sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শিগগিরই ধসে পড়তে যাচ্ছে ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য




। এমনটাই মনে করছেন দেশটির বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিদ। বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের কেন্দ্র পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটলে হামলা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পকে অভিশংসন করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ। ফলে ইতোমধ্যে বড় ইমেজ সংকটে পড়েছেন তিনি। আর এ কারণেই শিগগিরই কোণঠাসা হয়ে পড়বে তার সব ব্যবসা-বাণিজ্য। ব্লুমবার্গ ও ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিজয় সত্যায়নের দিন ক্যাপিটল ভবনে সশস্ত্র হামলা চালান ট্রাম্প সমর্থকরা। ওই তাণ্ডবে-দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে চলতি সপ্তাহে (বুধবার) তাকে অভিশংসন করা হয়েছে। এতে ভোট দিয়েছে তার নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরাও। এবার পরবর্তী সময় সিনেটে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। যদি তাতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে তাকে বিরত থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, এখন তার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা। স্টেট ওয়াচ ও ওয়ালস্ট্রিটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে ট্রাম্পকে প্রত্যাখ্যান করেছেন তার রাজনৈতিক অর্থদাতারা, যারা বহুদিন ধরেই তাকে আর্থিক সহায়তা করে আসছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানি, ব্যাংক, আমেরিকান গলফ ইন্ডাস্ট্রি তারাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমনকি যে কানাডিয়ান কোম্পানিটি তার অনলাইন স্টোরগুলো দেখাশোনা করত, ট্রাম্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তারাও। স্টেট ওয়াচের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এবং তার কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানির ডয়েচে ব্যাংক। একইভাবে সম্পর্কে ছেদ ঘটিয়েছে সিগনেচার ব্যাংকও, যার পর্ষদে একসময় ইভাঙ্কা ট্রাম্পও যুক্ত ছিলেন। এইচপির সাবেক সিইও কার্লি ফিওরিনা বলেছেন, ট্রাম্পের ব্যবসার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কারণ তার ব্রান্ডটি এখন বিষাক্ত। বিশ্বের বৃহত্তম রিটেইলার ওয়ালমার্ট ও ওয়াল্ট ডিজনি ও ট্রাম্পকে আর সহায়তা করতে রাজি নয়। মার্কিন বিজনেস ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ স্যালি হগশেড বলেন, রাজপ্রাসাদ থেকে বেরোনোর সময় তিনি তাতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে এসেছেন। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ট্রাম্পকে প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াল স্ট্রিট, সিলিকন ভ্যালি ও ওয়াশিংটন। ই-কমার্স প্লাটফর্ম শপিফাই বলেছে, তারা ট্রাম্পের ই-কমার্স স্টোর বন্ধ করে দিয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সর্বশেষ ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। বুধবার নিজেই এ বিষয়ক ঘোষণা দেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বিল দে ব্লাসিও। খবরে বলা হয়, দুটি আইস-স্কেটিংসহ রিংকস একটি পার্ক এবং একটি গলফ কোর্স চালানোর জন্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের সঙ্গে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের চুক্তি করেছিল নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। ক্যাপিটল হিলে তাণ্ডবের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করে মেয়র ব্লাসিও বলেন, ‘মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের উসকানি দেওয়া স্পষ্টতই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’। ট্রাম্প ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। মূলত হোটেল ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। তবে তার সম্পদের পরিমাণ কত, এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য নেই। ট্রাম্পের দাবি, বিশ্বজুড়ে তার থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্যমান ১০ বিলিয়ন ডলার হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত জার্মান পত্রিকা ‘হান্ডেলসব্লাট’-এর বিবরণ অনুযায়ী, ২৫টি দেশের ৫০০ কোম্পানিতে ট্রাম্পের শেয়ার আছে। এই সব কোম্পানির কার্যকলাপ, আয়-ব্যয় বা মুনাফা সম্পর্কে প্রায় কিছু জানা নেই। ২৫টি দেশে ট্রাম্পের ১৪৪টি কোম্পানি আছে বলে সিএনএন দাবি করে থাকে। ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার খবর অনুযায়ী ট্রাম্পের অন্তত ১৮টি দেশে ১১১টি কোম্পানি আছে। ট্রাম্পের সাম্রাজ্য হলো ‘দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’, যা তিনি তার বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন। ১৯৭১ সাল যাবৎ তিনি এই কোম্পানিটির দায়িতে। সারা বিশ্বে এই কোম্পানির বড় বড় প্রপার্টি আছে, যেমন নিউইয়র্কে ৪০ নম্বর ওয়াল স্ট্রিট, ভ্যানকুভারে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড টাওয়ার বা (ছবিতে) লাস ভেগাসের ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেল। ট্রাম্পের সম্পদ মোটামুটি চারটি বহুতল ভবনে আবদ্ধ বলে ফোর্বস পত্রিকার অভিমত। নিউইয়র্কে ট্রাম্পের দু’টি অফিস ভবন আছে, এছাড়া তিনি ফিফ্থ অ্যাভিনিউের ট্রাম্প টাওয়ারের অংশীদার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply