sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক রবার্ট ফিস্ক




প্রখ্যাত সাংবাদিক রবার্ট ফিস্ক আর নেই

। আয়ারল্যান্ডে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মারা যান প্রথিতযশা এ আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর একটি সূত্র তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওই সংবাদমাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ফিস্ক। এই খ্যাতনামা সাংবাদিক ১৯৪৬ সালে ইংল্যান্ডের কেন্ট শহরের মেডস্টোনে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি আয়ারল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং ডাবলিনের বাইরে ডালকে শহরে বসবাস শুরু করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অভিযানের তথ্য সংগ্রহ এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে তা প্রকাশের জন্য এই ব্রিটিশ সাংবাদিক বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করেছিলেন। কৈশোরেই তার সাংবাদিকতার যাত্রা শুরু। মাত্র ১২ বছর বয়সেই তিনি সাংবাদিক হওয়ার বিষয়ে মনস্থির করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সাংবাদিকতা শুরু করেন ফিস্ক। প্রথমে সানডে এক্সপ্রেসের ডায়েরি কলামে লেখালেখি করতেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি যোগ দেন দ্য টাইমসে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত টাইমসের বেলফাস্ট প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন তিনি। ১৯৭৬ সালে তিনি ওই পত্রিকার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদদাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। বলকান, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় ব্রিটেনভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হয়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন তিনি। ২০১৫ সালে নিউইয়র্ক টাইমস তাকে ব্রিটেনের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক সবচেয়ে জনপ্রিয় সাংবাদিক হিসেবে আখ্যা দেয়। সাংবাদিক জীবনে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিবেদনের জন্য বেশ কিছু সম্মানজনক পুরষ্কারে ভূষিত হন ফিস্ক। আফগানিস্তানে মার্কিন হামলা, ১৯৭৯ সালে ইরানের বিপ্লব, ইরাক-ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন দুঃসাহসী সংবাদ প্রকাশ করে বেশ আলোচিত হন। মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা বিশ্বের নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার সম্পর্কের কঠোর সমালোচক ছিলেন ফিস্ক। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও বিভিন্ন সময়ে লেখালেখি করেন তিনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply