sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » নকল পেঁয়াজের বীজ বোপন করে তিল পরিমাণ গুটি আসেনি মেহেরপুর সদর উপজেলার কোলা গ্রামে




মেহেরপুর সদর উপজেলার কোলা গ্রামে নকল পেঁয়াজের বীজ বোপন করে কপাল পুড়েছে এমনই অভিযোগ এলাকার কৃষকদের। কয়েকশ একর জমিতে নকল বীজ বোপন করে দিশেহারা এলাকার পেঁয়াজ চাষীরা। ইতোমধ্যে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে, গাছের আকারও বড় হয়েছে, কিন্তু কোনো ফলন চোখে পড়ছে না। এতে কৃষককে ব্যাপক লোকসান গুনতে হবে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবেনা বলে মনে করছেন এলাকার পেঁয়াজ চাষীরা। জানা গেছে, মেহেরপুর সদর উপজেলার কোলা গ্রামের শতাধিক চাষী একই উপজেলার রুদ্রনগর গ্রামের জনৈক রবজেল নামের এক ভ্রাম্যমান বীজ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নকল সুখ সাগর জাতের পেঁয়াজের বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন এলাকার অধিকাংশ কৃষক। আসল সুখ সাগর জাত, ভালো ফলন হবে রবজেলের এমন চটকদার প্রচারে আশায় বুক বাঁধেন এলাকার কৃষকরা। কোলাগ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একনাগাড়ে কয়েক বছর ধরে পেঁয়াজের আবাদ করছি। ফলনও আশানুরূপ পেয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছি প্রতিবছর। কিন্তু এই বীজে ফলন কয়েক গুন পাওয়া যাবে- রবজেলের এমন প্রতিশ্রুতিতে বীজ কিনে প্রতারিত হলাম। আমার অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে যাবে। একই সঙ্গে বীজ বোপন করে অন্যদের পেঁয়াজ ৫০-১০০ গ্রাম ওজনের হয়ে গেছে কিন্তু রবজেলের বীজে

ি। আমার মতো কয়েক ১শ কৃষক বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজের বীজ বোপণ করে পথে বসতে চলেছে। রহিদুল নামের একজন কৃষক বলেন, সুখ সাগর পেঁয়াজ চাষে অন্যান্য বছর ভালো ফলন হওয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছি। এ কারণে চলতি বছর আমি তিন বিঘা জমিতে রবজেলের পরামর্শে তার কাছ থেকে বীজ কিনে বপণ করি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো ফলন দেখছি না। এতে আমার বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে। কৃষকদের দাবি, এভাবে এলাকার কৃষকদের ওই বীজ বোপণ করে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাই ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ পুষিয়ে দিতে হবে রবজেলকে। তা না হলে দায়-দেনা করে পেঁয়াজ উৎপাদনে নামা প্রান্তিক কৃষক পথে বসবে। সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার কোলা এলাকার প্রায় শতাধিক কৃষকের মধ্যে অধিকাংশ সুখ সাগর পেঁয়াজের বীজ বোপণ করেছেন। কোলা গ্রামের পেঁয়াজ চাষী মোঃ মোস্তফা, আঃ কুদ্দুস, ফরিদুল, হায়দার, মনিরুল, হাবিবুর, ছালাম, সাইদুল, ফারুক, আসাদুল, বজলু, মশিউর, সুজন, মইনদ্দিনসহ অনেকেই বলেন, আমাদের মধ্যে অধিকাংশ পরের জমি লীজ নিয়ে, গরু বিক্রি করে পেঁয়াজের আবাদ করেছি। এছাড়া সার বিষ বাকী করে নিয়ে ক্ষেতে ব্যবহার করেছি। একদিকে নকল বীজ অন্যদিকে ধার-দেনা, জমির লীজ খরচ, মানুষের কাছে ধার-দেনা আমরা কিভাবে কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাদের এই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কয়েক গুন ফলনের কথা বলে কৃষকের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন রবজেল। এখন রবজেলের সাথে যোগাযোগ করলে সে ফোন ধরেনা আবার বিভিন্ন তালবাহানা করেছে আমাদের সাথে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসরিন জাহান বলেন, কোলা গ্রামে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা পেঁয়াজের মাঠ পরিদর্শন করে দেখেছি এলাকার কৃষকদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। এই বীজগুলো আসল সুখ সাগর বীজ নয় বুনো বললেই চলে। আমরা পেঁয়াজ গাছ তুলে ফেলার পরামর্শ দিয়েছি। কোলা ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় কয়েক হাজার কৃষক নকল বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন। এবিষয়ে রবজেল জানান, বীজতো আমি দিয়েছি। বীজগুলো ভালো হয়নি তাই ফলন হয়নি চাষীদের সাথে আমার কথা হয়েছে তাদের সাথে আমি একটা মীমাংসায় বসবো। কোন জাতের বীজ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুখ সাগর পেঁয়াজ বলেই দিয়েছিলাম কিন্তু পরে দেখছি সুখ সাগর পেঁয়াজ না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply