sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » লা দামা (বৈজ্ঞানিক নাম:Zoothera citrina[২১]




মহসিন আলী আঙ্গুর// কমলা দামা Zoothera citrina - Khao Ya.jpg পুরুষ, উপ-প্রজাতি Z. c. innotata খাও ইয়াই জাতীয় উদ্যান, থাইল্যান্ড WTGT-FM.jpg দক্ষিণ ভারতীয় নারী উপ-প্রজাতি Z. c. cyanotus সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Passeriformes পরিবার: Turdidae

গণ: Zoothera প্রজাতি: Z. citrina দ্বিপদী নাম Zoothera citrina (Latham, 1790) প্রতিশব্দ Geokichla cinerea কমলা দামা (বৈজ্ঞানিক নাম:Zoothera citrina) দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশের ১৫ প্রজাতির দামা পরিবারের একটি পাখি। দামা পরিবারের অন্যান্য প্রজাতিগুলি হচ্ছে আঁশটে দামা, ধলাঘার কালিদামা, ধলাপাখ কালিদামা, কালাবুক দামা, কালাপাশ দামা, কালচে দামা, লালগলা দামা, নীল শীষদামা, নীল শীলাদামা, পাতি কালিদামা, টিকেলের দামা, ভ্রুলেখা দামা, খয়রাপিঠ দামা ও লম্বা ঠোঁট দামা। এরা কমলাফুলি বা কমলা দোয়েল নামেও পরিচিত। ফকিরহাটে মেটে দোয়েল বা কমলা বউ বলে।।এই ১৫ প্রজাতির মধ্যে কেবল কমলা দামা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী দুর্লভ দামা। বাকি ১৪ প্রজাতি মাঝে মাঝে, বিশেষ করে শীতকালে দেখা যায়।[২] পরিচ্ছেদসমূহ ১ আকার ২ স্বভাব ৩ প্রজননকাল ৪ তথ্যসূত্র ৫ বহিঃসংযোগ আকার কমলাবউ দোয়েল আকারের পাখি। লম্বায় ২১ থেকে ২২ সেন্টিমিটার। ওজন ৬০ গ্রাম। পুরুষ পাখির মাথার চাঁদি, ঘাড় ও বুকের রং গাঢ় কমলা। তাতে আছে হালকা হলুদের ছোঁয়া ও লালচে আভা। পেট ও লেজের নিচটা সাদা। পিঠ ও লেজের ওপরটা নীলচে-ধূসর। ডানার প্রান্তে রয়েছে কয়েকটি সাদা দাগ। স্ত্রীটি দেখতে পুরুষটির মতোই, তবে বুকের রং একটু ফিকে এবং পিঠ ও লেজ ছাইরঙা। স্ত্রী-পুরুষনির্বিশেষে ঠোঁট কালচে; পা ও আঙুল হালকা গোলাপি। মায়াবী চোখের মণি পিঙ্গল। বাচ্চাগুলোর রং গাঢ় ধূসর, তার ওপর কমলা ছোপ। স্বভাব এরা বেশ লাজুক। মানুষের চোখের আড়ালে গ্রামীণ ঝোপ-জঙ্গল, বন-বাগান বা বাঁশঝাড়ের স্যাঁতসেঁতে নির্জন পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে। প্রজননের সময় ছাড়া সাধারণত একাকী জোড়পায়ে ছোট ছোট লাফ দিয়ে ঘুরে বেড়ায়। মাটিতে পড়ে থাকা পাতা উল্টে পোকামাকড়, কেঁচো ইত্যাদি খায়। ফলও খেতে পারে। ‘চিরি-চিরি-রিরি...ঝিরি বা কিরি-কিরি...কিরি-কিরি’ স্বরে ডাকে। প্রজননকাল এপ্রিল থেকে জুন প্রজননকাল। এক থেকে পাঁচ মিটার উঁচু কোনো গাছের ঘন পাতাওয়ালা দুই ডালের ফাঁকে শুকনা পাতা, মস, ঘাস, সরু শিকড় ও মাটি দিয়ে চায়ের পেয়ালার মতো বেশ মজবুত বাসা বানায়। স্ত্রী কমলাবউ তিন-চারটি গোলাপি ডিম পাড়ে। তাতে থাকে নীলচে ও ফিকে আভা। আর সামান্য ছিট-ছোপ। ডিম ফোটে ১৪ দিনে। বাচ্চারা উড়তে শেখে ১০ দিনে।[৩] তথ্যসূত্র "Zoothera citrina"। The IUCN Red List of Threatened Species। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৩। কমলা দামার ঘরবাড়ি, সৌরভ মাহমুদ, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১১ মে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। প্রাণে বাঁচল কমলাবউ, আ ন ম আমিনুর রহমান, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply