পৌর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্তর্গত ১৯টি মৌজা নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি পৌর ভূমি অফিসের অন্তর্গত ১৩টি মৌজা হচ্ছে- চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও দক্ষিণ মতলব উপজেলার অন্তর্গত মিরপুর, গুদারারচর, নোয়াগাঁও, রুদ্রগাঁও, ভাটিরগাঁও, চরহোগলা, মোবারকদি ও ঢাকিরগাঁও মৌজা, মানিকগঞ্জ সদরের বনগ্রাম চক ও গঙ্গাধর পট্টি মৌজা, কিশোরগঞ্জ সদরের করমূলী ও মারিয়া মৌজা এবং জামালপুর সদরের সাতপাকিয়া মৌজা। চারটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্তর্গত ছয়টি মৌজা হচ্ছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলাধীন পাটগাতি ইউনিয়নের অন্তর্গত টুঙ্গীপাড়া মৌজা, ঢাকার সাভার উপজেলাধীন বাগধনিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর ও আনন্দপুর মৌজা, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাধীন খাসখামা ইউনিয়নের হাইলধর ও মালঘর মৌজা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ইউনিয়নের দেওভোগ ম খণ্ড মৌজা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply