sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সাহেদসহ চার জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ ফেব্রুয়ারি




পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ চার জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত সংস্থা দুদক প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ নতুন এদিন ধার্য করেন। এরআগে ২৭ জুলাই দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদি হয়ে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, পদ্মা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হক চিশতি, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ এবং হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ইব্রাহিম খলিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখার এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়। উল্লেখ্য, ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনে করা মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া পাশাপাশি অস্ত্র আইনের ১৯ (এফ) ধারায় তার সাত বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়। উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। এ ঘটনার পর পালিয়ে যান সাহেদ। ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply