sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ১৩-১৪ই ডিসেম্বর: জেমিনিডস্ নামে উল্কার বৃষ্টি




ডিসেম্বরের আকাশে বর্ণচ্ছটা: সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ, অভিনব উল্কাবৃষ্টি আর শনি ও বৃহস্পতির বিরল মিলন


ব্রিটেনের ডরসেট এলাকা থেকে ছায়াপথের দৃশ্য
ছবির ক্যাপশান,

আলোর চোখ ধাঁধাঁনো বিচ্ছুরণ: ২০২০ ডিসেম্বরের রাতের আকাশে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে দেখা যাবে অভিনব কিছু মহাজাগতিক দৃশ্য

এ বছর অর্থাৎ ২০২০ সাল বিশ্বে বহু মানুষের জন্যই গেছে নানা কারণে বিপর্যয়, উৎকণ্ঠা আর ক্ষতির একটা বছর হিসাবে।

কিন্তু গ্রহ-নক্ষত্রের জগত অন্তত ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে মানুষকে এই ডিসেম্বর মাসের আকাশে চমক জাগানো বর্ণচ্ছটা উপহার দিতে তৈরি হয়েছে। নিজের ঘরে বসেই আকাশের এই অভিনব দৃশ্য আপনি উপভোগ করতে পারবেন, তার জন্য টেলিস্কোপ বা দামী কোন যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে না।

দুটি গ্রহের মিলে এক হয়ে যাওয়া, সবচেয়ে বর্ণাঢ্য উল্কা বৃষ্টি, এবং সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ...এসব চমকপ্রদ মহাজাগতিক ঘটনা দেখতে প্রয়োজন শুধু পরিষ্কার আকাশ, দরকার হলে চোখকে রক্ষা করার কোন সরঞ্জাম এবং এটা জানা যে আকাশের কোথায় এবং কখন এসব দেখা যাবে।

এখানে দেয়া হল তারিখ অনুযায়ী এই মাসের উল্লেখযোগ্য এসব মহাজাগতিক ঘটনার বিস্তারিত।

১৩-১৪ই ডিসেম্বর: জেমিনিডস্ নামে উল্কার বৃষ্টি, দেখা যাবে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে

ডিসেম্বর ২০১৭ সালে জাপান সাগরে রাস্কি দ্বীপ থেকে রাতের আকাশে তোলা জেমিনিডিস উল্কার বৃষ্টিপাতের দৃশ্য
ছবির ক্যাপশান,

আকাশ পরিষ্কার থাকলে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে দেখা যাবে জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টিপাত। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ডিসেম্বর ২০১৭ সালে জাপান সাগরে রাস্কি দ্বীপ থেকে রাতের আকাশে তোলা জেমিনিডিস উল্কার বৃষ্টিপাতের দৃশ্য

আকাশের দিকে তাকিয়ে হয়ত গত কয়েক মাসে আপনি অন্য উল্কার বৃষ্টি দেখে থাকতে পারেন, কিন্তু ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর যে উল্কা বৃষ্টি হতে যাচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন সেটা হবে "সব উল্কা বৃষ্টির রাজা"।

"ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধুলিকণায় ভরা আস্তরণের মধ্যে দিয়ে যখন পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে, তখনই সাধারণত উল্কা বৃষ্টি ঘটে থাকে," বলছেন ব্রিটেনে গ্রেনিচের মানমন্দির, রয়াল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিশিয়া স্কেলটন।

"কিন্তু জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টিপাত ভিন্ন ধরনের। জেমিনিডস উল্কার বৃষ্টি হয় যখন ৩২০০-ফিটন নামে একটি গ্রহাণুর ছেড়ে যাওয়া ধুলিকণার আস্তরের মধ্যে দিয়ে পৃথিবী যায়," প্যাট্রিশিয়া ব্যাখ্যা করেন।

অর্থাৎ প্রতি বছর, আমাদের এই পৃথিবী গ্রহ তার কক্ষপথে ঘোরার সময় যখনই মহাজগতে গ্রহাণু বা ধূমকেতুর ছেড়ে যাওয়া নানা ধরনের বর্জ্য পদার্থের মধ্যে দিয়ে যায়, তখনই আমরা রাতের আকাশে নানাধরনের চোখ ধাঁধাঁনো আলোর ছটা দেখতে পাই।

সেভাবেই ১৩ ও ১৪ই ডিসেম্বর আমরা দেখতে চলেছি জেমিনিডসের উল্কা বৃষ্টি। এসময় প্রতি ঘন্টায় দেড়শর মত উল্কার ধারা বৃষ্টি হবে বলে জ্যোতির্বজ্ঞানীরা বলছেন। অর্থাৎ প্রতি ঘন্টায় আমরা ১৫০ আলোর ফোঁটার বিচ্ছুরণ দেখতে পাব।

২০১৭য় অ্যারিজোনা থেকে জেমিনিডসের উল্কা বৃষ্টির দৃশ্য
ছবির ক্যাপশান,

রাতের আকাশ যত অন্ধকার হবে, আলোর বিচ্ছুরণ তত চোখ ধাঁধাঁনো হবে। ২০১৭ সালে আমেরিকায় অ্যারিজোনার আকাশ থেকে জেমিনিডসের উল্কা বৃষ্টি যেভাবে দেখা গিয়েছিল

"উল্কা যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢোকে তখন তার গতি থাকে প্রতি সেকেন্ডে ৩৫ কিলোমিটার...সেটা প্রতি ঘন্টায় ১ লাখ ৩০ হাজার কিলোমিটারের সামান্য কম!" বলছেন প্যাট্রিশিয়া।

আপনি এই উল্কা বৃষ্টির সময় দেখতে পাবেন রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে উঠছে হলুদ আলোর ছটায়, কখনও কখনও দেখবেন সবুজ বা নীল আলোর ঝিলিক। প্যাট্রিশিয়া বলছেন, "উল্কার কণাগুলো পুড়ে গিয়ে আকাশে এদিক ওদিক ছিটকে পড়ার কারণে এই আলোর রোশনাই আমরা দেখি।"

আকাশ যত অন্ধকার হবে, এই অসাধারণ সুন্দর আলোর রোশনাই তত বেশি উপভোগ করার সুযোগ হবে। এমনকি শহরে যারা থাকেন, কৃত্রিম আলোর কারণে আকাশের প্রাকৃতিক অন্ধকার যারা পুরো মাত্রায় পান না,তাদেরও এই আলোর ঝলকানি দেখার সুযোগ হবে।

যারা এই অভিনব আলোর খেলা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য বাড়তি সুখবর এবছর এই সময়ে পড়েছে অমাবস্যা, ফলে আকাশ প্রাকৃতিক কারণেই থাকবে অন্ধকার। এর আগে উল্কা বৃষ্টির সময় পূর্ণিমা থাকায় এই আলোর সৌন্দর্য কম উপভোগ করা গিয়েছিল।


    ১৪ই ডিসেম্বর: সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ, দেখা যাবে চিলে আর আর্জেন্টিনায়...

    প্যাটাগোনিয়ার দৃশ্য:
    ছবির ক্যাপশান,

    দিনের বেলা আকাশে যখন রাতর আঁধার ঘনিয়ে এসেছিল প্রাচীন সভ্যতার যুগে মানুষ কী ভেবেছিল?

    ...এবং পৃথিবীর যে কোন জায়গায় ইন্টারনেটে লাইভ স্ট্রিমিং-এর দৌলতে!

    প্যানডেমিকের আগের জমানায় বহু মানুষ এধরনের মহাজাগতিক সৌন্দর্য দেখতে দৌড়ত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলের দক্ষিণে প্যাটাগোনিয়ায় আর আর্জেন্টিনায়।

    কিন্তু এখন ২০২০ হল মহামারির বছর। কাজেই বেশিরভাগ জ্যোতির্বিজ্ঞান ভক্তের একমাত্র ভরসা অনলাইন।

    তবে আপনার যদি আকাশে এই গ্রহণ দেখার সৌভাগ্য হয়, মনে রাখবেন সূর্যের দিকে কখনই সরাসরি তাকাবেন না, চোখকে রক্ষা করার জন্য কিছু ব্যবহার করবেন।

    যে ২৪ মিনিট ধরে এই জাদুকরি মুহূর্ত স্থায়ী হবে, তখন অমাবস্যার চাঁদ তার চলার পথে সূর্যের সামনে এসে পৌঁছবে এবং চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেবে "মাত্র দুই মিনিট ৯.৬ সেকেন্ডের জন্য," বলছেন গ্রেনিচ রয়াল অবজারভেটরির আরেক জ্যোতির্বজ্ঞানী তানিয়া ডি সালেস মার্কুইস।

    "চাঁদ আকারে সূর্যের চেয়ে ৪০০ গুণ ছোট," ব্যাখ্যা করেছেন তানিয়া, কিন্তু চাঁদ সূর্যের তুলনায় আমাদের অনেক কাছে বলে চাঁদকে অনেক বড় দেখায়, আর সূর্যকে আমরা বহু দূর থেকে অনেক ছোট দেখি। তাই আমাদের চোখের জন্য "চাঁদ সূর্যের গোলককে পুরো ঢেকে দিতে সক্ষম।"

    এভাবে চাঁদ সূর্যের সামনে একই জায়গায় যখন আসে তখন দিনের আকাশে অন্ধকার নেমে আসে। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকার সর্ব দক্ষিণে একেবারে মাঝ দুপুরের আকাশ পুরো অন্ধকারে ঢেকে যায়।

    কুয়াশাচ্ছন্ন দিনে নিচু থেকে সূর্য গ্রহণের দৃশ্য
    ছবির ক্যাপশান,

    সূর্যের পূর্ণ গ্রহণের সময় কখনই খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকাবেন না

    দক্ষিণ আমেরিকায় প্যাটাগোনিয়া অঞ্চলের মাচুপিচু আদি বাসিন্দাদের জীবনধারা ও সংস্কৃতিতে গ্রহণ বা মহাজগতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    "সূর্য হল 'পুরুষ শক্তি'র উৎস, আর চাঁদ 'নারী শক্তি'র। এই দুই শক্তির পথ পরিক্রমায় তারা যখন পরস্পরকে অতিক্রম করে, তখন আমাদের জন্য সেটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটা মুহূর্ত," বলেছেন মাচুপিচু সংস্কৃতি বিষয়ক শিক্ষক মার্চেলো হিউকুয়েনম্যান।

    মার্চেলো বলছেন, সূর্য গ্রহণ মাচুপিচু আদিবাসী সংস্কৃতিতে একটা অপয়া ঘটনা। তাদের ভাষায় এটা "সূর্যের মৃত্যু"।

    "পৃথিবীর ইতিহাসে সূর্য গ্রহণের রেকর্ড আছে প্রায় ৫০০০ বছর ধরে," বলছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী তানিয়া।

    "তবে বহু দেশের ইতিহাসে সূর্য গ্রহণকে একটা অশুভ লক্ষ্মণ হিসাবে দেখার সংস্কৃতি বহু পুরনো। কারণ অনেকের বিশ্বাস একটা অল্প সময়ের জন্য সূর্যকে গ্রাস করে নেয়া হয়, তাকে খেয়ে ফেলা হয়, দিনের আকাশে সেই স্বল্প সময়ের জন্য আঁধার নেমে আসে।"

    তানিয়া বলছেন, "কোন এক বছরে পাঁচবার পর্যন্ত সূর্য গ্রহণ হতে পারে, কিন্তু সূর্যের পূর্ণ গ্রহণ হয় প্রতি ১৮ মাসে মাত্র একবার। সেই সময় চাঁদ সূর্যের আলো সম্পূর্ণ ঢেকে দেবার মত অবস্থানে পৌঁছয়।"

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী পরবর্তী পূর্ণ সূর্য গ্রহণের সময়কাল ও দেখা যাবে যেখানে সেই স্থানগুলো হল :

    • কুমেরু অঞ্চল - ডিসেম্বর ২০২১
    • ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া (এপ্রিল ২০২৩)
    • আমেরিকা এবং কানাডা (এপ্রিলি ২০২৪)
    • দক্ষিণ ইউরোপ এবং গ্রিনল্যান্ড (অগাস্ট ২০২৬)
    • উত্তর আফ্রিকার ব্যাপক এলাকা এবং মধ্য এশিয়া (অগাস্ট ২০২৭)

    ২১শে ডিসেম্বর: বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের মহা সম্মিলন, দেখা যাবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে

    বাম থেকে ডানে শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি একই লাইনে - ২৬শে মার্চ ২০২০ আমেরিকার আলবার্টায় ভোরের আলোয় তোলা ছবি
    ছবির ক্যাপশান,

    বৃহস্পতি এবং শনি শেষবার সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছিল ৩৯৭ বছর আগে গ্যালিলেই তার টেলিস্কোপ আবিস্কার করার অল্প কয়েক বছর পর। কিন্তু এবারে তারা পুরো মিলে যেতে চলেছে যা অভিনব একটি প্রক্রিয়া।

    "আকাশ পরিস্কার থাকলে বৃহস্পতি আর শনি গ্রহকে সবচেয়ে সহজে দেখা যায়," বলেছেন গ্রেনিচে রয়াল অবজারভেটরির আরেকজন জ্যোতির্বিদ এড ব্লুমার।

    এই গ্রহ দুটির মহা সম্মিলন বলতে বোঝানো হয়, যখন তারা একে অপরের একেবারে সামনাসামনি আসে এবং যখন দেখে মনে হয় তারা দুজনে পুরো এক হয়ে গেছে এবং সম্মিলিতভাবে একক একটা গ্রহ হিসাবে আকাশে জ্বলজ্বল করছে।

    আর ঠিক সেটাই ঘটতে চলেছে ২১শে ডিসেম্বর। এড বলছেন, "এই দুটি 'প্রদক্ষিণরত গ্রহ' বৃহস্পতি ও শনি মহাকাশে এত কাছাকাছি আসবে যে মনে তারা যেন একে অপরকে স্পর্শ করে আছে।"

    আরও পড়তে পারেন:

    খালি চোখে দেখে মনে হবে দুটি গ্রহের মধ্যে তফাৎ মাত্র ০.১ ডিগ্রিরও কম, অর্থাৎ তারা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। এটা মহাজগতে আমাদের দৃষ্টিপথের কেরামতি। বর্তমানে পৃথিবী ও বৃহস্পতির মধ্যে দূরত্ব ৮০ কোটি কিলোমিটারের বেশি। বৃহস্পতি ও শনির মধ্যেও দূরত্ব প্রায় একইরকম।

    কিন্তু এই দুটি বিশাল গ্রহকে আমাদের রাতের আকাশে দেখা যায় একটু একটু করে পরস্পরের কাছে সরে আসতে, তারপর একটা সময় আমাদের দেখে মনে হয় তারা মিলে এক হয়ে গেছে।

    "তাদের এই মিলন দেখতে দারুণ লাগবে, বিশেষ করে তাদের এক হয়ে যাবার আগের ও পরের কয়েক দিন দেখা যাবে কীভাবে তারা কাছে আসছে এবং কীভাবে তাদের বদল ঘটছে," বলছেন এড।

    অবশ্যই জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং মহাকাশ বিষয়ে উৎসাহীদের জন্য এটা দারুণ একটা ব্যাপার। বায়নোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ থাকলে এমনকী বৃহস্পতির চারটি চাঁদও দেখা যায় - আইও, ইউরোপা, গ্যানিমিড এবং ক্যালিস্টো।

    এই চাঁদগুলোকে গ্যালিলিয়ান চাঁদও বলা হয়। কারণ ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেই ১৬১০ সালে তার সদ্য আবিষ্কৃত টেলিস্কোপ দিয়ে এই চাঁদগুলোর প্রথম দেখা পান।

    বৃহস্পতি ও তার চারটি চাঁদের চিত্রাঙ্কন
    ছবির ক্যাপশান,

    চোখে বায়নোকুলার লাগালে দেখতে বৃহস্পতির চারটি চাঁদও দেখা যায় - আইও আর ক্যালিস্টো (বামে) বৃহস্পতি (মাঝে বিশাল আকারের) এবং গ্যানিমিড ও ইউরোপা (ডানে)

    শনি ও বৃহস্পতি একই লাইনে চলে আসে প্রতি ১৯.৬ বছরে একবার। "কিন্তু এবারের এই মিলন অতি বিরল ঘটনা, কারণ ২০২০র ডিসেম্বরে যা ঘটছে তার কাছাকাছি একটা মিলন এর আগে ঘটেছিল ১৭শ শতাব্দীর গোড়ায়।"

    শেষ বার শনি ও বৃহস্পতির এত কাছাকাছি আসার ঘটনা ঘটেছিল ৩৯৭ বছর আগে। ১৬২৩ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী মি. গ্যালিলেই টেলিস্কোপ আবিস্কার করার তিন বছর পরে।

    "যারা গ্রহ নক্ষত্র দেখতে উৎসাহী তাদের জন্য এটা সাংঘাতিক উদ্দীপ্ত হবার মত ঘটনা, কারণ জীবদ্দশায় এ প্রক্রিয়া দেখতে পাওয়া খুবই বিরল অভিজ্ঞতা," এড বলছেন।

    আকাশ পরিস্কার থাকলে খুব সহজে এই মহা মিলন দেখা যাবে। যখন সম্মিলিতভাবে তারা অতি উজ্জ্বল জ্যোতি বিকীরণ করবে। তবে দেখতে চাইলে কিন্তু ঘড়ির দিকে আপনাকে নজর রাখতে হবে। কারণ এই বিরল প্রক্রিয়া দেখা যাবে মাত্র এক ঘন্টা। তারপরই দিকবলয়ে ডুবে যাবে এই দুটি গ্রহ।

    ভিডিওর ক্যাপশান,

    সূর্যের জন্ম হয়েছে কিভাবে?

    দেখতে চাইলে ২১শে ডিসেম্বরের আগে ঠিক জেনে নিন আকাশের কোথায় এই দুটি গ্রহ দেখা যায়: দক্ষিণ পশ্চিম দিগন্তে কিছুটা নিচের দিকে, সূর্যাস্তের আধ ঘন্টা পর এই দুই গ্রহকে খুঁজে পাবেন।






    «
    Next
    Newer Post
    »
    Previous
    Older Post

    No comments:

    Leave a Reply