sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মেহেরপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী ও সতীনের ফাঁসি




মেহেরপুরে স্ত্রী জরিনা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার ইচাখালী গ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে এবং জমেলা খাতুন সাইদুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী। নিহত জরিনা খাতুন সাইদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী জমেলা খাতুন পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা গেছে ২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে মেহেরপুর সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের সুরনিশা ভিটার মাঠে জনৈক আলামিনের মসুরীর খেতে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় জরিনা লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে একই সালের ৩১জানুয়ারি জরিনা খাতুন নিখোঁজ হয়। লাশ উদ্ধারের পর নিহত জরিনার বোন ফেরদৌসী খাতুন জরিনার লাশ শনাক্ত করেন। পরে তিনি বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় দন্ডবিধির ৩০২,২০১, ৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ৭৪/২০১০। জি আর কেস নং ৪৫/২০১০। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন মেহেরপুর সদর থানার এসআই হাসান ইমাম মামলার প্রাথমিক তদন্ত কাজ শেষ করেন এবং নিহত জরিনার স্বামী সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা কে আসামি করে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। আটক দুইজন হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে সাইদুল ইসলাম ও তার বড় স্ত্রী জমেলা খাতুন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় সাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জমেলা খাতুন কে ফাঁসির একই সাথে ১০ হাজার টাকাঅর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। ফ্লাশব্যাক ২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল বেলা যাদবপুর গ্রামে গোরস্থানের ঠিক বিপরীত দিকে সার্কাস এবং আনন্দমেলা চলছিল, সেই সময় হঠাৎ করেই তার বিপরীত দিকে সুরনিশা ভিটার মাঠে জনৈক আলামিনের মসুরীর খেতে মাটিতে পুঁতে রাখা এক মহিলার লাশ দেখে একটি কুকুর ডাকাডাকি শুরু করে। ওই কুকুরটি ডাকাডাকি দেখে মাঠে কাজ করা কিছু লোক সেখানে ছুটে যায়। ওই সময় মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় শাড়ি কিম্বা অন্য আরেকটি অংশ দেখে তাদের সন্দেহ হয়। মুহুর্তের মধ্যে এলাকায় জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে। পরে মাটি খুঁড়ে মহিলার অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই সময় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধারের পর ফেরদৌসী খাতুন নামের এক মহিলা কান্নাকাটি শুরু করেন এবং নিহত ব্যক্তি মরদেহ তার বোন জরিনার বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। ঐসময় ফেরদৌসী বলেছিলেন তার ছোট বোন জরিনাকে কয়দিন যাবত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার ভগ্নিপতি সাইদুল এবং সাইদুলের প্রথম স্ত্রী জমেলা সাথে ঝগড়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন। ওই ঘটনায় তৎকালীন সময়ে পুরো মেহেরপুরে ব্যাপক আতঙ্ক শুরু হয়েছিল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply