sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আবাহনী মাঠের পাশে ৪৫ বছর ধরে সাইকেল মিস্ত্রির কাজ করেন নাজমা বেগম




৪৫ বছর ধরে সাইকেল মিস্ত্রির কাজ করেন নাজমা বেগম (ভিডিও) নাজমা বেগম। বয়স ৬৫ বছর। ৪৫ বছর যাবত সাইকেল মিস্ত্রির কাজ করেন। রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠের পাশে তার ভ্রাম্যমাণ দোকান। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাইকেল, রিকশা সারাই করেন। ছেলে-মেয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে কেউবা পৃথক, কেউ আবার স্বামীর সংসারে। নাজমা বেগমের একার আয়েই চলছে তার পরিবার। তবে করোনাকালে আয় ভালো না হওয়ায় কিছুটা সংকটে তিনি। বাসা ভাড়া দিতে পারছেন না তাই ভাড়া বাড়িতেও ঢুকতে পারছেন না। নাজমা বেগমের সঞ্চয় বলতেও কিছু নেই। গ্রামের বাড়ি বরিশালে হলেও সেখানে থাকার মতো অবস্থা নাই। ে নাজমা বেগম বলেন, ‘৪৫ বছর এই পেশায় আছি। আগে ছিলাম গ্রিন রোড এলাকায়, ১৫ বছর ধরে আবাহনী মাঠের পাশে কাজ করছি।’ কাজ শিখেছেন ঢাকায়। বাবা বা বাড়ির কেউ এই পেশায় ছিলেন না। আমাদের বাড়ি বরিশাল, কিন্তু আমি ওই বাড়ি চিনি না। আমার জন্মস্থান ঢাকা। পোলাপান বিয়েও দিয়েছি ঢাকায়, এখন কষ্টে জীবন যাচ্ছে, হয়তো এই পেশায় থেকে মরণ হবে। কাজ শেখা নিয়ে নাজমা বেগম বলেন, ‘স্বামীর আয়ে সংসার চলতো না, ভাগিনার সাইকেলের দোকান থেকে শিখেছি। চোখের দেখায় শেখা। পরে স্বামী-সন্তানদের শিখিয়েছি। আমার পাঁচজন ছেলে-মেয়ে। বাইরের মানুষদেরও এই কাজ শিখিয়েছি। ২০ জনের বেশি আমার সাগরেদ আছে। কেউ কেউ মারা গেছেন’। নাজমা বেগমের এক মেয়েও সাইকেল মিস্ত্রী। তিনিও আবাহনী মাঠের পাশে সাইকেল মিস্ত্রীর কাজ করেন। নাজমা বেগম এখন অসুস্থ, বেশি ভারি কাজ করতে পারেন না। সাইকেল-রিকশার টুকটাক কাজ করেন। এই দিয়েই চলে না সংসার। কখনও অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটে তার। ঘরভাড়া দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। তিনি বলেন, বাবা-মা, ভাই- বোন কেউ নাই। বরিশালের বাড়িতেও যেয়ে থাকার সুযোগ নাই। একটা ঘর তোলা, দোকান করার জন্যও তো টাকা লাগে। টাকার অভাবে ঢাকায় বাড়ি ভাড়া দিতে পারছি না, বাড়িওয়ালা বাসায় ঢুকতে দিচ্ছেন না। রাস্তায় মিস্ত্রীর কাজ করতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে বলে জানান নাজমা বেগম। মাঝেমধ্যে তার যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে যায়। আর একটি যন্ত্র চুরি হলেই বেশ টাকা খোয়াতে হয়। সমাজের বিত্তবানদের কাছে নাজমা বেগমের আবেদন- কেউ যেন তার একটি দোকান করতে সহযোগিতা করেন। একটি ছাদের নিচে তার এই কার্যক্রম চলাতে চান তিনি। ঝড়বৃষ্টিতে ফুটপাথে বসে কাজ করতে অসুবিধা হয়। ভ্রাম্যমাণ বিভিন্ন রিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নাজমা বেগম পুরুষ সাইকেল মিস্ত্রীদের তুলনায় কিছু কিছু কাজ ভালো পারেন। পাঁচ বছর ধরে নাজমা বেগমের কাছে রিকশা সারাই করান এমন একজন বলেন, আপার ব্যবহার ভালো। কাজও ভালো বোঝেন। টুকটাক কিছু হলেই এখানে এসে সাইকেল সারাই করাই। নাজমা বেগমের শেষ ইচ্ছা, নির্দিষ্ট দোকানে বসে কাজ করার। শারীরিকভাবে সুস্থ থেকে, পরিশ্রম করে ধর্মের পথে থেকে বাকি জীবন পার করতে চান তিনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply