sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সংসদ লেকে ভাসানো হল দৃষ্টিনন্দন নৌকা




জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও দৃষ্টিনন্দন ২টি নৌকা তৈরী করেছে। সেই দুইটি গয়না নৌকা ভাসানো হয়েছে জাতীয় সংসদ লেকে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ লেকে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের তৈরি করা দৃষ্টিনন্দন নৌকা দুটি ভাসিয়ে দেয়া হয়। নৌকা ভাসানোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এম.পি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এম.পি এবং শামসুল হক চৌধুরী এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামিরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দ রুবিনা আক্তার এম.পি। ড. জাফর আহমেদ খান, সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্সূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মিজানুর রহমান এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আপাদমস্তকে একজন বাঙালী। তিনি বাঙালী জাতিস্বত্তা এবং সংস্কৃতিকে লালন করতেন এবং বাঙালীর সংস্কৃতির মুক্তি এবং তা বিশ্বদরবারে তুলতে এদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। তাই তার দলীয় প্রতিকও নৌকা। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা এবং এদেশের সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে, প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং এগেুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে হবে। এজন্য যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। বেমামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে রয়েছে সমৃদ্ধশালী ইতিহাস, ঐতিহ্য। নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌকা এদেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতির একটি মৌলিক উপাদান। ঐতিহ্যবাহী নৌকাগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য নিয়মিত নৌকা-বাইচ, নৌকা-মেলা এবং নৌকা জাদুঘর স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন নদীমাতৃক বাংলাদেশ নৌ-পর্যটন উন্নয়ন এবং আবহমান বাংলার নৌকাগুলোর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এগুলো দ্রুতই বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস বলেন, নৌকা এবং নদীর সাথে রয়েছে আমাদের সভ্যতা সৃষ্টির আত্মিক সম্পর্ক। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে নৌ-পর্যটন উন্নয়নে বাপক এর উদ্যোগে ট্যুরিস্ট ভেসেল সংগ্রহের কাজ চলছে। এছাড়া নৌকা এবং নদীকেন্দ্রীক সভ্যতাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে দরার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। অনুষ্ঠানের সভাপতি বলেন, আবহমান বাংলার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো সংরক্ষণ এবং যথাযথ প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আলোচনা শেষে মাননীয় প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি মহোদয়গণের উপস্থিতিতে ফুলেল ফিতা কেটে নৌকা দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন মোঃ জিয়াউল হক হাওলাদার, ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। উল্লেখ্য এই নৌকায় সাধারণ মানুষের ওঠার সুযোগ থাকছে না। ভিআইপি ও বিদেশি পর্যটকরা এ নৌকায় সংসদের লেক ভ্রমণ করতে পারবেন। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে কৃষ্টি-কালচার এবং ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে এই নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply