sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কালাকপাল বনমালী (বৈজ্ঞানিক নাম: Sitta frontalis)[30]




মহসিন আলী আঙ্গুর//

কালাকপাল বনমালী Sitta frontalis Sitta frontalis -Assam -India-8.jpg ভারতের আসামে সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Passeriformes পরিবার: Sittidae গণ: Sitta প্রজাতি: S. frontalis দ্বিপদী নাম Sitta frontalis Swainson, 1820 কালাকপাল বনমালী (বৈজ্ঞানিক নাম: Sitta frontalis) (ইংরেজি: Velvet-fronted Nuthatch), কালোকপাল বনমালী বা নীলাভ কীটকুড়ানী Sittidae (সিটিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Sitta (সিটা) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির মাঝারি বৃক্ষচর পাখি।[২][৩] কালাকপাল বনমালীর বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ভ্রুযুক্ত কাঠঠোকরার মত পাখি (গ্রিক: sitte = কাঠঠোকরার মত পাখি, লাতিন: frontalis = ভ্রুযুক্ত)।[৩] পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৫২ লক্ষ ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।[৪] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে, তবে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে Least Concern বা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[১] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩] বিস্তৃতি ও উপপ্রজাতি বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, লাওস, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম কালাকপাল বনমালীর মূল আবাস। এ প্রজাতিটির মোট পাঁচটি উপপ্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে। এরা হল: S. f. frontalis (Swainson, 1820) - ভারতের পাহাড়ী অঞ্চল (গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ, দাক্ষিণাত্য, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল বাদে), হিমালয়ের পাদদেশে কুমায়ুন থেকে আসাম ও নাগাল্যান্ড পর্যন্ত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ চীন, মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোচীন। S. f. saturatior (E. J. O. Hartert, 1902) - মালয় উপদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, লিঙ্গা দ্বীপপুঞ্জ, সুমাত্রা ও বঙ্কা S. f. corallipes (Sharpe, 1888) - বোর্নিও ও তৎসংলগ্ন একাধিক দ্বীপ S. f. palawana (E. J. O. Hartert, 1905) - পশ্চিম ফিলিপাইন S. f. velata (Temminck, 1821) - জাভা।[৫] বিবরন কালাকপাল বনমালী লাল ঠোঁটের ছোট নীলচে পাখি। পাখির দৈর্ঘ্য মাত্র ১০ সেন্টিমিটার, ডানা ৮ সেমি, ঠোঁট ২.২ সেমি, পা ২ সেমি, লেজ ৪.৩ সেমি এবং ওজন ২৪ গ্রাম।[৩] প্রাপ্তবয়স্ক পাখির পিঠ বেগুনি-নীল; ওড়ার পালক কালচে, আগাসমেত কালচে নীল। থুতনি ও গলার মাঝখানটা সাদা। দেহতলের অবশেষ হালকা, কিছুটা পীত বাদামি। কপাল মখমল কালো, যার সঙ্গে চোখের সামনে-পেছনের কালো মোটা দাগ মিলেছে। স্ত্রীপাখির এ কালো দাগ নেই। স্ত্রী ও পুরুষ পাখির উভয়ের চোখ ও চোখের বলয় হলুদ। বলিষ্ঠ লালচে ঠোঁটের ওপরের অংশের প্রান্তদেশ বাদামি, পা ও পায়ের পাতা পাটকিলে বাদামি।[৬] পায়ের তল কমলা-হলুদ। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির ঠোঁট কালচে ও অপেক্ষাকৃত অনুজ্জ্বল ধূসর দেহতলে কমলা পীতাভের আভা থাকে।[৩] আচরন ও খাদ্যাভ্যাস কালাকপাল বনমালী প্রধানত প্যারাবনে বিচরণ করে। পাতাঝরা ও চিরসবুজ বনেও দেখা যায়। সচরাচর জোড়ায় বা ছোট পারিবারিক দলে বিচরণ করে। সাধারণত উড়ে এসে বসে গাছের প্রধান কাণ্ডে। বনের ভেতর থেকে উড়ে এসে কাণ্ডের বাকল ও গাছের পুরোনো বড়, শেওলাঢাকা ডালের বুকে হেঁটে এরা ঠুকরে খাবার খায়। খুব দ্রুত সময়ে লাফিয়ে লাফিয়ে গাছের কাণ্ডের পোকা খেয়ে উড়ে গিয়ে বসে অন্য এক গাছের কাণ্ডে। খাদ্যতালিকায় আছে পোকা ও লার্ভা। গাছের গা আঁকড়ে থাকতে ও ওপরে-নিচে চলাচলে এরা অত্যন্ত পটু। সাধারণত খাবারের সময় চিট চিট বা সিট সিট শব্দ করে ডেকে বেড়ায়।[৬] প্রজনন এরা গ্রীষ্মকালে (জানুয়ারি-মে মাসে) গাছের ফোকরে শ্যাওলা, পশম ও পালক বিছিয়ে ছোট বাসা বানায়। দুই থেকে ছয়টি লালচে ছোপযুক্ত সাদা ডিম পাড়ে। ডিমের মাপ ১.৭ × ১.৩ সেমি।[৩] পুরুষ ও স্ত্রীপাখি মিলে ডিমে তা দেয়।[৬] ডিম ফোটে ১৪-১৬ দিনে। ১৫ দিনের দিন ছানারা বাসা ছাড়ে।[৩]






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply