sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ভোর হলেই শালিকের ঝাঁকের অপেক্ষায় তিনি




ভোর হলেই শালিকের ঝাঁকের অপেক্ষায় তিনি

ভোর হলেই যেন শালিকের ঝাঁকের অপেক্ষা করেন তিনি। করোনার কারণে আয়-রোজগার কম। তারপরও প্রতিদিন সকালে নিজের স্বল্প আয় থেকে কিছুটা বাঁচিয়ে ক্ষুধার্ত পাখিদের খাবার দেন তিনি। বলছি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকার ভ্যানচালক রিপন হোসেনের কথা। ভোরের আলো ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শালিক পাখিদের কিচির মিচির কল কাকলিতে যেন জেগে ওঠে শৈলকূপার গাড়াগঞ্জ বাজার। সকালে বাড়ি থেকে ভ্যান চালিয়ে জীবিকার উদ্দেশ্যে আসা রিপন হোসেন শুরু করেন পাখিদের খাবার দেয়া। নিজের অল্প আয় তাই মাঝে মাঝে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়েও খাবার দেন। খাবার শেষে পাখিদের জলকেলির দৃশ্য মুগ্ধ করে সবাইকে। নিজের ভালোলাগা থেকে পাখিদের খাবার দেন। তবে সামর্থ্য না থাকায় বেশি দিতে পারেন না তিনি বলে জানালেন ভ্যানচালক রিপন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির সংরক্ষণ ও তাদের খাবারের ব্যবস্থা শুধু ব্যক্তিগতভাবে নয় সরকারিভাবেও করা দরকার বলে মনে করেন ঝিনাইদহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রফিকুল ইসলাম। পাখিদের সংরক্ষণে যারা কাজ করছেন তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন গাড়াগঞ্জ এলাকায় ৫০০ থেকে ৭০০ শালিক পাখি খাবারের সন্ধানে আসে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply