sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বদলানোর পরামর্শ বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর!




'জনগণমন' নয়, জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হোক আইএনএ-র 'কাওয়ামি তারানা'! জাতীয় সঙ্গীত বদলানোর পরামর্শ বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর! নিজস্ব প্রতিবেদন: বদলে যাবে দেশের জাতীয় সঙ্গীত? জাতীয় সঙ্গীতে বদল চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি দু'পাতার চিঠি লিখলেন বিজেপির সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। বিষয়টিতে দ্রুত সাড়াও পেলেন তিনি। এ নিয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত স্বামী নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে লিখেছেন সে কথা। আর তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন বিতর্ক। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সঙ্ঘে অথবা বিজেপিতে কিছু কিছু আপত্তির কথা শোনা গিয়েছে। তবে ভোটের দিকে তাকিয়েই হোক, আর যা-ই হোক, গত দু'বছরে মোদী মাঝে মাঝেই তাঁর নিজের ভাষণে রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করেছেন। এই অবস্থায় সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর টুইট অন্য রকম বিতর্ক উস্কে দিল। 'জনগণমন' নিয়ে সুব্রহ্মণ্যমের আপত্তি কেন? প্রবীণ বিজেপি সাংসদের আপত্তির অন্যতম কারণ 'সিন্ধু' শব্দটি। তাঁর মতে, জাতীয় সঙ্গীতের কিছু কিছু শব্দ (যেমন, সিন্ধু) এই সময়ে অনাবশ্যক ধন্দ তৈরি করে। রবীন্দ্রনাথের 'জনগণমন'-র শব্দ বদলে তিনি তাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (আইএনএ)-র গাওয়া গানটিকেই পছন্দ করেছেন। 'জনগণমন'র আদলে লেখা আইএনএ-র জাতীয় সঙ্গীত 'কাওয়ামি তারানা'র প্রথম পংক্তি ছিল 'শুভ সুখ চ্যায়েন'। এই গানটিই ব্যবহারের পক্ষে সওয়াল করেছেন স্বামী। ইতিহাসের সূত্রে জানা যায়, ১৯৪৩-এ সুভাষ বসুর নির্দেশে আইএনএ-র দুই সদস্য মুমতাজ হোসেন এবং কর্নেল আবিদ হাসান সাফরানি গানটি লিখেছিলেন, সুর দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন রাম সিংহ ঠাকুর। কিন্তু জাতীয় সঙ্গীতের শব্দ কি বদল করা যায়?






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply