Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চিঠি লেখার দিন থাকুক বা না থাকুক, ডাকটিকেটের প্রয়োজনীয়তা থাকবে’-- মোস্তাফা জব্বার




চিঠি লেখার দিন থাকুক বা না থাকুক, ডাকটিকেটের প্রয়োজনীয়তা থাকবে’ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘ডাকটিকেট একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংস্কৃতি, বরেণ্য ব্যক্তিদের ইতিহাসের স্মারক হিসেবে কাজ করে। ফলে চিঠি লেখার দিন থাকুক বা না থাকুক, ডাকটিকেটের প্রয়োজনীয়তা আছে, থাকবেও।’ বাংলাদেশ ফিলাটেলিক সোসাইটি আয়োজিত ‘স্মারক ডাকটিকেটের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় (ওয়েবিনারে) প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ কথা জানানো হয়েছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘জ্ঞানার্জনের জন্য ডাকটিকেটে যে তথ্য পাওয়া যায়, তা অন্য কোথাও পাওয়া দুষ্কর। নতুন প্রজন্মকে তাই ডাকটিকেট সংগ্রহে উৎসাহিত করতে হবে। এটি একটি সৃজনশীল কাজ হওয়ায় অঙ্কন-ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত সৃজনশীল মানুষদের স্মারক ডাকটিকেটের ডিজাইনে কাজে লাগাতে হবে।’ ওয়েবিনারে বাংলাদেশ ফিলাটেলিক সোসাইটির নেতা হাবিবুল্লাহ আলম বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকেট সংগ্রাহক আনোয়ারুল কাদের, লস্কর ইফতেখার, অন্তরা ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যেভাবে স্মারক টিকেটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতেও স্বাধীনতার ঘটনাবহুল বিষয়গুলো নিয়ে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব স্মারক ডাকটিকেট ইতিহাস জানার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে—এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে কী কী বিষয় নিয়ে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা যায়, এ ব্যাপারে ফিলাটেলিক সংগঠনগুলোর মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ডাকঘরকে ডিজিটালাইজেশনের যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা এরই মধ্যে শুরু করেছি। ডাকঘরের সঙ্গে দেশের প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি পরিবারের সম্পর্ক আছে। ২০২১ সালের পর ডাকঘরের বিদ্যমান চিত্র আর থাকবে না। ডাকঘর হবে অতীতের মতোই মানুষের অতি প্রয়োজনীয় ঠিকানা।’ বক্তারা স্মারক ডাকটিকেট একটি জাতির সম্পদ উল্লেখ করে বলেন, ইতিহাস ঐতিহ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাহাড়, ঝর্ণাসহ নানা প্রাকৃতিক রূপ বৈচিত্র্য নিয়ে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা যায়। এর ফলে দেশে বিদেশে এর চাহিদা আরো বাড়বে। তাঁরা ডাক অধিদপ্তরের ফিলাটেলিক ব্যুরোকে আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply