sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » যত্রতত্র বাড়ি তৈরি ঠেকাতে ল্যান্ড জোনিংয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্যমন্ত্রী




তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর সিআরবি শিরিষ তলায় একটি সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি : বাসস তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের ফসলি জমিতে যত্রতত্র বাড়ি তৈরি ঠেকাতে ল্যান্ড জোনিংয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। কোন জায়গায় বাড়ি বানানো যাবে তা সরকার নির্ধারণ করবে। ল্যান্ড জোনিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে গ্রামেও যার যেখানে ইচ্ছা বাড়ি করা যাবে না। আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর সিআরবি শিরিষ তলায় একটি সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিলোত্তমা নামের একটি বেসরকারি সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এসএম আবু তৈয়ব, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার বিজয় বসাক, সাহেলা আবেদীন বক্তব্য দেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মাঠের মধ্য জমি কিনে একটি অট্টালিকা নির্মাণ করা হয়, সেটি মনে হয় আমার বুকে পেরেক বেঁধে দিল। এভাবে সবুজ নষ্ট করা হচ্ছে। প্রকৃতি নষ্ট করা হচ্ছে। যত্রতত্র ঘর করে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। প্রতি বছর এক শতাংশ হারে কৃষিজমি কমে যাচ্ছে। কৃষিজমি আছে দুই কোটি একর। প্রতি বছর দুই লাখ একর করে কমে। এভাবে যদি কমতে থাকে, এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ বাংলাদেশে আর কৃষিজমি থাকবে না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আদালত মিয়ানমারকে সমন দিয়েছেন। কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এটি আমাদের সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতারই সফলতা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে কোনো যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে নয়, কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মাধ্যমে, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করবে। সরকার সে পথেই হাঁটছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যে সব রোহিঙ্গা দেশে এসেছিল তারা এখনো ফেরত যায়নি অভিযোগ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে পারেনি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, উন্নয়নের নামে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে। পাহাড় ও গাছ কেটে চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্য হানি ঘটানো হয়েছে। চট্টগ্রামকে শ্রীহীন করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান যারা এ নগর উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত, তারাও এ বিষয়টি অনেক সময় খেয়াল রাখেনি। ‘চট্টগ্রামের উন্নয়ন করতে গিয়ে রাস্তা বানাতে গিয়ে সেখানে পাহাড় কেটে লেবেল করে দেওয়া হয়েছে। আবার রাতের অন্ধকারে সেখানে অনেক ক্ষেত্রে পাহাড় কাটা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চেষ্টা করা হয়। অনেক সময় সেই চেষ্টা করেও রক্ষা করা যায় না। আবার অনেক সময় সর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। উন্নয়ন করার ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব না দিলে চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্য গত ৫০ বছরে যতটুকু কমেছে আগামী ৫০ বছরে পর আর এ রকম থাকবে না।’ তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম শহর যে দিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে সে দিকে পাহাড় কাটা হচ্ছে। এটি বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে কর্ণফুলী নদীর দুপাড়ে দখল করা হচ্ছে। আবার দুষণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন সংস্থার নামেও দখল-দুষণ হচ্ছে। সামাজিক প্রতিরোধ করা হলে এসব দখল ও দুষণ বন্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ঢাকা শহরে অনেকগুলো খাল ছিল। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলে এসব খাল বন্ধ করে বক্স কালভার্ট করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শহরে একটু বৃষ্টি হলে পানি হয়। চট্টগ্রামে প্রবর্তক সংঘের মোড়ে এক কোমড় পানি হয়। এসব কেউ কোনো দিন ভাবেনি। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply